ads

সোমবার , ৭ জুলাই ২০১৪ | ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পদ্মায় অবাধে চলছে বালু উত্তোলন

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ৭, ২০১৪ ৫:০৬ অপরাহ্ণ

padmaরাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী মহানগরী সংলগ্ন পদ্মায় দীর্ঘ দিন ধরে অবৈধ উপায়ে বালি উত্তোলন চলছে। বিভিন্ন সময় জেলা প্রশাসন অভিযানও চালিয়েছে। কিন্তু পরে আবারো কর্যক্রম চালিয়ে গেছে বালি ব্যবসায়িরা। চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই আবারো তৎপরতা বেড়েছে বালি ব্যবসায়ি ওই চক্রটির। এরই মধ্যে তারা নগরীর বুলনপুর থেকে তালাইমারী পর্যন্ত বেশ কয়েকটি পয়েন্টে বালু উত্তোলন শুরু করেছে। এর বাইরে নগরীর পশ্চিমাংশ পবা উপজেলার নবহঙ্গা, হাড়–পুর, হরিপুর এবং পূর্বাংশে শ্যামপুর সহ চারঘাট,বাঘা,বেশ কয়েকটি পয়েন্টে দেদারসে চলছে বালি উত্তোলন।রাজশাহীর পদ্মায় থামছেনা অবৈধ বালি উত্তোলন। এতে হুমকিতে পড়েছে রাজশাহী শহরসহ নদী তীর রক্ষা বাঁধ। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে সংঘবদ্ধ একটি চক্র অবৈধ এ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তবে জেলা প্রশাসন বলছে, খুব শিগগিরই এর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভোর রাত থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পদ্মা নদী থেকে বালি উত্তোলন চলছে। বালি উত্তোলকারীরা নদী সংরক্ষণ বাঁধ কেটে রাস্তা তৈরি করে সরাসরি ট্রাক ও ট্রলিতে করে নদী থেকে বালি উত্তোলন করে নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধের উপরে রাখছে। ট্রাকে করে সেগুলো ভর্তি করে শহর বাঁধের উপর নির্মিত পায়ে হাটা পথ দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এতে দেবে যাচ্ছে বাঁধ। দেখা দিচ্ছে ভাঙন আতঙ্ক।নাম প্রকাশ না করার শর্তে শ্যামপুর বালির ঘাটের কয়েকজন বালি ব্যাবসায়ী জানান, ইতিপূর্বে কাজলা ফুলতলা থেকে মিজানের মোড় পর্যন্ত বালি ট্রাকভর্তি ট্রাক চলাচল বন্ধে প্রশাসন তৎপর ছিলো। বর্তমানে স্থানীয় পুলিশকে মাসোহারা দিয়ে তারা বাঁধের উপর দিয়ে বালি ভর্তি ট্রাক নিয়ে যাচ্ছেন।এদিকে, জেলার গোদাগাড়ীতেও চলছে বালি উত্তোলনের মহোৎসব। তীরের নীচে বালি উত্তোলন করায় হুমকির মুখে পড়েছে সেখানকার নদী তীর সংরক্ষণ বাঁধ। প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে নীরব রয়েছে। অবৈধভাবে বালি উত্তোলনকারীদের পুলিশ সহযোগিতা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনুমোদন না থাকায় বালি উত্তোলন বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উপজেলার অন্তত: ১০টি পয়েন্ট দিয়ে অবাধে বালি উত্তোলন করে নদীর পাড়ে সংরক্ষণ করে বিক্রি করছে বালি ব্যবসায়িরা। নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধের নিচ থেকে বালুমাটি উত্তোলন করে উপজেলায় অবস্থিত বিভিন্ন ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

Shamol Bangla Ads

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অবাধে বালি উত্তোলন চলছে। বালি উত্তোলকারীরা নদী সংরক্ষণ বাঁধ কেটে রাস্তা তৈরি করে সরাসরি ট্রাক ও ট্রলিতে করে নদী থেকে বালি উত্তোলন করে নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধের উপরে রাখছে। আর বালুমাটি নিয়ে সরাসরি উপজেলার সাহাব্দিপুর, কাদিপুর, বিজয়নগরসহ বিভিন্ন ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। গোদাগাড়ী পৌরসভার বারুইপাড়া, হাটপাড়া, সারাংপুর ও সুলতানগঞ্জ এলাকায় নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধের উপর দিয়ে ড্রেজারের মাধ্যমে বালি উত্তোলন করা হচ্ছে।
জেলার চারঘাটে পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টেও একই কায়দায় চলছে বালি উত্তোলন। অভিযোগ রয়েছে, অবৈধ বালি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে খবর দিলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। পুলিশের সঙ্গে তাদের গোপন আতাত রয়েছে।যোগাযোগ করা হলে রাজশাহী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ফলে ফরমালিন ও খাদ্যে ভেজাল ঠেকাতে সম্প্রতি জেলা প্রশাসন তৎপরতা বাড়িয়েছে। খুব শিগগরিই বালি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে। এর আগে অবৈধ বালি ঠেকাতে উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন ব্যাপক অভিযান চালিয়েছিলো বলে জানান তিনি।

error: কপি হবে না!