ads

শুক্রবার , ৪ জুলাই ২০১৪ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পলাশ উপজেলা সরকারি হাসপাতালের বেহাল অবস্থা : ডাক্তারের অভাবে রোগীরা ছুটছে প্রাইভেট ক্লিনিকে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ৪, ২০১৪ ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
পলাশ উপজেলা সরকারি হাসপাতালের বেহাল অবস্থা : ডাক্তারের অভাবে রোগীরা ছুটছে প্রাইভেট ক্লিনিকে

এম,লুত্ফর রহমান, নরসিংদী : পলাশ উপজেলা হাসপাতালে ডাক্তার না থাকায় স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা। শিল্পনগরী ঘোড়াশাল পলাশের বিপুল সংখ্যাক জনগোষ্ঠীর জন্য মাত্র ৯ জন চিকিৎসক থাকলেও কর্মস্থলে চিকিৎসকের অনুপস্থিতি ও প্রশাসনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারনে কার্যত ভেঙ্গে পড়েছে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থা। সরজমিনে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্স ঘুরে জানা যায়, ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের র্দুঅবস্থা দীর্ঘ দিনের। ডাক্তার স্বল্পতার কারনে দিন দিন রোগীর সংখ্যা কমছে। কর্তৃপক্ষ সরকারি চাপ থেকে রক্ষার জন্য রোগীদের সাথে আসা লোকদের রোগী দেখিয়ে হাসপাতালে রোগী বাড়িয়ে দেখানো হচ্ছে। অপর দিকে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নতুন ভবন তৈরি করে কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হলেও হাসপাতালটি এখনও চালু হয়নি। লোকবলের অভাবে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে কোন ডাক্তার ও নার্স না পাওয়া পর্যন্ত ৫০ শয্যা হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব নয়। হাসপাতালের প্যাথলজি ও এক্সরে বিভাগ চলছে খুড়িয়ে খুড়িয়ে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভিজিট টিম হাসপাতালে ৪ জন ডাক্তারকে কর্তব্য অবহেলার কারনে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি। এদিকে হাসপাতালের এম্বুলেন্স ও এক্সরে মেশিনটি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। হাসপাতালে আবাসিক ডাক্তার বর্হিবিভাগে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে দেখা যায়। হাসপাতালের ভিতরে নোংরা পরিবেশ থাকায় মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। রোগীদের দেওয়া খাবারের মান নিম্নমানের বলে রোগীরা অভিযোগ করেন। তাছাড়া রাতের বেলা নার্সরা দরজা বন্ধ করে ঘুমিয়ে থাকে বলে রোগীরা অভিযোগ করেন। হাসপাতালে ৯ জন ডাক্তারের পদ থাকলেও বর্তমানে ডাক্তার রয়েছে ৪ জন। আবার ৪ জন ডাক্তারের মধ্যে ২ জন পড়াশুনার জন্য ঢাকা চলে গেছেন। অপর ১ জন প্রশিক্ষণে রয়েছে। হাসপাতালে গাইনী ডাক্তার না থাকায় সিজার বন্ধ রয়েছে। ফলে রোগী প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়ে সিজার করাচ্ছেন। প্যাথলজি বিভাগে ল্যাব সহকারি পদ শূণ্য থাকায় কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অজ্ঞান ডাক্তার না থাকায় অপারেশন বন্ধ রয়েছে। হাসপাতালে ঔষধ সরবরাহ পূর্বের তুলনায় কম দেওয়া হচ্ছে বলে জানা যায়। হাসপাতালের টিএস ডাক্তার মঞ্জু ভোজ হাসপাতালে আসার পর থেকে হাসপাতালের অবস্থা খানিকটা উন্নত হলেও হাসপাতালের ডাক্তার ছাড়া অন্যান্য লোকজন এলাকার থাকায় চাকরি করছে নিজের ইচ্ছামত। হাসপাতালের নতুন টিএস ডাক্তার মঞ্জু ভোজ জানান, বর্তমানে হাসপাতালের অবস্থা পূর্বের তুলনায় অনেকটা ভালো। কিন্তু হাসপাতালে ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসা সেবা ব্যহত হচ্ছে। সরকার যদি হাসপাতালে অতি দ্রুত ডাক্তার পাঠায় তাহলে রোগীরা চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবে না। হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা চিন্তা রানী, বিদ্যা ও পাবর্তী জানায়, ডাক্তার তাদের রোগের বিবরণ শুনে ৪ ধরনের ঔষধ ¯ি¬পে লেখে দেয়। কিন্তু ঔষধ কাউন্টার থেকে শুধু গ্যাসটিকের ঔষধ ছাড়া অন্য কোন ঔষধ দেওয়া হয় না। হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার কারনে রোগীরা অন্যত্র চলে যাচ্ছে। উপজেলা প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোতে রোগীদের প্রচন্ড ভীর থাকলেও সরকারী হাসপাতালে রোগীদের সংখ্যা দিন দিন কমছে। হাসপাতালে কিছু অসাধু ব্যক্তি রোগীদের প্রাইভেট ক্লিনিকে নিতে উৎসাহিত করছে। জানা যায়, কমিশনের মাধ্যমে রোগীদের প্রাইভেট ক্লিনিকে পাঠানো হয়। হাসপাতালের ডাক্তার স্বল্পতা ও অব্যবস্থাপনার কারনে রোগীর সংখ্যা কমছে। অপর দিকে প্রাইভেট ক্লিনিক গুলোতে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। যার কারনে সরকারি হাসপাতালে গুরুত্ব দিনের পর দিন কমে যাচ্ছে।

Shamol Bangla Ads

মনোহরদী উপজেলায় স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র গুলোতে অনিয়মের কারণে স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে না সাধারন মানুষ

নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলায় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গুলোতে অনিয়মের কারণে সাদারণ মানুষ তাদের সেবা পাচ্ছেনা। গত দুই বছর আগে ৩১ শয্যা হতে ৫০ শয্যায় উন্নিত হয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। কার্ডিয়লজি, গাইনি, মেডিসিন, চক্ষু, অর্থোপেডিক্স, ডেন্টাল সার্জন নিয়ে ছয় জন কনসালটেন্ট সহ ২০ জন চিকিৎসক নিয়োগ প্রাপ্ত আছেন। কনসালটেন্টদের দু এক জন সপ্তাহে দু এক দিন ঢাকা থেকে কয়েক ঘন্টার জন্য কর্মক্ষেত্রে আসেন। আবার চলে যান। কয়েক লক্ষ টাকা ব্যায়ে ডেন্টাল ইউনিট বসানো হয়েছে এক সপ্তাহ আগে এরই মধ্যে ডেন্টাল সার্জন প্রেষনে চলে গেছেন ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালে। চক্ষু বিশেষজ্ঞ এখানে নিয়োগ থাকলেও কাজ করেন ঢাকা জাতিয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটে। এক মাস আগে নতুন ই.সি.জি মেশিন আনা হয়েছে হাসপালে অদক্ষ টেশানশিয়ান দিয়ে পরিচালনা করে ইতি মধ্যে এই মেশিনটি ও বিকল হয়ে গেছে। একযুগ আগে আনা এ্যাম্বুলেন্সটি নিজেই এখন রুগি। গুরুতর রুগিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় ভাড়াকরা গাড়ি দিয়ে। ১৯৬৪ সালে নির্মিত ৩১ শয্যার দালানটি ঝুকিপুর্ণ ঘোষনা করার কথা থাকলেও এরই মধ্যে মৃত্যু ঝুকি মাথায় নিয়ে রুগিদেরকে রাখা হচ্ছে ওই দালানে। অপরি¯া‹ার রন্ধন শালায় নিম্মমানের খাবার তৈরী করে পরিবেশন করা হচ্ছে রুগিদেরকে।

error: কপি হবে না!