ads

মঙ্গলবার , ১ জুলাই ২০১৪ | ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নকলায় মুখী কচু আবাদে কৃষকের মুখে হাসি

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ১, ২০১৪ ৬:২৭ অপরাহ্ণ

Mukhi Kochu Chasস্টাফ রিপোর্টার : মুখী কচু আবাদে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা যাচ্ছে শেরপুরের নকলা এলাকায়। উপজেলার চর অষ্টধর ও চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের বিস্তৃত চরাঞ্চলে অল্প খরচে মুখী কচুর আবাদ করে অধিক লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। দেশী জাতের মুখী কচুর আবাদে তেমন পরিশ্রম নেই, উত্পাদন খরচও তেমন লাগেনা। চরাঞ্চলের বেলে-দোঁআশ মাটিও কচু চাষের উপযোগী। তাছাড়া কচু পুষ্টিরও যোগান দেয়। কৃষকরা কচু চাষে আগ্রহী হওয়ায় দিন দিনই বাড়ছে মুখী কচুর আবাদী জমির পরিমাণ। নকলার চরাঞ্চলের যেদিকে তাকানো যায়, সেদিকেই এখন চোখে পড়ে মুখী কচুর আবাদ।

Shamol Bangla Ads

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মুখী কচু চাষ খুবই লাভজনক। বপনের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই কচুর ফলন ঘরে তোলা যায়। কাঠা প্রতি (৫ শতাংশ) কচুর ফলন হয় ১২/১৩ মণ। এক কাঠা জমিতে কচু আবাদ করতে খরচ হয় মাত্র এক/দেড় হাজার টাকা। আর প্রতিমণ কচু বিক্রী হয় ৭/৮ হাজার টাকা। কচু চাষে কেবল লাভ আর লাভ। কৃষকরা বলেন, কচু বিক্রী করতেও তেমন কষ্ট হয়না। বাজারে নেওয়ার সাথে সাথে পাইকাররা কচু কিনে নিয়ে যায়। এ কচু চাষ করায় চরের জমিতেও এখন তারা তিনটি ফসলের আবাদ করতে পারছেন। কৃষি কর্মকর্তারা জানান, বর্ষাকালের সব্জী হিসেবে মুখী কচু খুবই জনপ্রিয়। কচুতে পুষ্টির মাত্রাও অনেক। যে কারণে বাজারে এর চাহিদাও প্রচুর। এ সময় বাজারে অন্যজাতের তেমন সব্জী থাকেনা বলে মুখী কচু বিক্রী করতে তেমন বেগ পেতে হয়না। চরঅষ্টধর ইউনিয়নের দক্ষিণ নারায়নখোলা গ্রামের কৃষক রেজাউল করিম জানান, মুখী কচুর চাষ প্রচুর লাভজনক। আমাদের এই চরাঞ্চলে যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই মুখী কচুর আবাদ দেখতে পাবেন। মোস্তফা মিয়া নামে আরেক কৃষক বলেন, ৫-৬ বছর ধইরা আমাদের এলাকায় এই কচুর আবাদ শুরু হয়েছে। মুখী কচু আবাদে খরচ কম, তেমন পরিশ্রমও নাই, লাভও বেশী। এ কারণে আমাদের এলাকায় মুখী কচুর আবাদ দিন দিন বাড়ছে। উত্তর নারায়নখোলা গ্রামের কৃষক হাদী মিয়া বলেন, গত বছর আমি ৪ কাঠা জমিতে কচুর আবাদ করছিলাম। ৪ কাঠায় ১শ মণ ফলন পাইছিলাম। বাজারও তখন ভালো পাইছিলাম। ৫/৭ শ’ টাকা মণ দরে কচু বেঁচছি। খুব লাভ হয়েছে। ইবার আমি ১০ কাঠা জমিতে কচুর আবাদ করেছি।
নকলা উপজেলা কৃষি কর্মকতা আশরাফ উদ্দিন জানান, উপজেলায় ৩শ হেক্টর জমিতে কচুর আবাদ হলেও কেবল চর অষ্টধর ও চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের চরাঞ্চলেই কচুর আবাদ হচ্ছে ২শ হেক্টর জমিতে। তিনি বলেন, অল্প খরচে অধিক লাভজনক হওয়ায় চরাঞ্চলে মুখী কচুর আবাদ কৃষকদের মধ্যে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কচুর আবাদ করে কৃষকরা বেশ লাভবান হচ্ছে। চর অষ্টধর ইউনিয়নের চর বসন্তি, নারায়নখোলা, চর বাবনা, শিকদার পাড়াÑ এসব চরে বর্ষাকালীন সব্জী হিসেবে মুখী কচুর ব্যাপক আবাদ হচ্ছে। ওইসব এলাকার কৃষকদের দেখাদেখি আশপাশের এলাকাতেও কচু চাষের প্রতি কৃষকরা আগ্রহী হচ্ছে।

error: কপি হবে না!