ads

সোমবার , ৩০ জুন ২০১৪ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্লাস্টিক সামগ্রীর বাজার দখল : মেহেরপুরের দাস সম্প্রদায়ের রোজগারে ভাটা পড়েছে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুন ৩০, ২০১৪ ১:৫৬ অপরাহ্ণ

Pic-3মেহের আমজাদ, মেহেরপুর : আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্লাস্টিক সামগ্রী বাজার দখল করায় বাঁশের তৈরি সামগ্রীর কদর কমেছে। ফলে এক সময়ের চাহিদা সম্পন্ন বাঁশের সামগ্রী তৈরির কারিগর দাস সম্প্রদায়ের জীবনে ভাটা পড়েছে। বাপ-দাদার পেশা ধরে রেখে মানবেতর জীবনযাপন করছে মেহেরপুরের দাস সম্প্রদায়ের মানুষেরা। অভাবের তাড়নায় স্কুলেও পাঠাতে পারছে না সন্তানদের।

Shamol Bangla Ads

মেহেরপুর শহরের উপকণ্ঠে বামনপাড়ায় বসবাস করছে ৫০ ঘর দাস সম্প্রদায়ের মানুষ। এখনও তারা ধরে রেখেছে বাপ-দাদার পেশা। ৫০টি পরিবারের অন্ততঃ ৩০০ জন মানুষ বাঁশ শিল্পের সাথে জড়িত রয়েছে। নিপুন হাতের ছোঁয়ায় বাঁশ দিয়ে তৈরি হয় গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত নানা সামগ্রী। এ ছাড়াও পান ও আম বাজরজাতসহ নানা ধরণের ঝুড়িও তৈরি করে তারা। পূর্বে ঝুড়ি প্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে তিন থেকে চার হাজার ঝুড়ি বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এখন তা কমে এসছে দুই থেকে তিন’শ ঝুড়িতে। একসময় ঝুড়ি ও গৃহস্থালী সামগ্রীর কদর ছিল মানুষের কাছে। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায়
প্ল¬াস্টিক স্থান দখল করায় এবং ভারত থেকে আমদানি করা প্ল¬াস্টিক ক্যারেটের ভিড়ে সে কদরে ভাটা পড়েছে। ফলে আয় রোজগারও কমেছে।
অরুন দাশ জানান, সারা বছরে দুই থেকে তিন মাস কাজ করে বেচাকেনা ভালো হতো। এই দিয়ে সঞ্চয় হতো সারা বছরের। ক্যারেটের কারনে ঝুড়ির দামও কমে এসছে। প্রতিটি ঝুড়ি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। ঝুড়ি বিক্রি করে সংসার চলছে না।
সীমান্ত দাশ জানান, আর্থিক সংকটের কারণে বাঁেশর কাজ করে লেখাপড়ার খরচ চালানো সম্ভব হয় না। বন্ধ হয়ে গেছে অনেকের লেখাপড়া। কেউ কেউ কষ্টের মধ্যে পড়ালেখা করে উচ্চ শিক্ষা লাভ করেও চাকরি জুটছে না।
এক গৃহবধু জানান, সংসারে অনটন থাকায় পুরুষের পাশাপাশি মেয়েরাও বাঁশ শিল্পের কাজে সহায়তা করছে। বাঁশের দাম বেশি ঝুড়ির দাম কম এবং মুজুরিও ঠিকমত না পাওয়ায় চরম হতাশায় দিন গুনছে তারা।
মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজনীন সুলতানা জানান, এক সময় তারা এই শিল্প থেকে জীবিকা নির্বাহ করত। কিন্তু বর্তমানে এই শিল্পের চাহিদা কমে যাওয়ায় দাস সম্প্রদায়ের লোকজন হতাশায় ভুগছে। সরকারি সহায়তা আসলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেন এই কর্মকর্তা।

error: কপি হবে না!