ads

রবিবার , ২৯ জুন ২০১৪ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বাসাইল উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুন ২৯, ২০১৪ ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
বাসাইল উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

বাসাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : বাসাইল উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে বাসাইল টাঙ্গাইল-০৮(বাসাইল-সখীপুর) আসনের বিগত উপনির্বাচন, বাসাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও পৌরসভা নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে আনসার-ভিডিপি সংযুক্তিতে সদ্যস্যদের নিকট থেকে চাঁঁদাবাজি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অশ্বালীন আচরণসহ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বাসাইলে কিছু আনসার-ভিডিপি সদস্যরা বিভিন্ন উর্ধ্বতন অফিসে লিখিতভাবে এ অভিযোগ করেছেন।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, টাঙ্গাইল-৮ আসনে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত উপনিার্বাচনে বাসাইলের ৪৯ ভোট কেন্দ্রের প্রতিটিতে ১জন পিসি ও এপিসিসহ উপজেলায় মোট ৬শ ৮৬জন আনসার ও ভিডিপি সংযুক্তি দেয়া হয়। অনুরূপভাবে উপজেলা নির্বাচনেও মোট ৫শ ৮৮জনকে সংযুক্তি দেয়া হয়। এ ছাড়া গত বছর বাসাইল পৌরসভা নির্বাচনেও আনসার-ভিডিপি সংযুক্তি দেয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে এসব আনসার-ভিডিপি সংযুক্তির সময় উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা শফিকুর রহমান রহমান প্রত্যেক সদস্যের নিকট থেকে ৩শ থেকে-৫শ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নিয়েছেন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও আনসার-ভিডিপি সদস্যের নিকট থেকে অনুরূপ টাকা ঘুষ গ্রহণে অভিযুক্ত এ কর্মকতা । এ ব্যাপারে বাসাইল সদরের আনসার-ভিডিপি সদস্য মাইন উদ্দিন, গোলাম মিয়া, ময়থা গাছ পাড়ার রাহিমা,বাঘিলের ফিরুজা বেগম, পাটখাগড়ির শাহজাহান, সোনালিয়ার মোতালেব হোসেন , ময়থার বেলায়েত হোসেনসহ অনেকেই বলেন, প্রতিটি আনসার সদস্য নিয়োগের তাদের নিকট থেকে জনপ্রতি ৩শ থেকে ৪শ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নিয়েছেন শফিকুর রহমান। এ কাজে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সদস্যদের নিয়োগ দেয়ার কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ বিহীন লোকদেরকে টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আবার অনেক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আনসার-ভিডিপি সদস্য চাহিদা মত টাকা দিয়েও নির্বাচন কেন্দ্রে যাওয়ার পূর্ব মুহুর্ত্তে ডিউটি থেকে বাদ পড়েছেন। ভিডিপির সাবেক দলনেত্রী জরিনা, মরিয়ম ও হালিমা বেগম বলেন, ৩শ টাকা করে দেয়া সত্বেও কেন্দ্রে যাওয়ার সময় আমাদেরকে গাড়ি থেকে নামিয়ে অন্যদেরকে নিয়ে যাওয়া হয়। ভিডিপি সদস্য আবিদা আক্তার বলেন, আমার নিকট থেকে ৮শ টা নেয়া হলেও আমি ডিউটি পাইনি। অনিয়মের শিকার আনসার-ভিডিপি সদস্যদের দাবি, যে অভিযুক্ত শফিকুর রহমানের অনিয়মের প্রতিবাদ করেছে তিনি তাকেই নানা প্রকার সমস্যায় ফেলেছেন। কাশিল ইউনিয়ন লিডার ইউসুফ আলী ও কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন লিডার গনেশ চন্দ্র বলেন, অনিয়মের প্রতিবাদ করায় শফিকুর রহমান তাদের মাসিক সম্মানি বন্ধ করে দিয়েছে। আনসার-ভিডিপি সদস্যরা জানান, কমপক্ষে ২১ দিনের প্রশিক্ষণ ছাড়া কারো হাতে রাইফেল দেয়ার বিধান না থাকলেও এ অফিসার টাকার বিনিময়ে আনসার নয় এমন ব্যক্তিদের হাতে রাইফেল দিয়ে ডিউটি করিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মহিলা সদস্য অভিযুক্ত এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অশালীন ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগ করেন। সদস্যদের কেউ কেউ তার বিরুদ্ধে আনসাদের ডিউটি থেকে সম্মানীর অংশকেটে নেয়ার অভিযোগ করেছেন । এ ব্যাপারে আনসার সদস্য মাইন উদ্দিন বলেন, গেল সংসদ নির্বাচনকালিন সারা দেশে সহিংসতার সময় উপজেলা নির্বাচন অফিস পাহারা দেয়া বাবদ আমার প্রাপ্য সম্মানী ১০হাজার ৬ শ ৬০ টাকা থেকে ৬শ ৬০ টাকা করে কেটে নেয়া হয়েছে। এসব অভিযোগ সম্পর্কে অভিযুক্ত শফিকুর রহমান বলেন, আমি কারো নিকট থেকে কোন চাঁদা কিংবা টাকা নেইনি। বরং আমি এখানে যোগদানের পুর্ব থেকেই অভিযোগকারি সনদবিহিন আনসার গোলাম মিয়াসহ কতিপয় ব্যক্তি বিভিন্ন সময় উপজেলা কর্মকর্তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে সাধারণ আনসারদের নিকট থেকে উল্লেখিত অনিয়ম করে চাঁদাবাজি করে আসছিল, আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করছি বিধায় তারা আমার বিরুদ্ধে যঢ়যন্ত্র করছে। বাসাইল উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ সম্পর্কে জেলা আনসার-ভিডিপি কমান্ডেন্ট (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফিরোজ আহদে বলেন,তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ এসেছে, এ ব্যাপারে তদন্ত হচ্ছে, খুব দ্রতই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

error: কপি হবে না!