ads

মঙ্গলবার , ২৪ জুন ২০১৪ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বর্ষার শুরুতে বাড়ে ছাতার কদর

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুন ২৪, ২০১৪ ৮:০৯ অপরাহ্ণ

rainমুহসীন মাতুব্বর : কেউ বুঝুক আর নাই বা বুঝুক, জিনিসটি আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বর্ষা বা খরা সকল সময়েই এটা মানুষের জীবনের সাথে অঙ্গাঅঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে। তবে খরায় না হলেও বর্ষাতে এর কদর অনেক বেশী। মনের ভুলে বিষয়টি নিয়ে চিন্তা না করলেও অনেক সময় বাধ্য হয়ে এটির স্মরনাপন্ন হতে হয় আমাদের।
সেই অত্যাবশ্যকীয় জিনিসটি হচ্ছে ছাতা। অন্যান্য সময়ের চেয়ে গ্রীষ্মকালে এর কদর বেড়ে যায় অনেক বেশি। চৈত্র ও বৈশাখের খরা রোদ্রের তীব্র তাবদাহ থেকে বাঁচার হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহার করা হয় ছাতার। বর্ষা শুরুর সাথে সাথেই পুরাতন গুলোকে মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে ছাতা সারার দোকানে এখন ভীড় লক্ষনীয়। এ বিষয়ে রোববার দুপুরে আমতলী নুতন বাজারে অবস্থিত ছাতা মেরামতকারী আঃ মান্নান জানান, বর্ষা শুরু হবার সাথে সাথে ক্রুটিপূর্ন ছাতা সারার কাজ বেড়ে গেছে। বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে এ সময়টাতেই আমাদের ব্যবসার মৌসুম। ছাতা আমাদের নিত্য দিনের সঙ্গী হিসেবেই শুধু ব্যবহার হয় তাও না। এটা আবহমানকাল থেকে বাঙ্গালীর সাথে মিশে আছে। এছাড়াও ঐতিহ্যের প্রতিক হিসেবেও এটি ব্যবহার হয়। আমাদের দেশে ইংরেজদের সময় থেকে এই ছাতার ব্যবহারের প্রচলন হয়ে আসছে। পরে জমিদারদের সময় থেকে এটির ব্যাপকভাবে ব্যবহার শুরু হয়। তবে জমিদার বা গ্রামের মোড়ল ছাড়া এই ছাতা ব্যবহার করতে পারতেন না। ছাতাকেই তাদের সম্মানের প্রতিক হিসেবে ধরা হতো। বর্তমান যুগে গ্রামের গ্রামের মোড়ল বা বৃদ্ধরাই শুধু ছাতা ব্যবহার করেন না। শিশু থেকে শুরু করে সকল স্তরের মানুষই ছাতার দিকে ঝুকে পড়েছেন। আগের দিনের অনেক ব্যবহার্য জিনিষ বর্তমানে অকেজ হয়ে পড়লেও পুরোনো ঐতিহ্য ছাতা আমাদের মাঝে আজো নতুন নতুন রুপে টিকে আছে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে পূর্বের ডিজাইনের সাথে যোগ হয়েছে বিভিন্ন মাত্রার নতুন ছাতা। ফলে দামেরও রয়েছে তরতাম্য। রোববার আমতলীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে- পূর্বে থেকে প্রচলিত ছাতা সোয়াশ’ থেকে সর্বচ্চো দুইশ’ টাকা দাম হলেও সহজে বহনযোগ্য টু ফোল্ডিং ছাতা দেড়শ’ থেকে সাড়ে ৩শ’ টাকা, থ্রি ফোল্ডিং আড়াইশ’ থেকে চারশ’ ও ফোর ফোল্ডিং চারশ’ থেকে সাড়ে চারশ’ টাকা। শিশুদের বাশি ছাতার দাম সোয়াশ’ থেকে দেড়শ’ টাকা পর্যন্ত। এদিকে ছাতার পাশাপাশি কদর বেড়েছে রেইন কোর্টেরও। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকরা ব্যবহার করছে এটি। আর এটা বছরের দুই সময়ে চাহিদা বাড়ে। তবে শীতকালের চেয়ে বর্ষা মৌসুমেই সাধারণত ব্যাপকহারে এটি বিক্রি হয়।

error: কপি হবে না!