ads

বুধবার , ১১ জুন ২০১৪ | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আমতলীতে স্কুল মাদ্রাসার কয়েক শ কম্পিউটার অব্যবহৃত অকেজো

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুন ১১, ২০১৪ ৭:২২ অপরাহ্ণ
আমতলীতে স্কুল মাদ্রাসার কয়েক শ কম্পিউটার  অব্যবহৃত অকেজো

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি :  বরগুনার আমতলী ও তালতলীতে  প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাবে ব্যবহূত না হওয়ায় বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলার বিভিন্ন শিাক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগ কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে উপজেলায় কম্পিউটার শিক্ষার প্রসার ঘটছে না।
পরিপূর্ণ কম্পিউটার ল্যাব থাকা সত্তে¡ও ওই বিভাগে প্রশিক্ষিত শিক্ষক না থাকায় বর্তমানে উপজেলার এ কে পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মো. শাহ আলম নামের একজন প্রদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, অধিকাংশ বিদ্যালয়ে সপ্তম ও অষ্টম পিরিয়ডে কম্পিউটার শিক্ষা ক্লাস থাকায় ওই সময়ে ক্লাসে শিার্থীদের পাওয়া যায় না। আমতলী বন্দর হোসানিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় প্রায় দুই বছর আগে সরকারিভাবে চারটি কম্পিউটার দেওয়া হয়। ওই বিভাগে শিক্ষক না থাকায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কম্পিউটারগুলোর প্যাকেটই খোলেনি বলে মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষক জানান। শিক্ষক নেই এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও। কম্পিউটার শিক্ষার জন্য দেওয়া ওই সব প্রতিষ্ঠানের মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরসহ আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতিও অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে আছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মস্তফা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কম্পিউটার শিক্ষা ও এর ব্যবহার আসলেই হতাশাজনক। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের আয়োাজনে স¤প্রতি ১৫টি শিাপ্রতিষ্ঠানের শিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়াা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিখনের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজেও কম্পিউটারের ব্যবহার নেই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব কাজ, যেমন শিার্থী নিবন্ধন, শিক তথ্য, শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক তথ্য, ব্যবস্থাপনা কমিটি, কর্মকর্তা-কর্মচারীর তথ্য তৈরি ও ইন্টারনেটে (অনলাইন) আদান-প্রদানের ক্ষেত্রেও তাঁরা বাইরের বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নেন। অনলাইনভিত্তিক এসব কাজে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ভিন্ন ভিন্ন গোপন পাসওয়ার্ড রয়েছে। কিন্তুু বাইরে কাজ করার কারণে সেই পাসওয়াার্ডগুলো ও প্রতিষ্ঠানের গোপনীয়তা কোনোটিই থাকছে না।
আমতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় মোট ৯৬টি কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা আছে। এর মধ্যে ৩৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গত তিন বছরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দুই শতাধিক ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ কম্পিউটার দেওয়া হয়েছে। এর আগে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩৫০-র মতো ছোট ল্যাপটপ (১০ ইঞ্চি মনিটরের নেটবুক) দেওয়া হয়ে ছিল। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলসহ বিভিন্ন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান থেকেও বেসরকারিভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অনুদান হিসেবে বিভিন্ন সময়ে শতাধিক কম্পিউটার দেওয়া হয়।
আমতলী উপজেলার এ কে পাইলট হাইস্কুল, এম ইউ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সোনাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পচাকোড়ালিয়া নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়, তালতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আমতলী ডিগ্রি কলেজ ও বকুল নেছা মহিলা কলেজে সরকারি সহায়তায় কম্পিউটার ল্যাব স্থ’াপন করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আমতলী এ কে হাইস্কুলের ২৭টি ল্যাপটপ ও পাঁচটি ডেস্কটপ কম্পিউটারের মধ্যে ২৮টি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। একইভাবে এম ইউ বালিকা বিদ্যালয়ের মোট ২৭টি কম্পিউটারের মধ্যে দু-একটি ছাড়া বাকিগুলো অব্যবহূত এবং অকেজো হয়ে আছে। এম ইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০টি কম্পিউটারের একটি চালু রয়েছে। উপজেলা শহরের বাইরে গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর চিত্র আরও খারাপ। একাধিক শিক্ষক জানান, কম্পিউটারগুলো অব্যবহত অবস্থায় পড়ে থাকতে থাকতে সেগুলো এখন অকেজো হয়ে পড়েছে।

error: কপি হবে না!