ads

বৃহস্পতিবার , ৫ জুন ২০১৪ | ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

একই জমিতে তিন ফসল : আদমদীঘিতে ইরি আবাদের পর এবার কৃষকরা ঝুঁকে পড়েছে আউশ ধান চাষের দিকে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুন ৫, ২০১৪ ২:৩৩ অপরাহ্ণ

adamdighi-03-06-14হাফিজার রহমান আদমদীঘি (বগুড়া) : সরকারী সহায়তা পেয়ে রোপা আমন ও ইরি ধান আবাদে বাম্পার ফলন ও বাজারে ধানের দাম বেশী পাবার পর চলতি বর্ষা মৌসুমে কাংখিত সময়ে বৃষ্টিপাত হওয়ায় খাদ্য শষ্যের ভান্ডার বলে খ্যাত পশ্চিম বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার কৃষকরা এবার আউশ ধান চাষে ঝুঁকে পড়েছে। একই জমিতে তিন ফসল হওয়ায় কৃষকরা কম খরচে আউশ ধানের আবাদেও বাম্পার ফলনের আশায় লাভ জনক এই ধান চাষে বেশী আগ্রহী বলে স্থানীয় কৃষকরা জানান।
অত্র উপজেলায় একটি পৌর সভা ও ৬টি ইউনিয়ন মিলে মোট ১২ হাজার ৭ শত হেক্টর আবাদী জমি রয়েছে। এ সব জমির মধ্যে প্রায় জমিতে তিনটি ফসল হয়ে থাকে। এ ছাড়া প্রায় এলাকায় পিয়াজ রসুন মরিচের পাশাপাশি বিপুল পরিমান সাক-সবজির চাষ করেন কৃষকরা। রোপা আমন মৌসুমে ১২ হাজার ৭ শত হেক্টর জমিতে ও ইরি মৌসুমে ১২ হাজার ৬ শত হেক্টর জমিতে ইরি ধান চাষ করা হয়। আবহাওয়া অনুকুলে ও কৃষি অফিসের পরামর্শে কৃষকরা ধান চাষ করায় জমিতে রোগবালাই কম থাকায় বিগত ৩ বছর ধরে অত্র উপজেলায় রোপা আমন ও ইরি ধানের বাম্পার ফলন হয়। এ বছর ধানের বাম্পার ফলন ও বাজারে ধানের দাম পাওয়ায় কৃষকরা চলতি মৌসুমে আউশ ধান চাষে ঝুঁকে পড়েছে।
এবার সরকারী ভাবে উপজেলায় ৮ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে আউশ ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারন করা হলেও স্থানীয় কৃষকদের তথ্যানুসারে প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমিতে আউশ ধান চাষ করা হচ্ছে। উপযুক্ত সময়ে বৃষ্ঠিপাত হওয়ায় ইতি মধ্যে ধান বীজ বোপন সহ জমি তৈরী ও লাঙ্গল চাষে ব্যস্ত হয়েছেন কৃষককুল।
সরকার আউশ আবাদের জন্য বিনা মূল্যে প্রনোদনা প্যাকেজ হিসাবে কৃষকদের মাঝে ধান বীজ. সার ও সেচ সুবিধা সহায়তায় ভুতর্কি হিসাবে উপশি আউশ ধান চাষের লক্ষ্যে ২৪৫ কৃষককে জনপ্রতি সেচ সহায়তায় ব্যাংকের মাধ্যমে নগদ ৩শ টাকা, ৫ কেজি ধান বীজ. ২০ কেজি ইউরিয়া, ১০ কেজি করে ডিএপিও এমওপি সার প্রদান করেন। এ ছাড়া নেরিকা ধান চাষের জন্য ৫ জন কৃষককে জনপ্রতি সেচ ও আগাছা পরিস্কার বাবদ ব্যাংকের মাধ্যমে ৬শ টাকা, ১০ কেজি ধান বীজ, ২০ কেজি ইউরিয়া এবং ২০ কেজি ডিএপি ও এমওপি সার স্থানীয় কৃষি অফিস প্রদান করেন।
আউশ ধান চাষী কৃষক জানান যে হেতু বর্ষা মেীসুমে আউশ ধান চাষের সময় পানি সেচের দাম দিতে হয়না সার সহ অন্যান্য কৃষি উপকরনও কম লাগে তাই এই আবাদটি অধিক লাভ জনক হওয়াই জমিতে আউশ ধান লাগানো হচ্ছে। এই আউশ ধানের আবাদ তুলে আবার ওই জমিতে সহজে রোপা আমন ধানের চাষ করা যাবে। এতে আমন আবাদের কোন প্রকার ক্ষতি হবেনা। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শাহাদুজ্জামান জানান গত ১ জুন হতে ৩০ জুন পর্যন্ত আউশ ধান লাগানোর কাজ চলবে। এখন কৃষকরা মাঠে জমি তৈরী ও লাঙ্গল চাষ করে চলেছেন। অনেকে ধান লাগাতে শুরু করেছে। আউশ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রামে গ্রামে কৃষকদের নিয়ে দলীয় আলোচনার মাধ্যমে উবুদ্ধ করা হচ্ছে।

error: কপি হবে না!