ads

বুধবার , ৪ জুন ২০১৪ | ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বেনাপোল বন্দরে বন্ড সুবিধা নিয়ে পণ্য আমদানি করে কোটি কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুন ৪, ২০১৪ ৭:৪৭ অপরাহ্ণ

banapol-mapইয়ানুর রহমান, যশোর : স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে এক শ্রেনীর দূর্নীতিবাজ আমদানি কারক ব্যবসায়ীরা বন্ড সুবিধার নামে পণ্য আমদানি করে সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছেন। আর এই বন্ড দূর্নীতিতে কাস্টমস ও বন্ড কমিশন কর্মকর্তাদের সহযোগীতার হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

Shamol Bangla Ads

বন্ড সুবিধা নিয়ে ডুবলেক্স বোড (পেপার) আমদানির পর অনিয়মের অভিযোগে বেনাপোল কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা অফিস এমনি ২টি বৃহৎ ডুবলিক্স বোডের পণ্য চালান প্রাথমিক ভাবে আটক করেছেন। গত ২ দিন ধরে চলছে পরীক্ষা নিরিক্ষা। পণ্যটির আমদানি কারক হচ্ছেন এস,কে ইন্ডাষ্ট্রিজ। পণ্যটি ছাড় করানোর দায়িত্বে রয়েছে বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ড প্রভাতি ইন্টারন্যাশনাল। গত ১৯ মে ২ হাজার ৯শ’ ৬৯ প্যাকেজ ডুবলিক্স বোড(পেপার) ভারত থেকে আমদানির পর তা বেনাপোল বন্দরের ০১নং পণ্যগারে রয়েছে।
কাস্টমস সুত্রে জানা যায়, বেশি পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের জন্য সরকার শিল্প কারখানার মালিকদের বন্ডের মাধ্যমে (শুল্ক মুক্ত) সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দিয়ে থাকে। তবে এতে শর্ত থাকে পণ্য আমদানির এবং তা বন্দর থেকে খালাস করে আমদানি কারকরা নিজেদের গোডাউনে রাখবেন। পরে বন্ড কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে গোডাউন থেকে পণ্য নিয়ে কারখানায় উৎপাদন কাজে ব্যবহার করবেন। পরবর্তীতে উৎপাদিত পণ্য শুধুমাত্র দেশের বাইরে রপ্তানির কাজে ব্যবহার করবেন। কোন ভাবেই এই পণ্য দেশের খোলা বাজারে বিক্রী করা সম্পূর্ণ নিষেধ রয়েছে। কিন্তু কিছু ব্যবসায়ী এই শর্ত ভঙ্গ করে ডুবলেক্স বোড আমদানির পর বন্ড কমিশনের সাথে হাত মিলিয়ে খোলা বাজারে তা বিক্রী করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
বন্দর ব্যবহারকারীরা জানান, বন্ড দূর্নীতিতে বড় হাত রয়েছে বন্ড কমিশন কর্তৃপক্ষের। একজন আমদানি কারকের কি পরিমান ডুবলেক্স বোড ব্যবহারের চাহিদা রয়েছে তা খোঁজ খবর নিয়ে তাকে সে পরিমান বন্ড সুবিধায় আমদানির সুযোগ দেওয়া। কিন্তু অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে বন্ড কমিশন চাহিদার চেয়ে বেশি পরিমানে আমদানির অনুমতি দিচ্ছেন ব্যবসায়ীদের। ফলে অনায়াসে বন্ড জালিয়াতের মাধ্যমে আমদানি কারকরা হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
বেনাপোল কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা ওমর ফারুক জানান, সুনিদিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এস,কে ইন্ডাষ্ট্রিজের পণ্য সাময়িক আটক করে পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে।

উল্লেখ্য, ১শ’২০ থেকে ৩শ’ জি এস এম ঘনত্বের ডুবলেক্স বোড আমদানির ক্ষেত্রে সরকারকে শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। আর ৩শ’ জিএসএম থেকে শুরু করে উপরের ঘনত্বের কাগজ গুলি আমদানির ক্ষেত্রেই কেবল মাত্র আমদানি কারকরা বন্ড সুবিধা পাবেন। তবে যাদের বন্ড লাইসেন্স আছে কেবল তারাই বন্ড সুবিধায় ডুবলিক্স বোড আমদানির সুযোগ পাবেন।

error: কপি হবে না!