ads

মঙ্গলবার , ৩ জুন ২০১৪ | ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি যেন প্রাইভেট ক্লিনিক ভিজিট ছাড়া চিকিৎসা হয়না

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুন ৩, ২০১৪ ৬:৪৫ অপরাহ্ণ

Ramgonj Govt Haspatal pic 2রামগঞ্জ(লক্ষীপুর)প্রতিনিধি : রামগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৫ লক্ষ মানুষের জন্য ৩১ শয্যা বিশিষ্ট ১টি সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে। চিকিৎসা সংকট, দালালদের প্রতারণা, ভিজিট আদায় এবং নিয়মিত ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসা নিতে আসা দরিদ্র রোগীদেরকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। সরকারি বিধি লঙ্গন করে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে প্রাইভেট ক্লিনিকের ন্যায় পরিচালনা করছেন হাসপাতালের প্রধান কর্মকর্তা ডাক্তার মোজাম্মেল হক ও মেডিকেল অফিসার ডাঃ নাজমুল হক। এ যেন দেখার কেউ নেই।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে চিকিৎসার নিতে আসা রোগীদেরকে ঘন্টার পর ঘন্টা ডাক্তারদের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। হাসপাতালে রোগী বেশী হলে মোবাইলে ফোন করলে ডাক্তার চেম্বারে আসেন এবং সরকারি বিধান অমান্য করে রোগীদের কাছ থেকে ১শ/২শ টাকা পর্যন্ত ভিজিট আদায় করে প্রাইভেট ক্লিনিকের প্যাডে ব্যবস্থাপত্র দেন। রোগীরা চেম্বার থেকে বের হলে দালালরা প্যাডের ঐ ঠিকানায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য যেতে বলেন। গরীব রোগীরা টাকা দিতে না পারলে চিকিৎসাসেবা পান না বলে অভিযোগ রয়েছে। সরকারি ঔষদের সরবরাহ থাকলেও হাসপাতাল থেকে রোগীদের তেমন কোন ঔষধ সরবরাহ করা হয় না। রোগীদের অত্যন্ত নি্ম্ম মানের খাবার সরবরাহ করা হয়।
এছাড়া হাসপাতালের এম্বোলেন্স ২ বছর ধরে নষ্ট থাকলেও টেকনিশিয়াল এবং ড্রাইবার ডিউটি না করেই বেতন নিচ্ছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের পড়তে হয় মহা বিপাকে। ৩১ বেডের মধ্যে ১১টি ৩ বছর ধরে নষ্ট, রুমের ১২ টি ফ্যানের মধ্যে ৪ বছর ধরে ৬টি নষ্ট, এক্সরে মেশিন ৪ বছর ধরে নষ্ট, হাসপাতালটিতে ময়লা আর্বজনায় ভরা, প্রতিটি টয়লেট ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
সমেশপুর গ্রামের নাছিমা রহমত জানান, গাইনী সমস্যায় ডাঃ নাজমুল হকের কাছে গেলে তিনি ১শত টাকা না দিলে চিকিৎসা দিতে অপারগতা জানালে, টাকা দিয়ে চিকিৎসা নেন। তাছাড়া পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য বায়োপ্যাথ প্রাইভেট হাসপাতালে যেতে বলেন। কিন্তু টাকার অভাবে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারেননি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশে পাশে ২১টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে। যার অধিকাংশ গুলোতে নিজস্ব ডাক্তার না থাকায় সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার দিয়েই সেগুলো পরিচালনা করা হয়। এ ছাড়া প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক গুলোর সাইনবোর্ডে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারদের নামই লেখা আছে। (চলবে)

error: কপি হবে না!