ads

বৃহস্পতিবার , ২৯ মে ২০১৪ | ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মাছচাষ করে নতুন স্বপ্ন দেখছে সবুজ আলম

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ২৯, ২০১৪ ৩:১৯ অপরাহ্ণ

??????????আমতলী(বরগুনা) প্রতিনিধি : বরগুনার আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের চন্দ্রা গ্রামের এক উদ্যমী যুবক সবুজ আলম। ডানিডার আরএফএলডিসি প্রকল্পের আওতায় বাড়ীর পার্শ্ববর্তী জলমহলে সমাজভিত্তিক মাছ চাষ কার্যক্রমে চাষীদলের ক্যাশিয়ারের দায়িত্ব পালন করছে সে। বর্তমানে আরএফএলডিসি প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকলেও সমিতির আওতায় সবুজ আলমের নেতৃত্বে চন্দ্রা জলমহলে মাছ চাষ কার্যক্রম চালু আছে বেশ সুনামের সাথেই। ইউএসএআইডি এর আর্থিক সহায়তা প্রাপ্ত ওয়ালর্ডফিশের একুয়াকালচার ফর ইনকাম এন্ড নিউট্রিশন (এআইএন) প্রকল্প থেকে ৩০ টি খাঁচা নিয়ে চলতি বছরের মার্চ মাসে জলমহলে শুরু হয় খাঁচায় মাছ চাষ কার্যক্রম। জলমহলের সভাপতি অধিকাংশ সময় ঢাকাতে থাকেন বিধায় সবুজ আলমকেই মাছ চাষ ও বিক্রির কাজে নেতৃত্ব দিতে হয়। এআইএন প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা কোডেকের মাধ্যমে ৩০ টি খাঁচা পেয়ে সেগুলো জলমহলে বিশেষ কায়দায় স্থাপন করা হয়। যশোর থেকে মনোসেক্স তেলাপিয়ার ধানী পোনা সংগ্রহ করে নার্সারীতে প্রতিপালন করে জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে খাঁচায় মজুদ করা হয়। জলমহলে খাঁচা স্থাপন ও নার্সারীতে পোনা পালন করে পোনার উৎপাদন খরচ কমানোর মাধ্যমে খাঁচায় মাছ চাষ কাজে সবুজ আলম তথা চন্দ্রা জলমহল সমিতি কে বাস্তবায়ন সহায়তা দেয় কোডেক আর কারিগরি সহায়তা দেয় ওয়ার্ল্ডফিশ। সবুজ আলম ওয়ার্ল্ডফিশের কারিগরি বিশেষজ্ঞ জনাব শফি উল্লাহ্ এর সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ করে পরামর্শ গ্রহণ করে খাঁচায় নিয়মিত খাদ্য প্রদান, নমুনায়ন ও পরিচর্যার মাধ্যমে মাছ চাষ কার্যক্রম পরিচালনা করে। এআইএন প্রকল্প থেকে শুধুমাত্র খাঁচার ফ্রেম ও নতুন নেট দেওয়া হয়, ডঃ পারভীন সুলতানার এফএইচআরসি থেকে নার্সারীতে পোনা উৎপাদন খরচের সামান্য অংশ দেওয়া হয় আর বাকী সমস্ত টাকা সমিতির নিজস্ব ফান্ড থেকে ব্যবস্থা করা হয়। সবুজ আলম ও তার চাষীদলের নিয়মিত পরিচর্যায় মাত্র ৩ মাসে প্রতি পিচ তেলাপিয়া ২৫০-৩০০ গ্রাম ওজনে উন্নীত হয়। ইতিমধ্যে তারা মাছ বিক্রি শুরু করেছে, এ পর্যন্ত ৬২,০০০/- টাকার মাছ বিক্রি করেছে, সমস্ত মাছ বিক্রি হলে আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকা আসবে, এতে প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকা লাভ হবে বলে তাদের ধারণা – খাঁচায় মাছ বড় হয় এ কথাটি প্রথমে বিশ্বাস করতে না চাইলেও বর্তমানে তা তাদের কাছে প্রমাণিত। বর্তমান চক্র শেষেও তারা খাঁচায় মাছ চাষ চালিয়ে যাবেন বলে আশা করছেন এবং এ কাজে সবুজ আলমকেই নেতৃত্ব দিতে হবে, কারণ বয়সে ছোট হলেও বুদ্ধি ও কর্ম দক্ষতায় সে হয়ে উঠেছে অনন্য ফলে চন্দ্রা জলমহল মৎস্য চাষী সমিতি তাকেই নির্ভরযোগ্য মনে করে।

error: কপি হবে না!