ads

সোমবার , ২৬ মে ২০১৪ | ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ফলোআপ : রৌমারীতে অপহরন চেষ্টার ঘটনা দুই লাখ টাকায় ধামাচাপা!

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ২৬, ২০১৪ ৮:০২ অপরাহ্ণ
ফলোআপ : রৌমারীতে অপহরন চেষ্টার ঘটনা দুই লাখ টাকায় ধামাচাপা!

জিয়াউর রহমান জিয়া,রাজিবপুর(কুড়িগ্রাম) : অবশেষে রাতের আধারে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ভন্ডকাজি কারী আশরাফ বারীর অপকর্ম ধামাচাপা দিলেন ওই এলাকার ইউপি সদস্য। বাদি এলাকার নিরীহ দরিদ্র হওয়ায় প্রভাবশালী মহলের চাপের মুখে ওই সাজানো বিচারকে মেনে নিতে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিচার না মানলে বাদি ও তার পরিবারসহ অপহরন করা হবে বলে হুমকী দিচ্ছিল ওই প্রভাবশালী মহলটি।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রৌমারী উপজেলার সীমান্তঘেষা বকবান্ধা নামা পাড়া গ্রামের অসহায় আ : করিমের যুবতী কন্যা কল্পনা খাতুন (২২) কে একই এলাকার লম্পট কাজি কারী আশরাফ বারী ও তার লোকজন নিয়ে বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় অপহরনের চেষ্টা চালায়। পরে মেয়েটির ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ওই ভন্ড কাজি ও তার লোক চলে যায়।
বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তড়িঘড়ি করে সোমবার রাতেই বকবান্ধা ওই কাজি আশরাফ বারীর বাড়িতে অতি গোপনে এক বৈঠক বসে। ওই শালিসী বৈঠকের সভাপতি যাদুরচর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য সিরাজুল ইসলাম দুই লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি নিস্পত্তি করেন।
ওই বৈঠকে নাছির উদ্দিন, সেকান্দার, মিজানুর, ময়নাল, আহম্মদ, খোকা মিয়াসহ কাজির পক্ষের বেশ কয়েক জন মাতাব্বর টাকা নিয়ে আপোষনামায় সই-স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করে। বকবান্ধা নামা পাড়া গ্রামের শুক্কুর আলী জানান- এই কাজির অত্যাচারে গ্রামের যুবতি মাইয়া থাকবার পারে না। অভিভাবকরা তাদের মেয়েদের নিয়ে আতংকে দিন কাটায়। ওই গ্রামের তালেব মিয়া জানান- এই কাজির বর্তমানে ৫ টি স্ত্রী আছে। বাড়িতে পোলাপানের দোকান, তারপরও শুধু যুবতী মাইয়া দেখলেই হুশ থাকে না ওই ভন্ড কাজির।
এ ব্যাপারে আ: করিম সাংবাদিকদের জানান, আমি চাপের মুখে ওই বঠকের রায় মাইন্যা নিছি। কারণ আমি ওই এলাকায় কারির বাড়ির কাছেই বসবাস করি। আমার নিজের আত্মীয় স্বজন এই গ্রামে নাই। তাই বউ পোলাপান নিয়া অসহায়ের মতো দিন কাটাইতেছি।
এ ব্যাপারে রৌমারী থানার এসআই আব্দুল কাদের জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কাজ শুরু হয়েছে।

error: কপি হবে না!