ads

সোমবার , ২৬ মে ২০১৪ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পেকুয়ায় চলছে ২ শতাধিক অবৈধ নসিমন : বাড়ছে দুর্ঘটনা

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ২৬, ২০১৪ ৮:০১ অপরাহ্ণ
পেকুয়ায় চলছে ২ শতাধিক অবৈধ নসিমন : বাড়ছে দুর্ঘটনা

এম.আবদুল্লাহ আনসারী, পেকুয়া (কক্সবাজার) : পেকুয়া উপজেলার ৭ইউনিয়নে ২শতাধিক লাইসেন্সবিহীন ও লক্কর ঝক্কর নসিমন গাড়ী প্রতিনিয়ত জীবণের ঝুকি নিয়ে যাত্রী মালামাল বহন করছে। যার কারনে ব্রেকবিহীন ওই গাড়ী অগনিত দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। জানাযায়, সরকারীভাবে সড়ক ও মহাসড়কগুলোতে নসিমনগাড়ী চলাচল নিষিদ্ধ হলেও পেকুয়ার সড়কগুলোতে গাড়ীগুলো বেপরোয়াভাবে চলছে। যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানাগেছে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের আভ্যন্তরীন সড়ক গুলোতে এখনো যাত্রী বহন করে চলছে। পাহাড়ি জনপদ থেকে চোরাই গাছ পাচারের জন্যে এখন একমাত্র বাহনে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ছোট শিশুরা পর্যন্ত এসব গাড়ী গুলো ড্রাইভ করার কারণে সাধারণ যাত্রীদের জীবণের নিরাপত্তা ঝুকি বেড়ে দাড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট অনেকের সাথে কথা বলে জানাগেছে, ফিটনেসবিহীন গাড়ী র্ঘটনায় দূর্ঘটনায় অনেক লোক মারা গেছে ও আহত হয়ে চিরদিনের মতো পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। তথ্য নিয়ে জানা যায়, এ সব গাড়ীগুলোর কোন লাইসেন্স নেই। একজন নসিমন গাড়ীর ড্রাইভার জানান, একটা গাড়ীর মুল্য দুই লক্ষ টাকা । অভিযোগ উঠেছে এ সব গাড়ী দিয়ে শিলখালী, বারবাকিয়া, টইটং এর বনাঞ্চল থেকে গাছ নিধন করে এ সব গাড়ী দিয়ে বিভিন্ন স’মিলে সরবরাহ করা হচ্ছে। তাছাড়া গাড়ীর ড্রাইভারগণ গাড়ীগুলো খুবই দ্রুত গতিতে চালিয়ে থাকে যার কারনে গাড়ীগুলো সামনে দেখতে সবাই ভয় পায়।

একপশলা বৃষ্টিতেই পেকুয়া বাজারের প্রধান সড়কসহ আভ্যন্তরীন সড়ক গুলো কাদায় তলিয়ে গেছে

Shamol Bangla Ads

পেকুয়ার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারের প্রধান সড়ক সহ আভ্যন্তরীন সড়ক গুলো একফসলা বৃষ্টিতেই কাদার নিচে তলিয়ে গেছে। প্রচন্ড তাপে কুপোকাত মানুষের মাঝে এ বৃষ্টি স্বস্তিদায়ক হলেও অতি জনগুরুত্বপূর্ণ বাজারটির যোগাযোগের রাস্তা গুলো বাজার এলাকার চেয়ে নীচু হওয়ায় বৃষ্টির পানি কাদা হয়ে রাস্তায় নেমে আসে। বাজারের প্রধান সড়কটির নালা বদ্ধ থাকা ও রাস্তাটি খানাখন্দকে পরিণত হওয়ায় রাস্তাটি প্রবাহিত খালের মতো দেখাচ্ছে। ময়লা আবর্জনার সাথে বৃষ্টির পানি মিশ্রিত হয়ে আবর্জিত পানিতে হেটে পার হওয়া দুস্কর হওয়ার কারণে ক্রেতারা সহজে সওদা করতে পারছেনা। প্রধান সড়কের দুপাশে অবস্থিত মার্কেট গুলোও রাস্তার কাদামাখা আবর্জনা পথচারীদের পায়ের সাথে ওঠে এসে ময়লায় পরিণত হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, একটু বৃষ্টির কারণে তাদের বেচা বিক্রিতে বিরুপ প্রভাব ফেলেছে। যাত্রী বাহী ও মালবাহী গাড়ী চলাচলের সময় সড়কে কাদা মিশ্রিত পানি দোকানে পর্যন্ত প্রবেশ করে অনেক সময় মালামাল নষ্ট করে দিচ্ছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে তরকারী বাজার মাছের বাজার ও খোলা বাজার এলাকায় কাদায় পরিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় ক্রেতারা যেতে পারেনি। পান বাজার সড়কে পানি ওঠে আসায় পায়ে হাটা দুস্কর হয়ে দাড়িয়েছে। কাচা বাজার ব্যবসায়ীরা ক্ষোভের সাথে জানিয়েছে প্রতিবছর ২৮লাখ টাকা রাজস্ব দিয়ে এবাজারটি ইজারা নেয়া হয়। অথচ পুরো মৌসুমে ক্রেতারা কাদামুক্ত হয়ে ক্রয় বিক্রয় করা সম্ভব হয়ন। বাজারের কোন বৈধ অবৈধ কমিটি না থাকায় বাজারের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্œয়নের জন্যে কেউ কাজ করছেনা।

error: কপি হবে না!