ads

মঙ্গলবার , ২০ মে ২০১৪ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নরসিংদীর মেয়র লোকমান হত্যা মামলার পরিনতির দিকে নারায়নগঞ্জের ৭ খুন মামলা!

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ২০, ২০১৪ ৭:১১ অপরাহ্ণ

নরসিংদীর মেয়র লোকমান হত্যা মামলার তদন্তে ব্যর্থ পুলিশের ফুল টিম এখন নারায়নগঞ্জে

৭-খুন1এম. লুত্ফর রহমান, নরসিংদী : প্যানেল মেয়র নজরুল ও আইনজীবী চন্দনসহ নারায়নগঞ্জের ৭ খুন মামলার তদন্ত কার্যক্রম নরসিংদীর বহুল আলোচিত মেয়র লোকমান হত্যা মামলার পরিনতির দিকেই ধাবিত হচ্ছে। বেঁচে যাবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে মেয়র লোকমান হত্যাকান্ডের গডফাদারদের মতই নারায়নগঞ্জের ৭ খুনের প্লানার, গডফাদার ও প্রকৃত হত্যাকারীদের।
৭ খুন সংঘটিত হবার পর নরসিংদীর মেয়র লোকমান হত্যা মামলার তত্বাবধানকারী নরসিংদীর পুলিশ সুপার খন্দকার মহিদ উদ্দিনকে নরসিংদী থেকে নারায়নগঞ্জে বদলী, এর কিছুদিন পর মেয়র লোকমান হত্যামামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি ইন্সপেক্টর মামুনুর রশিদ মন্ডলকে নরসিংদীর মনোহরদী থেকে নারায়নগঞ্জ ডিবি অফিসে বদলী এবং ৭ খুন মামলার তদন্তভার অর্পন, তদন্ত কার্যক্রমের শ্লথগতি, আসামী গ্রেফতারে গড়িমসি, দীর্ঘ ২৩ দিনেও একজন এজাহারভূক্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে না পারা, এজাহার বহির্ভূত ২২ জন আসামীকে গ্রেফতার, হত্যাকান্ডের প্লানার ও গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে না পারা, নরসিংদীর মত নারায়নগঞ্জেও পুলিশ সুপার মহিদ উদ্দিনের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং, নরসিংদীর সাংবাদিকদের কাছে পুলিশ সুপার যেভাবে বক্তব্য দিয়েছেন, নারায়নগঞ্জে সেই একই বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি, মেয়র লোকমান হত্যা মামলার আসামীদের মত নারায়নগঞ্জের ৭ খুন মামলার এজাহারভূক্ত আসামীদেরকেও আড়াল করার চেষ্টা, মেয়র লোকমান হত্যা মামলার মত ৭ খুন মামলার এজাহার বহির্ভূত আসামীদেরকে গ্রেফতার করে মামলার গতি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা এবং সার্বিক কার্যক্রমে অহেতুক সময় ক্ষেপনের কারনে নরসিংদীতে বসবাসকারী নারায়নগঞ্জের জনগন ও নরসিংদীর মেয়র লোকমানের সমর্থকদের মধ্যে এই আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
তারা বলছে, মেয়র লোকমান হত্যামামলা তদন্ত ও এর পরবর্তী আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থ নরসিংদীর ফুল পুলিশ টিম এখন নারায়নগঞ্জে। এই ব্যর্থ পুলিশ টিম দিয়ে নারায়নগঞ্জে সংঘটিত সমসাময়িককালের ভয়াবহ হত্যাকান্ড তদন্ত ও এই মামলার সুষ্ঠু প্রসিকিউশন তৈরী সম্ভব নাও হতে পারে। গত ২৩ দিনের কর্মকান্ডে নরসিংদীর ব্যর্থ পুলিশ টিম তাদের দক্ষতা ও আন্তরিকতার কোন প্রমান রাখতে পারেননি। নরসিংদীর মেয়র লোকমান হত্যাকান্ড তদন্তেকালে এসপি মহিদ উদ্দিন বলেছিলেন, এজাহারে নাম থাকলেই কাউকে গ্রেফতার করতে হবে এমন কোন কথা নেই। যা থেকে নারায়নগঞ্জবাসীর মধ্যে এই ধারনা বদ্ধমূল হয়েছে যে, নরসিংদীর পুলিশ টিম হয় অদক্ষ, নতুবা বেপরোয়া। তাদের কর্মকান্ড ৭ হত্যাকান্ডের বিচারে একটি সুষ্ঠু ও অকাট্য প্রসিকিউশন তৈরীর অনুকূলে নয়। এজাহার বহির্ভূতভাবে বাদীপক্ষের প্রতিকূলে গিয়ে এসপি মহিদ উদ্দিন ও ডিবি ইন্সপেক্টর মামুনুর রশিদ মন্ডল যেভাবে মেয়র লোকমান হত্যামামলার তদন্ত করেছেন তা আইনজীবীদের দৃষ্টিতে আইন, রীতি ও যুক্তিসিদ্ধ নয়। যার ফলে এই পুলিশ টিমের দাখিলকৃত মেয়র লোকমান হত্যামামলার চার্জশীট চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। মামলার বাদীপক্ষ এই চার্জশীটের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপীল করে তা বাতিল করে লোকমান হত্যামামলার পুনঃতদন্ত দাবী করেছেন। বিজ্ঞ হাইকোর্ট বাদীপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে নি¤œ আদালতে লোকমান হত্যাকান্ডের বিচার স্থগিত ঘোষণা করেছেন।
২০১১ সালে ১ নভেম্বর রাতে নরসিংদীর মেয়র লোকমান হোসেনকে গুলি করে হত্যার পর সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়। লোকমান সমর্থকদের ক্ষোভের আগুনে ভষ্মীভূত হয় নরসিংদী রেল স্টেশন, একটি যাত্রীবাহী ট্রেন, নরসিংদী সার্কিট হাউস’র মত সরকারী স্থাপনা। ৩ দিন পর মেয়র লোকমানের ছোটভাই বর্তমান মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল বাদী হয়ে নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি হত্যামামলা দায়ের করেন। এতে আসামী করা হয় তৎকালীন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুর ছোট ভাই সালাউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, মন্ত্রী রাজুর এপিএস মুরাদ, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোন্তাজ উদ্দিন ভূঞা, পৌর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মোবারক হোসেন মোবা, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সরকার, তার ছোটভাই আশরাফুল সরকারসহ ১৪ জন। তখন নরসিংদীর এসপি ছিলেন আক্কাস উদ্দিন ভূঞা। ডিবি ইন্সপেক্টর ছিলেন মামুনুর রশিদ মন্ডল। প্রথমত মেয়র লোকমান হত্যামামলাটি নরসিংদী মডেল থানায় দায়ের করা হলেও এসপি আক্কাস উদ্দিন ভূঞা মামলাটির তদন্তভার ন্যাস্ত করেন নরসিংদীর ডিবি পুলিশের হাতে। এরইমধ্যে হঠাৎ এসপি আক্কাস উদ্দিন ভূইয়াকে বদলী করা হয়। নরসিংদীতে ডেকে আনা হয় এসপি খন্দকার মহিদ উদ্দিনকে। এসপি মহিদ উদ্দিনের তত্বাবধানে ডিবি ইন্সপেক্টর মামুনুর রশিদ মন্ডল, মেয়র লোকমান হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন। মানুষের ধারনা ছিল এতবড় ভয়াবহ হত্যাকান্ড এবং হত্যাকান্ডের পর মানুষের মধ্যে সৃষ্ট ক্ষোভ প্রশমনে তৎকালীন মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুকে মন্ত্রীসভা থেকে বহিষ্কার করা হবে। এজাহারভূক্ত আসামী হিসেবে মন্ত্রীর ভাই সালাউদ্দিন বাচ্চু, শহর আওয়ামী লীগ নেতা মোন্তাজউদ্দিন সাবেক পৌর চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সরকার, শহর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মোবারাক হোসেন মোবা সহ হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আসামী, হত্যাকান্ডের প্লানার ও গডফাদারদের গ্রেফতার করা হবে। কিন্তু বাস্তবে ঘটেছে এর উল্টোটি। মেয়র লোকমান হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ মন্ডল হত্যাকান্ডের ১৫ দিন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত কোন আসামীকেই গ্রেফতার করেননি। মন্ত্রী রাজুর ভাই সালাউদ্দিন বাচ্চু উচ্চ আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হবার পরও তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রেফতার করেনি। উপরন্তু পরিকল্পিতভাবে সময়ক্ষেপন করে এজাহার বহির্ভূত আসামীদের গ্রেফতার করে তাদেরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে স্বীকারোক্তি আদায় করে লোকমান হত্যাকান্ডের মোটিভ ভিন্নখাতে ঘুরিয়ে দিয়েছে। শুধু তা-ই নয় এই পুলিশ সুপার খন্দকার মহিদ উদ্দিন লোকমান হত্যাকান্ডের এজাহারভূক্ত আসামী মন্ত্রীর ভাই সালাউদ্দিন বাচ্চু সহ আওয়ামী লীগ নেতাদেরকে পুলিশ প্রহরায় আদালতে হাজির করে হত্যামামলার তদন্তের ইতিহাসে এক নগ্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। মন্ত্রী রাজু, তার ভাই বাচ্চু, এপিএস মুরাদ সহ মেয়র লোকমান হত্যা মামলার আসামীদেরকে গ্রেফতারের দাবীতে নরসিংদীতে মেয়র লোকমানের সমর্থকরা হরতাল করেছে, রাস্তা অবরোধ করেছে, নরসিংদী রেল স্টেশন, সার্কিট হাউজ এবং একটি যাত্রীবাহী ট্রেন আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে মিছিলের পর মিছিল করেছে। এরপরও এসপি খন্দকার মহিদ উদ্দিন, তদন্তকারী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ মন্ডল এদের কাউকেই গ্রেফতার করেননি। সবশেষে ১৪ জন এজাহারভূক্ত আসামীর মধ্যে মন্ত্রী রাজুর ভাই সালাউদ্দিন বাচ্চু, এপিএস মুরাদ সহ এজাহারভূক্ত ১১ জন আসামীকে বাদ দিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ মন্ডল লোকমান হত্যামামলার চার্জশীট দাখিল করে। এসপি খন্দকার মহিদ উদ্দিনের তত্বাবধানে দেয়া এই চার্জশীটের বিরুদ্ধে সংক্ষুৃব্ধ হয়ে মামলার বাদী মেয়র কামরুজ্জামান উচ্চ আদালতে আপীল করেছেন। এতে বাদী পক্ষ বলেছে, মামুনুর রশিদ মন্ডলের দেয়া চার্জশীট পরস্পর বিরোধী। এতে এজাহারভূক্ত ও এজাহার বহির্ভূত আসামীদের স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ রয়েছে যে, মন্ত্রী রাজু ও তার ভাই সালাউদ্দিন বাচ্চুর বাসায় মেয়র লোকমান হত্যাকান্ডের ব্যাপারে একাধিকবার মিটিং হয়েছে। এরপরও এসব তথ্য সমূহ পুলিশ আমলে নেয়নি এসপি মহিদ উদ্দিন ও ইন্সপেক্টর মামুনুর রশিদ মন্ডল। যার ফলে লোকমান হত্যা মামলার প্লানার, গডফাদার ও প্রকৃত হত্যাকারীদের অনেকেই বেঁচে গিয়েছে। মেয়র লোকমানের আইনজীবীগন বলেছেন, দায়েরকৃত মামলা প্রমান করা বাদীপক্ষের দায়িত্ব। যারা মামলা দায়ের করে তাদের অবশ্যই প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী থাকে। কিন্তু সেই প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী না নিয়ে শুধুমাত্র স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীর উপর মেয়র লোকমান হত্যামামলার প্রসিকিউশন তৈরী করা হয়েছে। যা বাদীপক্ষ পুলিশ সুপার মহিদ উদ্দিন ও আইও মামুনুর রশিদ মন্ডলের নির্মম পক্ষপাতিত্ব বলে আখ্যায়িত করেছে। শুধু তাই নয় মেয়র লোকমান হত্যামামলার তদন্তের অবস্থা দেখে নরসিংদীতে একের পর এক হত্যাকান্ড আরো উৎসাহিত হতে থাকে। লোকমান হত্যাকান্ডের পর নরসিংদীতে গত আড়াই বছরে কমবেশী ২শত হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে। হত্যাকান্ড বন্দে এসপি মহিদ উদ্দিন কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেননি। শত শত ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। ডাকাতি বন্ধে কোন সফলতা অর্জন করতে পারেননি। অজ্ঞাতনামা লাশের সারি দিনের পর দিন বেড়েই গেছে। এসপি মহিদ উদ্দিন এসব অজ্ঞাতনামা লাশের কোন ঠায় ঠিকানা খুজে বের করতে পারেননি। এরপরও নারায়নগঞ্জের এতবড় হত্যাকান্ড তদন্তে নরসিংদীর এই ব্যর্থ টিমকেই ডেকে নেয়া হয়েছে।
বর্তমানে নারায়নগঞ্জের ৭ খুন মামলার তদন্ত কার্যক্রমও একই পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে ন্যাস্ত হওয়ায় ৭ খুন মামলাটিও বর্তমান মেয়র লোকমান হত্যা মামলার পরিনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। আইনজীবীদের মতে, পৃথিবীর সকল হত্যা মামলা তদন্ত হয় এজাহার এবং মামলার বাদীপক্ষের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে। কিন্তু রহস্যজনক কারনে খন্দকার মহিদ উদ্দিন ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মেয়র লোকমান হত্যা মামলাটির তদন্ত করেছেন তাদের নিজেদের খেয়াল খুশি মত। আইনজ্ঞদের মতে, সবচে সবল ও গ্রহনযোগ্য স্বাক্ষী হচ্ছে বাদী পক্ষের দেয়া স্বাক্ষী এবং মামলার প্রসিকিউশনের সবচেয়ে দুর্বল স্বাক্ষী হচ্ছে আসামীর স্বীকারোক্তি। অথচ এসপি খন্দকার মহিদ উদ্দিন ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ মন্ডলের ঝোক দুর্বল স্বাক্ষী আসামীদের স্বীকারোক্তির দিকে। যার ফলে পুলিশ সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে যেনতেন প্রকারে একটি পেশাদার অপরাধীর স্বীকারোক্তির মাধ্যমে মামলার তদন্তের গতি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার। নারায়নগঞ্জের ৭ খুনের তদন্তের বেলায়ও একই ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন জনগন। এত দীর্ঘ দিনেও একজন এজাহারভুক্ত আসামীকে গ্রেফতার না করার ঘটনা এবং প্রেস ব্রিফিংয়ে এজাহারভূক্ত আসামী গ্রেফতার না হলেও তদন্ত অগ্রগতি হয়েছে মর্মে এসপি মহিদ উদ্দিনের উক্তি প্রমান করে নারায়নগঞ্জেও নরসিংদীর মত পেশাদার অপরাধীদের স্বীকারোক্তি আদায়ের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।
মেয়র লোকমান হত্যামামলার এজাহারভূক্ত আসামীদেরকে দীর্ঘ দিনেও গ্রেফতার না করে পেশাদার অপরাধীদের গ্রেফতার করার ফলে জনমনে ধারনা সৃষ্টি হয়েছিল যে, পেশাদার অপরাধীদের স্বীকারোক্তির মাধ্যমে মেয়র লোকমান হত্যামামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করা হবে। বাদী পক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী পরবর্তীতে এই ধারনাই সত্যে পরিনত হয়েছে। নারায়নগঞ্জের ৭ খুনের তদন্তের পরিনতিও সেদিকেই ধাবিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত পুলিশ কারো নিকট থেকে কোন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী আদায় করতে পারেনি। যুৎসই কোন পেশাদার আসামীর স্বীকারোক্তি দিয়েই পুলিশ ৭ খুন মামলার প্রসিকিউসনের ভিত্তি রচনা করবে বলে ধারনা করছে সচেতন লোকজন। আর এতেই ৭ খুন মামলার প্রকৃত মোটিভ ঢাকা পড়ে যাবে। আড়াল হয়ে যাবে হত্যা মামলার প্রকৃত প্লানার ও গডফাদাররা।

error: কপি হবে না!