ads

রবিবার , ১৮ মে ২০১৪ | ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

রাজিবপুরে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে ঘরহারা পরিবারদের দেখার কেউ নেই

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মে ১৮, ২০১৪ ৭:০২ অপরাহ্ণ

SAM_2240রাজিবপুর(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধির ফলে হঠাৎ করেই ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদের থাবায় তিন দিনে দুটি গ্রাম সম্পূর্ণরূপে বিলীন হয়ে গেছে। আংশিক ভাঙনের শিকার হয়েছে আরো চারটি  গ্রাম। এতে ৫০০ পরিবারের ঘরবাড়ি হারিয়ে গেছে নদের গর্ভে।

Shamol Bangla Ads

ভাঙনের মুখে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী নয়াচর হাটবাজার, ইউনিয়ন পরিষদ ভবনসহ তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নদের ভাঙন থেকে ওইসব প্রতিষ্ঠানের দূরত্ব এখন মাত্র ৪০০ মিটার। ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনের এই তান্ডব চলছে রাজীবপুর উপজেলার নয়াচর এলাকায় প্রায় চার কিলোমিটার জুড়ে। গত শুক্রবার ভাঙন ঠেকানোর দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নয়াচর বাজারপাড়া গ্রামের ভাঙনের শিকার মানুষেরা আহাজারি করছে। ব্রহ্মপুত্রে বাড়ি হারানো ৭০ বছরের বৃদ্ধ বছের আলী বলেন, ‘আমার বয়সে ১৭ বার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছি। আমগো বাড়িঘর নদীতে ভা

Shamol Bangla Ads

নদী জমিজিরাত সব হারাইয় এইহানে ঘর করছিলাম। সেটাও ভাইঙা গেল। দুনিয়াত এহন কোনো জায়গা নেই। রাস্তায় থাকা ছাড়া কোনো উপায় নাই।’ বছের আলীর মতো ১৫-১৬ বার করে ভাঙনের শিকার হয়েছেন গোলাম হোসেন, মোকবুল হোসেন, আবু হানিফ, হামিদুল ইসলাম ও হযরত আলী।

রাজীবপুর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম জানান, যে হারে ভাঙছে তা ঠেকানো না গেলে নয়াচর বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, নয়াচর ইসলামিয়া মাদ্রাসা, নয়াচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বাজারের এক হাজারের ওপর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বিলীন হয়ে যাবে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে।

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন প্রতিরোধে সরকারিভাবে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আবু তাহের জানান, নয়াচর এলাকায় ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন প্রতিরোধে কোনো প্রকল্প নেই। তবে রাজীবপুর উপজেলা ব্রহ্মপুত্র ভাঙন   প্রতিরোধের একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া আছে। কিন্তু প্রকল্প অনুমোদন হয়নি।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!