আদমদীঘি ( বগুড়া ) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় গুরুত্বপুর্ন ৭ দপ্তরে দীর্ঘ দিন যাবৎ কার্যক্রম চলছে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে। ফলে কর্মকতা না থাকায় ভারপ্রাপ্তের ভারে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ায় ওই সব দপ্তরে প্রশাসনিক কার্যক্রম মারাত্মক ভাবে বিঘিœত হচ্ছে জনসেবা। হয়রানি হতে হচ্ছে কাজে আসা শত শত সাধারন মানুষদের।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলায় সরকারী গুরুত্বপুর্ন ৭ দপ্তরে বদলী ও অবসর গ্রহনের কারণে দীর্ঘ দিন যাবৎ কর্মকর্তার পদ খালি রয়েছে। কর্মকর্তার এ সব খালি পদে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে চালানো হচ্ছে দপ্তর। প্রাপ্ত তথ্যানুসারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মাসুদ হাসান পাটোয়ারী গত ২০১১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মাসে বদলী হলে অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন।
উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার মোজাহার হোসেন ২০০৮ সালের মার্চে অবসরে যাবার পর থেকে এ পর্যন্ত খালি রয়েছে পদটি। উপজেলা আনসার ও ভি,ডি,পি অফিসার আইয়ুব আলী ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর বদলী হন ভারপ্রাপ্ত হিসাবে দায়িত্ব দেয়া হয় প্রশিক্ষক (টি.আই) শামিমা নাসরিন। উপজেলা সমবায় অফিসার শুসান্ত নারায়ন শাহ ২০১৪ সালের ১ এপ্রিল বদলী হন ভারপ্রাপ্ত হিসাবে দায়িত্ব দেয়া হয় সহকারী সমবায় অফিসার মির্জা জাকির হোসেনকে। জনস্বাস্থ্য সহকারী প্রকৌশলী একেএম রেজাউল করিম ২০১৩ সালের ১১ ডিসেম্বর বদলী হন। ওই পদে ভারপ্রাপ্ত হিসাবে উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাহাদতজ্জামান। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কাজী আতিয়াহ্ তৈয়বী ২০১৩ সালে ১০ অক্টোম্বর বদলী হলে ভারপ্রাপ্ত হিসাবে দায়িত্বে রয়েছেন সহকারী মৎস্য অফিসার রতন কুমার কুন্ডু। বিএডিসির কর্মকর্তা ছামছুর রহমান ২০০৯ সালে বদলী হন এ পদে নন্দীগ্রামের উচ্চতর উপসহকারী প্রকৌশলী জিন্নাত রসুল ভারপ্রাপ্তের দায়িত্ব পালন করছেন । এ দিকে গুরুত্বপুর্ন ৭ টি দপ্তরে অফিসার না থাকায় এক দিকে যেমন প্রশাসনিক কার্যক্রম বিঘিœত হচ্ছে । অন্যদিকে এ সব দপ্তরে কাজ করতে এসে সাধারন মানুুষ নানামুখী অসুবিধার সম্মুখীন ও হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। ভারপ্রাপ্তের ভারে ভারাকান্ত আদমদীঘি উপজেলার ৭ দপ্তরে অবিলম্বে অফিসার নিয়োগ দেয়ার প্রয়োজন বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।




