আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : বরগুনার তালতলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বুধবার বিকেলে কড়ইবাড়িয়া বাজারে এক নির্বচনী পথসভায় আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় উভয় গ্রæপের ১০ জন আহত ৩টি মটর সাইকেল ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে পুলিশ বিএনপির দুই সমর্থক শিশির মৃধা (২৬) ও আফজাল (২৪) নামে দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকা বাসী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে ৫টায় আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী মনিরুজ্জামান মিন্টু ও বিএনপির চেয়ারম্যান প্রাথী মো. ফরহাদ হোসেন আক্কাস মৃধার দুটি নির্বাচনী জনসভা কড়ইবাড়িয়া বাজারে অনুষ্ঠিত হয়। সভাচলার মাঝামাঝি সময়ের এক পর্যায়ে দুই প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে উভয় গ্রæপের সভা ভন্ডুল হয়ে সংঘর্ষে রুপ নেয়। পুরো এলাকা তখন রনক্ষেত্রে পরিনত হয়। মুহুর্তের মধ্যে তখন দোকান পাট বন্ধ করে দোকানিরা নিরাপদে আশ্রয় নেয়। সংঘর্ষে দুই গ্রæপের ১০ জন নেতা কর্মী আহত হয় বলে উভয় গ্রæপ দাবী করেছে। উত্তেজিত কর্মীরা এসময় পার্কিং করে রাখা ৩টি মটর সাইকেল ভাংচুর করে। খবর পেয়ে তালতলী থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। সংঘর্ষের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে পুলিশ বিএনপির প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আক্কাস মৃধার ছেলে শিশির ও বিএনপি কর্মী আফজালকে গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করলে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা কাজী তোফায়েল হোসেন তাদেরকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়ে জেল হাজতে পাঠান। তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।বিএনপি প্রার্থী মো. ফরহাদ হোসেন আক্কাস মৃধা জানান আমি নেতাকর্মীদের নিয়ে শান্তিপূর্ন ভাবে গনসংযোগ করে চলে যাচ্ছিলাম তখন অপর পক্ষের লোকজন আমার নেতাকর্মীদের ওপর অর্তকিত হামলা চালায় । পুলিশ আমার ছেলে ও এক কর্মীকে গ্রেফতার করে ভ্র্যাম্যান আদালতের মাধ্যমে এক মাসের জেল দিয়েছে। কিন্তু যারা আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে তাদের পুলিশ গ্রেফতার করেনি। আমি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকার আহবান জানাচ্ছি।




