ads

বৃহস্পতিবার , ১৫ মে ২০১৪ | ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আদমদীঘিতে এবারও ইরি ফসলের বাম্পার ফলন : বাজারে ধানের মূল্য থাকায় কৃষকরা খুশি

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ১৫, ২০১৪ ৬:৫২ অপরাহ্ণ

Bogra_District_Map_Bangladesh-73আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : উত্তরাঞ্চলের শষ্য ভান্ডার বলে খ্যাত বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় গত কুড়ি বছরে রেকর্ড ভঙ্গ করে এবারও ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে প্রকার ভেদে ২০ মন থেকে ২৫ মন পর্যন্ত ধানের ফলন হয়েছে। বর্তমানে হাট বাজারে নতুন জিরাশাইল ধান সাড়ে ৮ শত টাকা ও পারিজা সহ অন্যান্য জাতের ধান সাড়ে ৭ শত থেকে ৮ শত টাকা মন দরে বেচা কেনা চলছে। এবার বাজারে ধানের চড়া মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা মহা খুশি হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ধানের দাম বেড়েছে মন প্রতি ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা।

Shamol Bangla Ads

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, আদমদীঘি উপজেলার একটি পৌর সভা ও ৬ টি ইউনিয়ন মিলে এবার ১২ হাজার ৭ শ’ ২০ হেক্টর জমিতে ইরি বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে জিরাশাইল ১০ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে, পারিজা ১ শত ৪ হেক্টর, ব্রি ২৮ ধান ৭শত ৭৫ হেক্টর, ব্রি-২৯ ধান ৫শত ৮০ হেক্টর, ব্রি -৫০ ধান ৭৭ হেক্টর, এবং বি-আর-১ জাতের ধান ৯৪ হেক্টর জমিতে ধান রোপন করা হয়। ধান রোপনের শুরু থেকে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবার ইরি ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতি মধ্যেই পারিজা ও জিরাশাইল সহ অন্যান্য ধান কাটা শুরু হয়েছে। বামনি গ্রামের কৃষক আল আমিন ,তেতুলিয়া গ্রামের জিল¬ুর রহমান জানায়, ইরি বোরো আবাদ রোপন পানি সেচ আগাছা পরিস্কার ও ধান কাটা মারাই করতে বিঘা প্রতি ৭ হাজার থেকে সাড়ে ৭ হাজার টাকা খরচা হয়েছে। ধানের ফলন বাম্পার হওয়ায় খরচা অনেকটা পুশিয়ে এবার ধান বিক্রি করে লাভের মুখ দেখা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ উপজেলায় প্রায় ৫০ ভাগ জমির ধান কাটা সম্ভব হয়েছে। তবে ঝড় বৃষ্ঠি হলে অনেক কৃষক তাদের ধান নিয়ে বিপাকে পড়বে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শাহাদুজ্জামান জানান গত কুড়ি বছরের রেকর্ড ভঙ্গ করে এবার ধানের লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। আবহাওয়া অনুকুলে. সুশম সার ব্যবহার ও ধানে রোগ বালাই কম থাকায় বাম্পার ফলন হয়েছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!