ads

বুধবার , ৭ মে ২০১৪ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বাজারে নেই তরমুজের ক্রেতা : দাম না পাওয়ায় হতাশ কৃষক

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ৭, ২০১৪ ৬:১১ অপরাহ্ণ

Tormuzখালিদ সাইফুল্লাহ : ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত জনসাধারণের প্রাণ জুড়াচ্ছে মৌসুমি ফল। ঢাকা সহ সারাদেশের ফল মার্কেটে এসেছে প্রচুর পরিমাণ গ্রীষ্মকালিন মধুমাসের ফল আম, বরই,বাঙ্গি, কাঁঠাল, আতা, সরিফা ও তরমুজ। প্রতি বছর এ সময়ে প্রচুর পরিমাণ তরমুজের চাহিদা থাকলেও এ বছর দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। দাম সাধ্যের মধ্যে হলেও ক্রেতা শূন্যতার কারনে লোকশানের আশংকায় হতাশ হয়ে পড়েছেন তরমুজ ব্যবসায়ীরা। তরমুজের আমদানী বেশী, দামও সাধ্যের মধ্যে কিন্ত দীর্ঘক্ষণ পর পর দেখা মিলছে ২/১ জন ক্রেতার। অনেক বিক্রেতা হাক ডাক দিয়ে ক্রেতা ধরার চেষ্টা করছেন। কেউবা আবার খুব কম দামে ডাক উঠাচ্ছেন। অথচ ক্রেতার দেখা নেই। রাজধানীর কাওরান বাজার, ধানমণ্ডি, শান্তিনগর, মিরপুরসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে তরমুজের সয়লাব। শ্যামলীতে হাবিল নামের এক খুচরা তরমুজ ব্যবসায়ী জানান, মাঝারি সাইজের ২০০ ও বড় সাইজের তরমুজ ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আবার সময় বিশেষ কখনো কখনো ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে। এদিকে, ‘তরমুজ কিনতে আসা সোহাগ নামের এক ক্রেতা জানান, গতবছর এ সময়ে তরমুজের দাম ছিল ৭০/৮০ টাকা। যা এখনকার সময়ে তার দ্বিগুন। ১০০/১৫০ টাকায় কেনা তরমুজের রঙ আপাত লাল থাকলেও নেই মিষ্টতা। আর ২০০/২৫০ টাকা মূল্যের তরমুজ এ বাজারে ক’জনে কিনতে পারছে?’অন্যদিকে, কয়েকশ কৃষক পরিবার তরমুজ চাষ করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে কৃষকদের কাছে তরমুজ আবাদ নানা কারণে অলাভজনক হয়ে উঠেছে। এ বছর বন্যা ও শিলাবৃষ্টি না হওয়ায় পচন ধরেনি তরমুজে। এ কারণে ভালো ফলনে বেশ খুশি হলেও ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন চাষিরা। লাভবান হচ্ছেন মধ্যস্বত্বভোগীরা। চাষিদের কাছ থেকে প্রতিটি তরমুজ কেনা হচ্ছে ১০ থেকে ২০ টাকায়। অন্যদিকে সেই তরমুজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায়।জাকির হোসেন নামের এক কৃষক জানান, ‘৭ একর জমিতে তরমুজের চাষ করে তার খরচ পড়েছে ৩ লাখ টাকা। তিনি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছেন। ক্রেতার আশায় জমিতে তরমুজের স্তূপ নিয়ে বসে আছি।’ আরেক তরমুজ চাষি জানান, ‘এবার ব্যাপারি কম এসেছে দামও বলছে খুবই কম। আগের মতো তরমুজ চাষে তেমন লাভ নেই। স্বল্প টাকায় এখানে তরমুজ বিক্রি হলেও পাইকারের হাত বদল হয়ে তা বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। হাজার হাজার টাকা তরমুজ আবাদের পেছনে ব্যয় করলেও আমাদের লাভের কোটা শূন্য থাকে।‘ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আড়তদাররা ঠিকমত কৃষকদের দাম দিচ্ছে না। আবার তরমুজ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিভিন্ন ব্যবসা ফেঁদে বসেছে অসাধু ব্যবসায়ী ও দালাল চক্র। তৈরী করেছে একটি সিন্ডিকেট। পরিবহনের জন্য এলাকার কিছু অসাধু ব্যবসায়ী শহর থেকে পিকআপ, মিনি ট্রাক, স্ক্রটার নিয়ে তরমুজ বহনের কাজ করছে। তারা প্রতি ট্রিপে মাল পরিবহনের জন্য ৩/৪ কিঃমিঃ দুরত্বে ভাড়া নিচ্ছে ৭শ’ থেকে ৮শ’ টাকা। অপরদিকে যেসব ঘাট দিয়ে তরমুজ ট্রলারে উঠানো হয় সে ঘাট গুলি হঠাৎ করে ইজারা দেওয়ায় ইজারাদারদের ট্রলার প্রতি ৫/৬শ টাকা করে খাজনা দেওয়া লাগছে। অন্যদিকে নদীপথে আসার সময় বিভিন্ন মোড়গুলোতে জেলে ও স্থানীয়রা অনেক সময় ট্রলারচালক ও ব্যাপারীদের মারধর করে তরমুজ, বিভিন্ন মালামাল ও সঙ্গে থাকা টাকা কেড়ে নেয়। একটি সূত্র জানায়, পরিবহন মালিকদের কারণে দ্বিগুণ ভাড়া গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। পাশাপাশি রয়েছে ট্রাফিক সার্জেন্টদের চাঁদাবাজি।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!