আব্দুর রহমান, বাকৃবি প্রতিনিধি : বিগত কয়েকদিন ধরে অব্যাহত লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে বাকৃবির শিক্ষার্থীরা। একদিকে তীব্র গরম অন্যদিকে লাগামহীন লোডশেডিং এর কারণে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
জানা গেছে, বাকৃবিতে ইদানিং আগের তুলনায় মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং বেড়ে গেছে। দিনে রাতে সবসময়ই চলে বিদ্যুতের লুকোচুরি খেলা। এতে ব্যাঘাত করছে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পড়াশুনার পরিবেশ। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষনা কার্যক্রমও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় গবেষণাগারের বহু মূল্যবান যন্তÍপাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দিনের তুলনায় রাতে লোডশেডিং এর মাত্রা বেশী। তীব্র লোডশেডিং এর কারনে তারা পড়াশুনায় মনোযোগ দিতে পারে না। ক্লাস চলাকালিন সময়ে প্রায়ই বিদ্যুৎ থাকে না। ফলে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরগুলো বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে শিক্ষকদের লেকচার প্রদানে সমস্যার সৃষ্টি করে।
জুলফিকার আলী নামে কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে, ‘আমাদের ক্লাস টেস্ট পরীক্ষা চলছে আবার সামনে সেমিস্টার পরীক্ষা। এমন অবস্থায় ঘন ঘন লোডশেডিং এর কারনে পড়াশুনায় মন বসাতে পারছিনা’।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বাকৃবির বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তৌহিদুল ইসলাম জানান, ‘কিছুদিন পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তী কেওয়াটখালীতে পাওয়ার প্লান্টের ব্রেকার ও ট্রান্সমিটার বজ্রপাতে বিস্ফোরিত হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ প্লান্টের বিভিন্ন অংশের মেরামত করা হচ্ছে। মূলত মেরামত কাজের জন্যই নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা হচ্ছে’।
তিনি আরো বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই বাকৃবির বিদ্যুতের পুরো সিস্টেমকে স্পেশাল ভিআইপি লাইনের আওতায় আনা হবে। এর কাজ ইতিমধ্যেই শেষের পথে’।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সিস্টেমকে স্পেশাল ভিআইপি লাইনে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোডশেডিং সমস্যার সমাধান করতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে শিক্ষার্থীরা।




