হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে সোনালী ব্যাংক শাখার ম্যানেজারসহ কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর স্বেচ্চাচারিতা, স্বজনপ্রীতি,অসদাচরনসহ বিভিন্ন অনিয়ম অব্যবস্থাপনায় গ্রাহক ভোগান্তি দিন-দিন বেড়েই চলছে।ব্যবস্থাপকের নিকট বারংবার অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার না পেয়ে ভুক্তভোগীরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করে জরুরি প্রতিকার দাবি করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার মোঃ মোসলেম উদ্দিন হোসেনপুর শাখায় যোগদানের পর থেকেই সিসি লোন,কনজুমার লোন,বিদেশি চেক ভাঙ্গানোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গ্রাহকদের নানা ভাবে হয়রানি করলেও এ যেন দেখার কেউ নেই। জানাযায়,ব্যাংকের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারি অনৈতিক কর্মকান্ডে জরিত থেকে গ্রাহক সেবার পরিবর্তে নানা ভাবে তাদের হয়রানি করে চলছে। নতুন হিসার খোলার থেকে শুরু করে সিসি লোন পর্যন্ত ব্যাংকের ওই অসাধু চক্রকে ম্যানেজ না করে কোন কাজ কেউ সময় মত করতে পারছেনা।
সরজমিনে দেখাযায়, ওই অসাধু চক্রের লোকজন সময় মত ব্যাংকে না এসে নানা অজুহাতে অফিস সময়ে বাইরে অবস্থান করে বিভিন্ন তদবিরে ব্যাস্ত রয়েছে। কেউ কেউ আশ পাশের হোটেল ও চায়ের দোকানে আড্ডারত রয়েছে। গতকাল বৃহঃস্পতিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত ম্যানেজারসহ ২-৩জন কর্মচারী উপস্থিত থাকলেও অন্য কাউকেই দেখা যায়নি। প্রচন্ড গরমে গ্রাহকরা যখন লাইনে দাড়িয়ে লেনদেনের জন্য অপেক্ষা করেন তখন ব্যাংকের ম্যানেজারসহ কয়েকজন কর্মকর্তা,কর্মচারী কাচের নিরাপত্তা বেষ্টনির ভিতরে প্রবেশ করে তাদের পচন্দের গ্রাহকের দৈনন্দিন কর্যাদি সম্পন্ন করছে। এ সময় কয়েকজন গ্রাহক সাংবাদিকদের জানান, ব্যাংকে উন্নত মানের জেনারেটর থাকলেও তুচ্ছ অজুহাতে বিদ্যুৎ না থাকলে গ্রাহকদের ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ আসার অপেক্ষা করতে হয়।এ সংক্রান্ত অভিযোগ ম্যানেজারসহ উদ্ধতন কতৃপক্ষকে অবহিত করলেও প্রতিকার মিলছেনা।মূলত এসব কারনে এ ব্যাংকের সেবার মান দিন-দিন নিন্মগামী হচ্ছে।ফলে গ্রাহদের ক্ষোভ বেড়েই চলেছে।ফলে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের দাবী অনতিবিলম্বে হোসেনপুর সোনালী ব্যাংকের গ্রাহক সেবার মান উন্নয়ন,অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দূরিকরনসহ ম্যানেজারের দ্রæত অপসারন করে এ শাখার সুনাম ও সুষ্ঠ পরিবেশ নিশ্চিত করা।
এ ব্যাপারে হোসেনপুর সোনালী ব্যাংক শাখার ম্যানেজার মোঃ মোসলেম উদ্দিন বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, নিয়ম মাফিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে চিহ্নিত কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর না দিয়ে সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচরণ করেন।




