ads

শনিবার , ১ মার্চ ২০১৪ | ৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী দুর্গে বিএনপি’র জয়, ভোটারদের অভিযোগ প্রার্থী-নেতারা কাছে আসেনি

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মার্চ ১, ২০১৪ ৫:০৮ অপরাহ্ণ
উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী দুর্গে বিএনপি’র জয়, ভোটারদের অভিযোগ প্রার্থী-নেতারা কাছে আসেনি

ডুমুরিয়া(খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ভোট ব্যাংক হিসাবে পরিচিত ডুমুরিয়াতে এবার দলটির ভরাডুবি হয়েছে।প্রচার-প্রচারনার অভাব, সাধারন ভোটারদের সাথে দলের তৃণমুল নেতাদের সম্পর্কের অবনতি ও প্রতিদ্ব›িদ্ব প্রার্থীদের আর্ত বিশ্বাসই মুল কারণ বলে জানা গেছে।
দলীয় ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, স্বাধীনতা পর থেকেই খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ভোট ব্যাংক ও আওয়ামীদুর্গ হিসাবে পরিচিত। রাজনৈতিকভাবে দলটির উপর দিয়ে বিভিন্ন সময়ে ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে গেলেও বর্তমানে তাদের সুসময়। তারপরেও সদ্য সমাপ্ত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিন পদেই পরাজিত হয়েছে। দলটির এ পরাজয়ের কারণ তুলে ধরে উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোস্তফা কামাল খোকন বলেন, উপজেলায় মোট ভোট সংখ্যার প্রায় অর্ধেক অংশ হিন্দু সম্প্রদায়ের। বরাবরই তাদের ভোট আমরা পেয়ে থাকি। কিন্তু এবার তাদের ভোট কেন্দ্রে উপস্থিতি ছিল খুবই কম। দ্বিতীয়তঃ দলের ওয়ার্ড ও তৃণমুল নেতারা তেমন প্রচার-প্রচারনা করেনি। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে কোন কাউন্সিল বা সন্মেলন না হওয়ায় দলের পুরানো নেতাদের হাতে দায়িত্ব থাকায় নেতৃত্বের প্রশ্নে তরুণ নেতা-কর্মীদের সু-সম্পর্কে গড়ে ওঠেনি।এমনকি তারা সাধারন ভোটার ও স্থানীয়ভাবে জনশুন্যে পরিনত হয়েছে।
পরে আওয়ামী এলাকা হিসাবে পরিচিত শোভনা, আটলিয়া, গুটুদিয়া, রংপুর, মগুরখালী, শরাফপুর, ভান্ডারপাড়া, রঘুনাথপুরসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন ভোটাররা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এ বছর আমাদের কাছে তেমন কেউ ভোট চায়নি। বাজারে বাজারে প্রার্থীরা ঘুরেছে জানিছি। তাই কেউ কিছু না বলাই ঝামেলায় জড়াতে যাই নি।
এরপর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা পর্যায়ের কয়েকজন নেতা জানান, দলের সকল কমিটির মেয়াদ না থাকায় ঢিলে-ঢালা ভাবে কার্যক্রম চলে আসছে। দলের কর্মীরা এখন নেতাদের কথা শোনে কিন্তু কাজ করে না। আর আমাদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের বিজয়ের ব্যাপারে একটা আর্ত বিশ্বাস ছিল। কিন্তু তা হয় নি।

Need Ads
error: কপি হবে না!