শ্যামলবাংলা ডেস্ক : দ্বিতীয় দফার উপজেলা নির্বাচনে ভোট কারচুপি করা হলে কঠোর কর্মসূচির হুমকি দিয়েছে বিএনপি। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকার ১৯ দলীয় জোটের নেতা-কর্মী ও প্রার্থীদের ওপর ‘আক্রমণের মাত্রা’ বাড়িয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে দলটি। দ্বিতীয় দফায় ১শ ১৬ উপজেলায় নির্বাচনের আগের দিন ২৬ ফেব্রুয়ারী বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ওইসব বক্তব্য তুলে ধরেন।
এসময় তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্নস্থানে ১৯ দলীয় জোটের প্রার্থী নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও আক্রমণের ‘মাত্রা’ বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের অবাধ অপতৎপরতা বন্ধে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নিতে না পারলে আন্দোলনের কঠোর কর্মসূচিতে সারাদেশ উত্তাল করে তোলা হবে।
ঢাকার কেরানীগঞ্জ, নেত্রকোনার কলমাকান্দা, মুন্সিগঞ্জের সদর, ফরিদপুরের নগরকান্দা ও সালথা, কুমিল্লার লাকসাম, ফেনীর পরশুরাম, সিলেটের বালাগঞ্জ, ভোলার বোরহানউদ্দিন, খুলনার ডুমুরিয়া, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারাসহ প্রায় ১৫ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ‘ভোট কারচুপি করে ফলাফল ছিনিয়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র’ চলছে বলেও রিজভী অভিযোগ করেন।
জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে বিএনপিকে জড়িয়ে সংসদে ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন এমপির বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, গত ৫ বছর সরকার বলে আসছে, তারা নাকি জঙ্গিবাদ নির্মূল করেছে। তাহলে কীভাবে ত্রিশালে পুলিশ ভ্যান থেকে ৩ জঙ্গিকে তাদের সহযোগীরা ছিনতাই করল?
বাংলাদেশে কারা জঙ্গিবাদ টিকিয়ে রেখেছে তা জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আওয়ামী লীগকে ‘সন্ত্রাসী দল’ অভিহিত করে রিজভী বলেন, তাদের সঙ্গে জঙ্গিদের কর্মকাণ্ডের অনেক মিল আছে। জঙ্গিদের শিরোমনি শায়খ আবদুর রহমান কোন পরিবারের সদস্য মানুষ ভালোভাবে তা জানে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক কাজী আসাদুজ্জামান, আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করীম শাহিন, যুব দলের অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার ও বেলাল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।