ads

শনিবার , ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মনোহরদী দারুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসা কমিটি দখল করে বিল্ডিং ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছে অবৈধ কমিটি

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৪ ৮:৫৩ অপরাহ্ণ

Monohardi Picture-1এম লুৎফর রহমান, নরসিংদী : মনোহরদী দারুল ইসলাম ট্রাস্ট’র অধীনে পরিচালিত স্বনামধন্য ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মনোহরদী দারুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসাটি প্রভাবশালী মহলের দখলদারীত্বের শিকার হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রবিধান লঙ্ঘন করে মাদ্রাসার কমিটি দখল, হাইকোর্টের রুলনিশি অমান্য করে মাদ্রাসা দখল মাদ্রাসার অসমাপ্ত একটি বিল্ডিং ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছে। চুরি হয়ে গেছে মাদ্রাসার ১০ লাখ টাকার ইট ও নির্মাণ সামগ্রী। অবৈধ কমিটি জেলা শিক্ষা অফিসারের নির্দেশ অমান্য করে মাদ্রাসা কমিটির অবৈধ কার্যকলাপসহ নিয়োগ বানিজ্য চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মনোহরদী দারুল ইসলাম ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মাওলানা মোঃ সামসুউদ্দিন এই অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে মাদ্রাসা কমিটির বর্তমান অবৈধ সভাপতি উপজেলা ভাইস- চেয়ারম্যান নাসিমা পারভীন বোর্ডের প্রজ্ঞাপন লঙ্ঘন করে কমিটির সভাপতির পদ দখল করে রেখেছেন।পক্ষান্তরে মাদ্রাসার জমিদাতা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা মোঃ সামসুউদ্দিন এখন বিচারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ধারে ধারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কেউই তার দিকে সাহায্যের হাত প্রসারিত করছে না।

Shamol Bangla Ads

জানা গেছে, ১৯৮৫ সালে মনোহরদী পৌরসভায় মনোহরদী দারুল ইসলাম ট্রাস্টের ৫ বিঘা জমির উপর মনোহরদী দারুল ইসলাম মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ট্রাস্টের জমি প্রদান করেন ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মাওলানা মোঃ সামসুউদ্দিন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে মাদ্রাসাটি বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ডের প্রবিধানমালা অনুযায়ী ম্যানেজিং কমিটি গঠিত হয়ে ২০০৮ সালের ১০ জুন পর্যন্ত অনুমোদন পায়। কিন্তু ২০০৭ সালের ২৫ মার্চ তারিখে তৎকালীন মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে নিজে সভাপতি হয়ে ৬ সদস্য বিশিষ্ট অবৈধ কমিটি গঠন করে। এই কমিটিতে মাদ্রাসা বোর্ডের কোন অনুমোদন ছিল না। ২০০৯ সালে ১১ নভেম্বর তারিখে পূনরায় ৩ সদস্য বিশিষ্ট আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়। এ ব্যাপারে ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মাওলানা সামসুউদ্দিন মাদ্রাসার বোর্ডের চেয়ারম্যানের নিকট মৌখিক ও লিখিত আপত্তি জানায়। কিন্তু রাজনৈতিক কারনে মাদ্রাসা বোর্ড কোন আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় অবৈধ ম্যানেজিং কমিটিকে চ্যালেঞ্জ করে মাওলানা সামসুউদ্দিন হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। পিটিশন নং ৭৫০৯/২০১১। মহামান্য হাইকোর্ট পিটিশনের উপর শুনানী শেষে একটি রুলনিশি জারী করেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এতে কোন কর্ণপাত করেনি। যার ফলে মাওলানা সামসুউদ্দিনের বিজ্ঞ আইনজীবি অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার নোটিশ জারী করেন। এরপরও বেআইনী কমিটি রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বেআইনীভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং নিয়োগ বানিজ্যের জন্য নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ ব্যাপারে ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মাওলানা সামসুউদ্দিন গত ২০ জানুয়ারী মাদ্রাসাটির সার্বিক অবস্থা অবহিত করে নরসিংদী জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। ২১ জানুয়ারী তিনি মাদ্রাসার বিল্ডিং ভাঙ্গার অভিযোগ এনে নরসিংদীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ২৪/২০১৪। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য মনোহরদী উপজেলা চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। জেলা শিক্ষা অফিসে দায়েরকৃত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর এসআরও নং ৩৫৯ আইন ২০১৩’র সংশোধিত প্রজ্ঞাপনের ১৪(৪) অনুচ্ছেদে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে বিভিন্ন বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদ থেকে সকলকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। অথচ এ প্রজ্ঞাপন অমান্য করে মনোহরদী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা পারভীন বেআইনীভাবে মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটি সভাপতির পদটি দখল করে রেখেছেন এবং এই বেআইনী পদাধিকার বলে তিনি আগামী ৩১ ফেব্রæয়ারী তারিখে মাদ্রাসা লোকবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারী করেছেন। অভিযোগ পত্রে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা পারভীনের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া রোধসহ সকল বেআইনী কার্যক্রম বন্ধের দাবী জানিয়েছেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে জেলা শিক্ষা অফিসার ৩০ জানুয়ারী হাইকোর্টের রিট মোকদ্দমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য অবৈধ কমিটির সভাপতি ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা পারভীনকে চিঠি দিয়েছেন। নাসিমা পারভীন তার রাজনৈতিক ক্ষমতা দেখিয়ে চিঠিটিও গ্রহন করছেন না। উপরন্তু হাইকোর্ট ও জেলা শিক্ষা অফিসের নির্দেশকে অমান্য করে বেআইনী কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!