ads

বুধবার , ১৫ জানুয়ারি ২০১৪ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

তালায় কালাম হত্যা মামলা : আদালতের নির্দেশে সিআইডিতে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জানুয়ারি ১৫, ২০১৪ ১:১১ অপরাহ্ণ

package pic 14.01.14সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালায় আলোচিত দোকান কর্মচারী আবুল কালাম হত্যা মামলার পূণঃতদন্তের আদেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোঃ এরশাদ আলী দীর্ঘ শুনানী শেষে সিইডি সাতক্ষীরা কে মামলাটির পুনরায় তদন্তের আদেশ প্রদান করেন।

Shamol Bangla Ads

মামলার বিবরণে জানা গেছে, পাটকেলঘাটা বাজারের নিত্যানন্দ সাধুর নিউ মাতৃ স্টোরে কর্মচারী হিসেবে আবুল কালাম (২৮) দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছিল। ২০১২ সালের ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোকানের ৪০ হাজার চুরির অপবাদ দিয়ে কয়েক দফায় মারপিট ও শারিরিক নির্যাতন করে। একপর্যায়ে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে নিজ বাড়ীতে ্িচকিৎসাধীন অবস্থায় ১ সপ্তাহ পর ৫ নভেম্বর দিনগত রাত ৩টার দিকে মারা যায়। এঘটনায় নিহতের পিতা আমীর আলী খাঁ বাদী হয়ে নির্যাতনকারী নিত্যানন্দ সাধু,শ্যালক সুকুমার সাধু, জামাই তাপস পাল ও বন্ধু নজরুল মোড়লকে আসামী করে ৬ নভেম্বর পাটকেলঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৩, ধারা-৩০২/৩৪পিসি। এ হত্যার রহস্য উদঘাটনের জন্য ১৫ নভেম্বর ময়না তদন্ত শেষে হৃদপিন্ডের প্যাথলজিক্যাল টেস্ট ও পাকস্থলীর খাবার রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানকার প্যাথলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নাজমুল হক তার রিপোর্টে কোন বাহ্যিক আঘাত সনাক্ত করা যায়নি উলে¬খ করেন এবং হৃদপিন্ড প্যাথলজিক্যাল টেস্টে উলে¬খযোগ্য পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়নি বলে মতামত দেন। এছাড়া সিআইডির রাসায়নিক পরীক্ষক মোঃ কায়সার রহমান পাকস্থলীর খাবারে বিষ পাওয়া যায়নি বলে মতামত দেন। এদিকে নিহতের পিতার অভিযোগ, পাটকেলঘাটা থানার এসআই আশরাফুর রহমান নিহতের লাশ উদ্ধারপূর্বক সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন। প্রস্তুতকৃত সুরতহাল রিপোর্টে নিহতের পিতা ও কুমিরা ইউপি চেয়ারমানসহ ১০জনকে স্বাক্ষী করা হয়। পুলিশ এ হত্যা ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্যে সুরতহাল রিপোর্টে নিহতের মাথার ডানপার্শ্বে আঘাতের চি‎হ্ন কেটে পুরাতন ছোলা জখম,ডানঘাঁড় ও বামকাঁধে রক্তজমাটের স্থলে স্বাভাবিক অবস্থা,বামপার্শ্বের অন্ডকোষে রক্তের দাগের স্থলে ছোলাজখম এবং ডানপার্শ্বে অন্ডকোষ ফোলার স্থলে স্বাভাবিক লেখা হয়েছে। সুরতহাল রিপোর্টের স্বাক্ষীদের সাথে আলাপ করলে তারা জানান-স্বাক্ষরের সময় সুরতহাল রিপোর্টে কোন কাটাকাটি ছিলনা । এ মর্মে সকল স্বাক্ষীরা আদালতে লিখিত জবানবন্দী দাখিল করেছেন। মামলার বাদীর অভিযোগ কালাম হত্যা মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অমল কুমার রায় দীর্ঘদিন তদন্তে নামে সময়ক্ষেপন করে বদলী হয়ে চলে যান। এরপর এসআই বিপ¬ব কান্তি মন্ডল তদন্তভার গ্রহন করে আসামীদের নিকট থেকে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে নিহতের পরিবারকে কিছু না জানিয়ে সকল আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থেকে অব্যহতির জন্য গত বছরের ১৮মে আদালতে চুড়ান্ত রিপোর্ট (ফাইনাল) দাখিল করেন। এঘটনায় মামলার বাদী পুত্র হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের দাবীতে আদালতে নারাজিপত্র দাখিল করেন। প্রায় ৮মাস পর আদালত নারাজিপত্র আমলে নিয়ে গতকাল দীর্ঘ শুনানী শেষে মামলাটি পনরায় তদন্তের আদেশ দেন। বাদীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা জজ আদালতের আইনজীবি আ.ক.ম শামছুদ্দোহা খোকন।

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

error: কপি হবে না!