ads

মঙ্গলবার , ৭ জানুয়ারি ২০১৪ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বগুড়াসহ বিভিন্ন উপজেলায় ১৮ দলের হরতাল পালিত

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জানুয়ারি ৭, ২০১৪ ১:২৯ পূর্বাহ্ণ

R-1এস.গুলবাগী, বগুড়াঃ সদ্য অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল এবং নেতাকর্মি হত্যার প্রতিবাদে ১৮ দলীয় জোটের ডাকা ৪৮ ঘন্টার হরতাল বগুড়ায়সদর সহ বিভন্ন উপজেলায় সর্বাত্মক হরতাল পালিত হয়েছে। হরতালের সমর্থনে সকালে শহরে মিছিল, বিকেলে সমাবেশ এবং দিনভর পিকেটিং করেছে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের কর্মিরা। ১৮ দলের সমাবেশ থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দিয়েছেন নেতারা।
হরতাল ও অবরোধের সমর্থনে শহরের ইয়াকুবিয়া স্কুল মোড় থেকে মিছিল বের করে ১৮ দল। মিচিলটি সাতমাথা ঘূওে নবাববাড়ী সড়কে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। বিকেলে টিটু মিলনায়তনের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের জেলা আমির অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, নায়েবে আমির মাওঃ আলমগীর হুসাইন, বিএনপির সাধারন সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, ইসলামী ঐক্যজোটের সভাপতি ইঞ্জিঃ শামসুল হক, জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি এ্যাড. রিয়াজ উদ্দিন, অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের জেলা সেক্রেটারি মুফতি আব্দুল ওয়াহেদ, বিএনপি নেতা রেজাউল করিম বাদশা, শহর বিএনপি সভাপতি মাহবুবুর রহমান বকুল, জামায়াতের শহর আমির অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি মাজেদুর রহমান জুয়েল, যুবদল সভাপতি সিপার আল বখতিয়ার, শহর শিবিরের সভাপতি আলাউদ্দিন সোহেল, সেক্রেটারি রেজাউল করিম, উত্তর জেলা সভাপতি আল আমিন, দক্ষিণ জেলা সভাপতি সাইয়্যেদুল আলম প্রমূখ।
আমাদেও শেরপুর প্রতিনিধি জানান, পুলিশি বাধায় বগুড়ার শেরপুরে বিএনপির নেতৃত্ত¡াধীন ১৮দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ শেষ পর্যন্ত পণ্ড হয়ে গেছে। প্রহসনের নির্বাচন বাতিল ও নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা পুনবর্হালের দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত হরতাল ও অবরোধের সমর্থনে গতকাল সোমবার বিকেলে এ বিক্ষোভ-সমাবেশের আয়োজন করা হয়। পৌরশহরের খন্দকারপাড়াস্থ মাদ্রাসা গেট থেকে বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি বাসষ্ট্যান্ডের উদ্দেশ্যে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক হয়ে আসার চেষ্টা করলে পুলিশ ধুনটমোড় এলাকায় বাধা দেয়। এতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডতা হয়। এসময় আশেপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে উক্ত স্থানেই উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করা হয়। একপর্যায়ে সমাবেশেও পুলিশ বাধা দিলে তা পণ্ড হয়ে যায়। ওই কর্মসূচিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কেএম মাহবুবার রহমান হারেজ, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মানছুরুর রহমান, সহকারি সেক্রেটারি কাজী আবুল কালাম আজাদ, রেজাউল করিম বাবলু, বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম মিন্টু, মোস্তাফিজুর রহমান নিলু, তৌহিদুজ্জামান পলাশ, মজনুর রহমান মজনু, ছাত্রদল নেতা আরিফ হোসেন, সোহেল রানা, শিবির নেতা মহসিন আলী, আব্দুল হালীম, সাখাওয়াত হোসেনসহ জোটের কয়েকশ নেতাকর্মী অংশ নেন।
এদিকে জোটের শান্তিপুর্ন মিছিলে পুলিশের বাধা দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান ও জামায়াতের আমির মানছুরুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ১৮দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা গণতান্ত্রিক পন্থায় শান্তিপুর্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে এবং যাবে। তাই আগামিদিনে জোটের শান্তিপুর্ন কোন কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হলে তা প্রতিহত করা হবে বলেও তাঁরা ঘোষণা দেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান মিজান কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

error: কপি হবে না!