বুধবার , ১ জানুয়ারি ২০১৪ | ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নিজ পৌরসভার কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে টিআর আত্মসাতের অভিযোগ মেয়রের

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জানুয়ারি ১, ২০১৪ ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
নিজ পৌরসভার কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে টিআর আত্মসাতের অভিযোগ মেয়রের

তানোর প্রতিনিধি: রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা পৌরসভার বেশ কয়েকজন কাউন্সিলারদের বিরুদ্ধে টিআর আত্মসাৎ করার অভিযোগ করেছেন মেয়র গোলাম রাব্বানী। গত ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নিকট এঅভিযোগ করেন তিনি।

Shamol Bangla Ads

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১১-১২ ও ২০১২-১৩ অর্থবছরে উপজেলার মুন্ডুমালা পৌরসভার রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য পৃথক ভাবে ১১৬ মেট্রিনটন গ্রামিন অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচি (টিআর) বরাদ্দ পায়। এসব টিআর পৃথক অর্থবছরে ৬টি প্রকল্পের মাধ্যমে ১২ মেট্রিকটন বরাদ্দ পায় পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নাহিদ হাসান, ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান ও সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলর সখিনা বেগম। বরাদ্দকৃত এসব টিআর কাউন্সিলর ও তাদের গণিষ্ঠজনদের প্রকল্প সভাপতি বানিয়ে তা উত্তোলন করে কোন কাজ ছাড়াই আত্মসাৎ করেন।

অভিযোগে প্রকাশ, ২০১১-১২ অর্থ বছরে পৌরসভার জোতগবির ভারতপাড়ায় পানির ট্যাংক নির্মাণের জন্য ২.৬৭ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। ওই প্রকল্পের বরাদ্দ উত্তোলনের জন্য কাউন্সিলর নাহিদ হাসান নিজেই সভাপতি সেজে বরাদ্দের চাল উত্তোলন করেন। কিন্তু বরাদ্দের চাল উত্তোলন করা হলে আজো পানির ট্যাংক স্থাপন করা হয়নি।

Shamol Bangla Ads

একই অর্থবছরে পৌরসভার চোরখোর হাসনাপাড়া গোরস্থান উন্নয়ন কাজে ১.৬৭ মেট্রিকটন টিআরের চাল বরাদ্দ করা হয়। কাউন্সিলর মোস্তাফিজুর রহমান নিজেই ওই প্রকল্পের সভাপতি সেজে বরাদ্দকৃত টিআর উত্তোলন করে কোন কাজ ছাড়াই তা আত্মসাৎ করেন। একই নিয়মে নারী কাউন্সিলর সখিনা বেগম জোতগরিব ওয়াক্তিয়া মসজিদের নামে ১ মেট্রিকটন টিআরের চাল বরাদ্দ করে তা আত্মসাৎ করেন।
এছাড়া এসব কাউন্সিলররা গত ২০১২-১৩ অর্থবছরে দুটি ওয়াক্তিয়া মসজিদের নামে ৪ মেট্রিকটন ও রাস্তায় মাটি ভরাটের নামে ২ মেট্রিকটন টিআর বরাদ্দ নিয়ে নিজেরাই প্রকল্প কমিটি তৈরি করে বরাদ্দের চাল উত্তোলন করেন। কোন কাজ ছাড়াই এভাবে প্রকল্পের বরাদ্দ উত্তোলন করে কাউন্সিলররা আত্মসাৎ করায় মেয়র ক্ষুব্ধ হয়ে কাউন্সিলরদের লিখিত ও মৌখিক ভাবে তাগাদা দিলেও তারা কোন কিছুর তোয়াক্কা করছেন না। ফলে নিরুপাই হয়ে স্থানীয় জনগণের চাপের মূখে মেয়র কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে অভিযোগ করেছেন।
এনিয়ে কাউন্সিলার নাহিদ হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, মেয়র তাদের ভাল চাই না বলে শুধু তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। শুধু তারা নন তাদের মত একই নিয়মে অন্য কাউন্সিলররা কোন কাজ না করেই বরাদ্দকৃত টিআর আত্মসাৎ করেছেন। তারা মেয়রের বিপক্ষে অবস্থান করছেন বলে মেয়র তাদেরকে ফাঁসানোর জন্য লিপ্ত রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
এনিয়ে মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র গোলাম রাব্বানী জানান, এলাকার জনগণ তার কাছে এসব কাউন্সিলদের বিরুদ্ধে টিআরের গম আতœসাতের অভিযোগ করেছেন। তিনি কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে নন তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে জনগণের হয়ে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে অভিযোগ করেছেন। এসব কাউন্সিলররা কোন কাজ না করে বরাদ্দকৃত টিআর আত্মসাৎ করেছেন কি না এব্যাপারে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি আশাবাদী।
এব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ বলেছেন, মুন্ডুমালা পৌরসভার বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে মেয়র নিজেই অভিযোগ করেছেন। তিনি মেয়রের অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন। তদন্তে কাউন্সিলরদের অনিয়ম বেরিয়ে আসলে কাউন্সিলদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

error: কপি হবে না!