ads

শনিবার , ৩০ নভেম্বর ২০১৩ | ৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নীলফামারীতে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত হল পশ্চিম খড়িবাড়ি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
নভেম্বর ৩০, ২০১৩ ৩:১৮ অপরাহ্ণ

Nilphamari__District_Map_Bangladesh-3এম. এ করিম মিষ্টার, নীলফামারী : নীলফামারীর ডিমলায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের দায়িত্ব-কর্তব্য অবহেলায় একটি বিদ্যালয়ের প্রাথমিক সমাপনী শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, ২০ নভেম্বর সারাদেশে শুরু হয়েছে প্রাথমিক সমাপনী ও এবতেদায়ী পরীক্ষা। এতে জেলার ডিমলা উপজেলায় প্রাথমিক ২শ ৬২টি বিদ্যালয় ও ২৩টি এবতেদায়ী মাদ্রাসার মোট ৭ হাজার ৪শ ৯৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে উত্তর সুন্দরখাতা (পূর্ব মসজিদপাড়া) বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব সাতজান বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ তিতপাড়া খানাবাড়ি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাকিনা চাপানি নবদিগন্ত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর ঝুনাগাছ চাপানি আদর্শ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম ছাতনাই বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরদারহাট তেলিপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম খড়িবাড়ি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব ছাতনাই পূর্বপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ খড়িবাড়ি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মধ্য কাঁকড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অপর ১১টি বেসরকারি বিদ্যালয় সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে হাইকোর্টে রিট করেন। রিট পিটিশন নং-১১৭১২/২০১৩।
আদালতের বিজ্ঞ বিচারক নাইমা হায়দার ও জাফর আহম্মেদের বেঞ্চে শুনানি শেষে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পক্ষে রায় প্রদান করেন। রায় অনুযায়ী ওই ১১টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও ৩য় (ইংরেজি) পরীক্ষার দিন পশ্চিম খড়িবাড়ি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্র হতে পশ্চিম খড়িবাড়ি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের বের করে দেন কেন্দ্র সচিব আনছারুল ইসলাম।
এ ব্যাপারে আনছারুল ইসলাম জানান, ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষককে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছি। তারা কোনো যোগাযোগ না করায় নির্দেশে আমি পরীক্ষার্থীদের বের করে দিয়েছি। এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লুনা লায়লার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

Need Ads
error: কপি হবে না!