দিনাজপুর সংবাদদাতা : দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দিনাজপুরের ৬টি আসনে গণসংযোগ, সভা-সমাবেশ ও বিভিন্ন সামাজিক আচার অনুষ্ঠানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের উপস্থিতি লক্ষণীয়। আসনগুলোতে আওয়ামী লীগ ও প্রধান বিরোধী দল বিএনপি’র একাধিক নেতা নির্বাচনে অংশ নেয়ার ব্যাপারে তৃলমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত মনোনয়ন পেতে জোর লবিং-গ্র“পিং চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক দল জাতীয় পার্টি ও ১৮ দলীয় জোটের নেতৃত্বাধীন অন্যতম শরিক দল জামায়াতে ইসলামীর নেতারাও মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশায় মাঠে রয়েছেন। প্রতিদিনই তারা নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগ, সভা-সমাবেশ, মতবিনিময়সহ শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করছেন। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুরের ৬ টি আসনই আওয়ামী লীগের দখলে চলে আসে। নবম জাতীয় সংসদ নির্বচনের পর এমপিদের তৃণমূূলের সাথে যোগাযোগ না থাকায় ও এলাকায় দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন না হওয়ায় দিনাজপুরে সবকটি আসনেই সাধারণ মানুষের মাঝে চলছে হতাশা ও চাপা গুঞ্জন। এখানে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্বত্রই সাধারণ দিনমজুর, শ্রমিক, রিক্সাচালক, চাকুরীজীবিসহ বেশিরভাগ মানুষ মনে করে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন দল নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হলে জেলার ৬টি আসনই বিএনপি তথা ১৮ দলীয় জোটের ঘরে উঠতে পারে।

দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) : বীরগঞ্জ এবং কাহারোল উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-১ আসনের বর্তমান এমপি জাগপা ও জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মনোরঞ্জন শীল গোপাল। পরে তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করে নৌকার টিকিটে পরপর দু’বার বিজয়ী হন তিনি। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনিই এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে পারেন। এ আসন থেকে বিএনপি’র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপ্রত্যাশী বীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মনজুরুল ইসলাম মনজু। তিনি এলাকায় ব্যাপক গনসংযোগ, সভা-সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা শুরু করেছেন। তাঁর সমাজ সেবামূলক কার্যকলাপের কারণে ইতোমধ্যেই তিনি যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এ আসন থেকে তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত।
এছাড়া এ আসন থেকে জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষযক সম্পাদক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব এ্যাড. হামিদুল ইসলাম, জামায়াতের প্রার্থী বর্তমান বীরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাওলানা মোহাম্মদ হানিফ, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি আলতাফ হোসেন, বীরগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিনুর ইসলাম, এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর ডা. মোফাখ্খারুল ইসলাম মনোনয়ন প্রার্থী হবেন বলে জানা গেছে।
দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) : বিরল ও বোচাগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি সাবেক প্রতিমন্ত্রী আব্দুর রৌফ চৌধুরীর পুত্র এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। এবারও তিনি এ আসনের মনোনয়ন পেতে শতভাগ আশাবাদী। প্রয়াত আব্দুর রউফ চৌধুরীর সুনাম, খ্যাতি ও খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর ব্যক্তিত্বের প্রভাবে তিনি আবারও বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ আসনে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বর্ষিয়ান জননেতা সতীশ চন্দ্র রায় মনোনয়ন পাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। এ নিয়ে তৃণমূলে কিছুটা দ্বন্দ্বও রয়েছে। সৃষ্ট দ্বন্দ্ব নিরসন করা না গেলে খেসারত দিতে হতে পারে আওয়ামী লীগকে।
অন্যদিকে এ আসনের সাবেক এমপি বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক সেনা প্রধান লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান দিনাজপুর-৩ আসন থেকে মনোনয়ন প্রাপ্তির চেষ্টা চালাচ্ছেন। সেটি না পেলে তিনি দিনাজপুর-২ আসন থেকে মনোনয়ন পেতে পারেন। তবে এ আসনে তার জনপ্রিয়তার কমতি রয়েছে।
এছাড়া এ আসন থেকে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সেতাবগঞ্জ পৌর বিএনপি’র উপদেষ্টা আলহাজ্ব মো. সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক দশম জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়নের ব্যাপারে আশাবাদী। ইতোমধ্যে তিনি এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারনা চালাচ্ছেন। সে হিসেবে তাকে এ আসন থেকে মনোনয়ন দিলে তিনি বিজয়ী হতে পারেন বলে এলাকাবাসির অভিমত।
এছাড়াও এ আসন থেকে বোচাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’ সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মঞ্জুরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ড. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী জীবন, জাতীয় পার্টির নেতা এ্যাড. সুধীর চন্দ্র শীল ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর হাফেজ তাজুল ইসলামসহ সকলে দলীয় মনোনয়ন পেতে তৎপর রয়েছেন।
দিনাজপুর-৩ (সদর) : দিনাজপুর জেলার প্রেস্টিজ ইস্যু বলে পরিচিত দিনাজপুর-৩ আসনটি কেবলমাত্র সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের ইকবালুর রহিম। দশম জাতীয় নির্বাচনে তিনি এ আসনের মনোনয়ন পেতে পারেন। তবে এ আসনটিতে আওয়ামী লীগের অর্ন্তদ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। একটি হচ্ছে মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার গ্র“প, অপরটি বর্তমান সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিম গ্র“প। ওই দলীয় কোন্দলের পাশাপাশি ইকবালুর রহিমের দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে দূরত্ব বজায় রেখে চলা, জনসম্পৃক্ততা না রাখায় ইকবালুর রহিমকে মনোনয়ন দিলে আসনটি আওয়ামী লীগের হাতছাড়া হবে বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরাই মনে করছেন।
দিনাজপুর সদর আসন পুরুদ্ধারের জন্য জেলা বিএনপি ও সকল অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের দাবি বিএনপি’র চেয়ারর্পাসন ও ১৮ দলীয় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিজেই প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। তাদের দাবী সদর আসনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ আসনে বেগম জিয়া নির্বাচন করলে বাকী ৫টি আসনেও ১৮ দলীয় জোট প্রার্থীদের উপর প্রভাব পড়বে।
অপরদিকে এ আসন থেকে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হয়ে সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরে যান জাগপা কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল আলম প্রধান। এ আসনে বেগম জিয়া প্রার্থী না হলে শফিউল আলম প্রধানই সম্ভাব্য প্রার্থী। এছাড়া বর্তমান দিনাজপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান জেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্র নেতা মুকুর চৌধুরী, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী খুরশিদ জাহান হক’র ছেলে শাহরিয়ার আক্তার হক ডন, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আহমেদ শফি রুবেল এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মাওঃ জামাল উদ্দিন মনোনয়ন প্রত্যাশী।
দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) : চিরিরবন্দর ও খানসামা উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনটির বর্তমান সংসদ সদস্য দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পূণর্বাসন ও ত্রানমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। কিন্তু তিনি নির্বাচনে বিজয়ী হবার পর থেকে বেশীরভাগ সময় ঢাকাতে অবস্থান করায় জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে।
আর এ আসনে সকল কারণ বিবেচনায় বিএনপি’র সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নির্বাহী সদস্য আখতারুজ্জামান মিয়াকে যদি ১৮ দলের একক প্রার্থী দেয়া যায়, তাহলে ১৮ দলের প্রার্থীর বিজয় লাভের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। তিনি গত ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী হাফিজুর রহমান প্রার্থী না হলে আখতারুজ্জামান মিয়ার বিজয় অনেকটাই নিশ্চিত ছিল। তার জনপ্রিয়তা কমেনি বরং বর্তমানে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া এ আসন থেকে জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি শিল্পপতি আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান, জেলা জামায়াত নেতা ও চিরিরবন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আফতাব উদ্দীন মোল্লা, জেলা আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এ্যাড. আব্দুল হালিম, সাবেক হুইপ ও গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমান মানু, আওয়ামী লীগ তরিকুল ইসলাম আওয়ামী লীগের মনোনয়নের টিকিট পাওয়ার জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) : ফুলবাড়ি এবং পার্বতীপুর এ দু’টি উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনের বর্তমান জেলা আওয়ালী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী এ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার। তিনি এ আসন থেকে পরপর ৫ বার নির্বাচিত হয়েছেন। জনপ্রিয় এই ব্যক্তিত্ব দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়ী হয়ে ডাবল হ্যাটট্রিকের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন।
তবে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাবেক এমপি এজেডএম রেজওয়ানুল হক আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন পেলে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারেন বলে এলাকার বিদগ্ধজনেরা মনে করছেন। জাতীয় পার্টি যদি এককভাবে নির্বাচন করে তাহলে এ আসনে জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সম্পাদক এ্যাড. নূরুল ইসলাম প্রার্থী হতে পারেন। জেলা বিএনপি’র সদস্য ও পার্বতীপুর উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পদক এস এম জাকারিয়া বাচ্চু এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী। তাঁর জনসেবামূলক কার্যকলাপের কারণে তিনি ইতোমধ্যেই যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। এছাড়াও এ আসন থেকে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও জেলা বিএনপি’র সদস্য আলহাজ্ব মনসুর আলী সরকার, পার্বতীপুর উপজেলা জাপা’র সভাপতি আব্দুল গফুর এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাজী মোঃ আবু সায়েম এ আসনে মনোনয়ন পেতে রবিং-গ্র“পিং চালিয়ে যাচ্ছেন।
দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর) : ক্ষমতার রদবদলের আসন হিসাবে পরিচিত এ আসনটি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাাচনে ধরে রাখতে আশাবাদী আওয়ামী লীগ। ১৮ দলের পক্ষে আসনটিতে জামায়াতের প্রার্থী দেয়া হলেও এবারে জয়ের প্রত্যাশা করছে বিএনপি ও। উভয় দলে গ্র“পিং থাকার কারনে প্রার্থী দিতে ভূল করলে ভরাডুবির আশংকা রয়েছে উভয়েরই। এবার উভয় দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সংখ্যা একাধিক। নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনের সম্ভাব্যপ্রার্থীদের শুভেচ্ছা সংবলিত বিলবোর্ড, পোষ্টার ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে। ১৮ দলীয় জোট ও ১৪ দলীয় মহাজোটের প্রায় এক ডজন প্রার্থী ওই সব শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আসনটিতে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আ’লীগ যেমন তাদের কর্মতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন, তেমনি বিএনপি জামায়াতও কোমর বেধে মাঠে নেমেছে। আসনটিতে দেশ স্বাধীনের পর থেকে একাধারে পর পর কেউই আসনটি ধরে রাখতে পারে নি। তবে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটি উদ্ধার করে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান চৌধূরী। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন আজিজুল হক চৌধুরী।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন ১৮ দলের পক্ষে ড্যাবের মহাসচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, নবাবগঞ্জ থানা বিএনপি’র সভাপতি লুৎফর রহমান মিন্টু, সহ-সভাপতি ডা. মশিউর রহমান, জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলাম ও জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের কেন্দ্রিয় আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. নুরুন্নবী। অপরদিকে আওয়ামী লীগের পক্ষে রয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আজিজুল হক চৌধুরী, নবাবগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শিবলী সাদিক, নবাবগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাঃ সম্পাদক আতাউর রহমান, ঘোড়াঘাটের মোঃ আলী ফেরদৌস খোকন, বিরামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান ও কেন্দ্রিয় যুবলীগের সদস্য সুলতানা আক্তার বর্ষা । এছাড়াও জাতীয় পার্টির দিনাজপুর জেলা সভাপতি দেলোয়ার হোসেনও চাইতে পারেন মনোনয়ন। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পাখা মার্কা প্রতিক দিয়ে চরমোনাই পীর সাহেবের দলের পক্ষে অধ্যক্ষ মাও: মো. মোজাহার আলী সরকার। এ আসনটিতে মূলত: লড়াই হবে জোট-মহাজোটের মধ্যেই।




