ads

মঙ্গলবার , ১২ নভেম্বর ২০১৩ | ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

দলে গ্রুপিং : মহম্মদপুরে অস্তিত্ব সংকটে বিএনপি

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ১২, ২০১৩ ৬:১২ অপরাহ্ণ
দলে গ্রুপিং : মহম্মদপুরে অস্তিত্ব সংকটে বিএনপি

 মোঃ কামরুল হাসান,মহম্মদপুর (মাগুরা) :   মহম্মদপুরে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে বিএনপি। চারদলীয় জোট সরকার ২০০৭ সালে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়ার পর মহম্মদপুরে রাজনৈতিকভাবে বিএনপি দুর্বল হয়ে পড়ে। আর সে অবস্থা থেকে নেতারা এখনো বেরিয়ে আসতে পারে নি। ফলে নেতা-কর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশা আর দ›দ্ধ। বিএনপি ক্ষমতায় থাকা কালে যে সব নেতা-কর্মী অফিস আদালতে দাপিয়ে মহম্মদপুরে বিএনপিকে বিতর্কিত করেছিলেন তাদের এখন আর দলীয় কোন কর্মসূচিতে দেখা যায় না। আবার উপজেলা বিএনপির মুল রাজনীতি দৃটি গ্র“পে বিভক্ত হওয়ায় অদ্যাবধি কোন হরতাল বা দলীয় কর্মসূচী পালন করতে পারেন নাই।
উপজেলার বর্তমান বিএনপির দুটি গ্র“প রয়েছে। এক গ্র“পের বর্তমান সভাপতি মোঃ আলীমুজ্জামান এবং সাধারন সম্পাদক খাঁন জাহাঙ্গীর আলম বাচ্চু। অপর গ্র“পের সভাপতি সৈয়দ আলী করিম ও সাধারন সম্পাদক মোঃ আক্তারুজ্জামান। উভয় গ্র“পের দলীয় কার্যালয় ও দুটি। একটি শহীদ রওশন মার্কেটের নীচ তলায় অপরটি কলেজ রোডের হান্নান মার্কেটে। বেশীর ভাগ ছাত্র নেতারা আলীমুজ্জামান গ্র“পে থাকায় ছাত্রদল নিয়ন্ত্রন করছেন এই গ্র“পটি। তারপর বিএনপির প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ এই গ্র“পের সাথে সম্পৃত্ত থাকায় অনেকাংশে সক্রিয় অবস্থান ধরে রেখেছেন বলে তার অভিমত ব্যক্ত করেছেন। অধ্যক্ষ মৈমুর আলী মৃধা, প্রভাসক রইস উদ্দিন, যুবদলের সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম আলীমুজ্জামান গ্র“পে থাকায় তারা নিজেদের পাল­াকে সব সময় ভারি মনে করেন। আবার যুব দলের অধিকাংশ নেতারা সৈয়দ আলী করিম গ্র“পে থাকায় এই গ্র“পটি ও মোটামুটি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এই গ্র“পের পোষ্ট ফোলিয় নেতৃবৃন্দ যারা গ্র“প টিকিয়ে রাখতে রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন তারা হলেন,  অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, মিজানুর রহমান কাবুল, যুবদলের সভাপতি মোঃ কবির হোসেন, সাধারন সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান। তারাও নিজেদের গ্র“পটিকেই শক্তিশালী বলে মনে করে থাকেন।
তবে জেলা বিএনপিতে  দু’টি গ্র“পের জের ধরে মহম্মদপুর বিএনপি দু’টি ভাগে বিভক্ত রয়েছে বলে সাধারন নেতা-কর্মীরা তাদের অভিমত ব্যক্ত করেছেন। এ্যাড. নিতাই রায় চৌধুরী নিয়ন্ত্রিত জেলার কবির মুরাদ গ্র“পের সাথে রয়েছে মহম্মদপুরের আলীমুজ্জামান গ্র“পটি আর সাবেক এমপি কাজী কামাল নিয়ন্ত্রনাধীন  কাফুর গ্র“পের সাথে রয়েছে সৈয়দ আলী করিম গ্র“পটি। বিএনপির উভয় গ্র“পের রাজনীতি অফিস কেন্দ্রিক ও পোষ্টারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আবার দুটি দলীয় কার্যালয়ই অধিকাংশ সময়ই ব›দ্ধ থাকায় নির্ধারিত দলীয় কর্মসূচীতে নেতা-কর্মীরা সমন্বয়হীনতায় ভূগে থাকেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতা জানান, দলের বিরাজমান দ›েদ্ধর নিরসন না হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে। আবার দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন লাভের প্রত্যাশায় এ্যাড. নিতাই রায় চৌধুরী ও কাজী কামাল পৃথক ভাবে বড় বড় বিলবোর্ড, ডিজিটাল ব্যানার ও পোষ্টারের মাধ্যমে নিজেদের কে এলাকার মানুষের কাছে উপস্থাপন ও জনসংযোগের  নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ ব্যাপারে মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির  সভাপতি মোঃ আলীমুজ্জামান বলেন, প্রশাসনের বাধার কারণে আমরা প্রকাশ্যে কোন কর্মসূচি পালন করতে পারছি না। দলের গ্র“পিংয়ের ব্যাপারে বলেন, দল বড় হলে গ্র“পিং থাকবে। তবে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে দুরত্ব কমানোর জন্য ইতি মধ্যেই আমরা সাংগঠনিক পদক্ষেপ গ্রহন করেছি। অপর গ্র“পের সাধারন সম্পাদক  মোঃ আক্তারুজ্জামান বলেন, বিএনপির অস্তিত্ব হারানোর কিছু নেই এবং নেতা-কর্মীদের হতাশ হওয়ার ও কিছু নেই। আমাদের মধ্যে নেতৃত্বের লড়াই আছে বলেই দলের মধ্যে গ্র“পিং আছে। সময় হলে তাও থাকবে না।

Need Ads
error: কপি হবে না!