ads

শুক্রবার , ১ নভেম্বর ২০১৩ | ১৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নীলফামারীতে আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে চাষীরা

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক - ফটো কার্ড
নভেম্বর ১, ২০১৩ ৫:১১ অপরাহ্ণ

Potetoএম. এ করিম মিষ্টার, নীলফামারী : আগাম জাতের ধান ঘরে তুলে এখন আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার পার্শ্ববর্তী কিশোরীগঞ্জের আলু চাষীরা। আগাম জাতের আলু চাষ করে লাভবান হওয়ায় বরাবরের মতো এবারও চাষ করছেন কৃষক। আগাম জাতের ধান ঘরে তুলে এখন মহাব্যস্ত আগাম আলুর পরিচর্যায় এবং তোলার কাজে। আগাম জাতের আলু চাষ করে কৃষক যেমন ভালো দামের আশা করছেন তেমনি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে কর্মসংস্থানেরও।
কিছুদিন আগে আগাম জাতের ধান ব্রি-৩৩, ব্রি-৩৯, ব্রি-৪৯, ব্রি-৫৬ ও বীণা-৭ ধান ঘরে তুলেছেন কৃষক। সেই জমিতে এখন আগাম আলুর বীজ বুনছে, কেউবা আগাম আলুর বীজ লাগিয়ে বিক্রির জন্য তুলছেন। গত বছরের ভালো ফলন তাদের আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে। তুলনামুলক কম সময় লাগে বলে এ আলু চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেশি বলে জানিয়েছেন তারা। সেপ্টেম্বর শেষ বা অক্টোবরের মুরুতেই আলু জমিতে লাগিয়েছেন কৃষক। নভেম্বরের শুরু বা ডিসেম্বরের শুরুতেই এ আলু বাজারে উঠবে বলে আশা করছেন আলু চাষীরা।
জেলার কিশোরীগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের গাংবের গ্রামের আলু চাষী আলহাজ্ব আবুল কালাম আজাদ জানান, আগাম জাতের আলু চাষ করে ভালো দাম পাওয়া যায়। তাছাড়া ৬০-৬৫ দিনের মধ্যে এ আলু ক্ষেত থেকে তোলা যায় বলে কৃষকদের আলু চাষের আগ্রহ বেশি। পানিয়ালপুকুর এলাকার আলু চাষী মোছারুল ইসলাম জানান, গতবার পাঁচ বিঘা জমিতে আলু আবাদ করলেও এবার দ্বিগুণ করেছেন। গতবার ভালো দাম পেয়েছেন বলে জানান তিনি। সোনারায় ইউনিয়নের বেড়াডাঙ্গা গ্রামের কৃষক কামরুজ্জামান জানান, ভালো দামের আশায় তিনি এবার ১৭ বিঘা জমিতে আগাম আলু চাষ করেছেন।
ফসলের মাঠে কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের বসে থাকার সময় নেই। প্রচুর কাজ হাতে। কাজ করে শেষ করতে পারছে না। শ্রমের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বছরের এই সময়টা যে কৃষি শ্রমিকরা রাজধানী বা অন্যান্য শহরে দিন মজুরী  করতে যেতেন, তারা মাঠেই রয়ে গেছেন। জিয়ারুল নামে এক কৃষি শ্রমিক জানান, আগে এ সময়টা কোন কাজ থাকতো না। এখন আগাম আলু চাষ হওয়ায় কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বেলাল নামের আরেক কৃষি শ্রমিক জানান, আগে বেকার থাকতে হতো আর এখন অঅলু ক্ষেতে কাজ করে প্রতিদিন ২ শ’ ৫০ থেকে ৩শ’ মজুরী পাওয়া যাচ্ছে। একই কথা জানালেন কয়েকজন শ্রমিক। নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র মতে, এবার জেলায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মহসীন রেজা রুপম বলেন, আগাম আমন ধান ঘরে তুলে কৃষক আগাম জাতের আলু চাষ করেন। জেলার মধ্যে কিশোরীগঞ্জে আগাম আলুর চাষ হয় বেশি। আগাম আলু ঘরে তুলে সরিষা বা দ্বিতীয় ও তৃতীয় বারের মতো আলু চাষ করবেন কৃষক।

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads