নয়ন বাবু, সাপাহার (নওগাঁ) : সাপাহারে কলেজ ছাত্রীকে ইভটিজিং এর দায়ে অভিযুক্ত বকুল হোসেন (৩৮) নামের এক ব্যক্তিকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসী। ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকেলে ওই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কলমুডাঙ্গা চৌমহনী গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের কন্যা ও কলেজ ছাত্রী (১৯) কে বিভিন্ন সময় বলদিয়াঘাট গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে বকুল হোসেন (৩৮) বিভিন্ন সময়ে উত্যক্ত করে আসছিল। এ বিষয়ে ছাত্রীর পিতা গত ৭ মাস পূর্বে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে সে সময় বকুল হোসেন কে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমিন মিঞা ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন। দীর্ঘ ৬ মাস সাজা ভোগ করার পর আসামী বকুল গ্রামে ফিরে আসে। গত ১৮ অক্টোবর বেলা ১১টায় বকুল ওই ছাত্রীর বাড়িতে প্রবেশ করে তার স্বামীর উপস্থিতিতে হাত ধরে টানা-হেঁচড়া করতে থাকে এবং জোরপূর্বক বিবাহ করার হুমকি দেয়। এ বিষয়ে সাপাহার থানায় লিখিত অভিযোগ করা হলে আসামী আত্মগোপন করে থাকে। মঙ্গলবার আসামী বকুল মিঞা বাসযোগে পালিয়ে যাওয়ার পথে উপজেলার ভাতকাড়া মোড়ে পৌছালে ওই ছাত্রীর অভিভাবক ও স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে ঘটনাস্থলে ফেলে রাখে। সংবাদ পেয়ে থানার এসআই শাহীন রেজা ও এসআই মামুনুর রশিদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় বকুল কে উদ্ধার করে সাপাহার সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে। এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর ইসলাম জানান, পুলিশ পাহাড়ায় ইভটিজার বকুলের চিকিৎসা চলছে। সুস্থ্য হলে তাকে আদালতে প্রেরন করা হবে।




