ads

মঙ্গলবার , ১৫ অক্টোবর ২০১৩ | ৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পবিত্র ঈদুল আজহা বুধবার

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
অক্টোবর ১৫, ২০১৩ ৮:২৩ অপরাহ্ণ

final1-copyশ্যামলবাংলা ডেস্ক : মুসলিম উম্মাহর বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা ১৬  অক্টোবর বুধবার।
লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ পরাভূত করার লক্ষ্য নিয়ে দিনটি পালিত হবে যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে। এদিন মুসলিম সম্প্রদায় আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে ত্যাগের মন নিয়ে বহু ব্যয়ে কেনা পশু কোরবানী দিবেন। এজন্য ঈদুল আজহা কোরবানীর ঈদ হিসেবেও পরিগণিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশের মুসলমানরাও এদিন কোরবানি দেবেন। পশুর রক্তপাতের আগেই তার কোরবানি কবুল হবে, যিনি আল্লাহর পথে ত্যাগের নিয়তে কোরবানি করবেন। পবিত্র কোরআনুল কারিমের বর্ণনানুযায়ী, ৪ হাজার বছর আগে আল্লাহতায়ালার নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) পৃথিবীতে তার সবচেয়ে প্রিয় বস্তু হিসেবে নিজ সন্তান হজরত ইসমাইলকে (আ.) কোরবানি দিতে প্রস্তুত হোন। কিন্তু আল্লাহতায়ালার কুদরতে হজরত ইসমাইলের (আ.) পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানি হয়। হজরত ইব্রাহিমের (আ.) এই ত্যাগের মনোভাবের কথা স্মরণ করে প্রতিবছর মুসলমানরা কোরবানি দেন।
আল্লাহর পথে ত্যাগই ঈদুল আজহার আসল শিক্ষা। আল্লাহ পথে পশু কোরবানি করে তা মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া কোনো দান নয়। এটা ত্যাগ। তাই তো কবি নজরুল ঈদজ্জোহা কবিতায় বলে গেছেন, ‘চাহি নাকো দুম্বা উট, কতটুকু দান? ও দান ঝুট। চাই কোরবানি, চাই না দান।’ সামর্থ্যবানরা নিজেদের নামে, প্রিয়জনের নামে পশু কোরবানি দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ে সচেষ্ট হবেন। যাদের সামর্থ্য নেই, তারাও বাদ যাবেন না ঈদের আনন্দ থেকে। আল্লাহতায়ালা সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য পশু কোরবানি ফরজ করেছেন। আর সেই কোরবানির মাংসের এক ভাগ দরিদ্র মানুষের মধ্যে বিতরণ করার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
প্রতিবছর পবিত্র জিলহজ মাসের ১০ তারিখ পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়। তবে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, পবিত্র এই মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখের যে কোনো দিন পশু কোরবানি দেওয়া যায়। সে হিসেবে ১৭ ও ১৮ অক্টোবরও কোরবানি করা যাবে।
ঈদের সকালে পরিষ্কার অথবা নতুন পোশাক পরে সব বয়সী মানুষ শরিক হবেন ঈদের জামাতে। এক কাতারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আদায় করবেন ঈদের নামাজ। ভুলে যাবেন সব ভেদাভেদ। নামাজের জন্য প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ ময়দানসহ অন্য ময়দানগুলো। ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোকে সরকারি উদ্যোগে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে।  জাতীয় পতাকা ও ঈদ মোবারক খচিত পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলোতে। ঈদের খুশি থেকে বাদ যাবে না হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রোগী, শিশু সদনের অনাথ শিশু, কারাবন্দি কয়েদিরাও। হাসপাতাল, শিশু সদন, আশ্রয়কেন্দ্র ও কারাগারে বিশেষ খাবার দেওয়া হবে ঈদের দিনে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা বিনা টিকিটে জাদুঘর, চিড়িয়াখানা ও শিশুপার্কে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ পাবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!