ads

শুক্রবার , ৪ অক্টোবর ২০১৩ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

রাজশাহীর দুর্গাপুরে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে শিশুকে হত্যা : আটক বখাটে ধর্ষককে গণধোলাই দিতে উত্তেজিত গ্রামবাসীর পুলিশের গাড়িতেই হামলা, এসআইসহ আহত ৫

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
অক্টোবর ৪, ২০১৩ ৯:১৮ অপরাহ্ণ

Durgapur Photo, 04-10-2013মশিউর রহমান জনি, দুর্গাপুর (রাজশাহী) : রাজশাহীর দুর্গাপুরে শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় আটক জামরুল ইসলাম রতন (১৮) নামে বখাটে ধর্ষককে গণধোলাই দিতে উত্তেজিত গ্রামবাসী পুলিশের গাড়িতেই হামলা চালিয়েছে। হামলায় পুলিশের গাড়ি ভাংচুর এবং এসআইসহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ৪ অক্টোবর শুক্রবার দুপুরে দুর্গাপুর পৌর এলাকার বহরমপুর মহল্লায় ওই ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।
জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে দুর্গাপুর পৌর এলাকার বহরমপুর গ্রামের হতদরিদ্র হোটেল শ্রমিক কামরুল ইসলামের শিশুকন্যা ও স্থানীয় মসজিদ ভিত্তিক গণশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিশু শ্রেনীর ছাত্রী আলো (৭) কে একই গ্রামের বেলালের বখাটে পুত্র জামরুল ইসলাম রতন (১৮) নদী থেকে পদ্মফুল তুলে দেওয়ার কথা বলে নদীর পার্শ্বে মিলনের পান বরজে নিয়ে যায়। সেখানে ধর্ষনের পর তার গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর হোজা নদীর পাড়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। নিহতের পিতা কামরুল ইসলাম দুপুরে মেয়েকে বাড়িতে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুজি করতে থাকে। পরে এলাকাবাসী নদীর পাড়ে মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে তার বাড়িতে খবর দেয়। মৃতের পরিবার মৃতদেহ নদীর পাড় থেকে তুলে নিয়ে স্থানীয় নারী কাউন্সিল ফেরদৌসী বেগমের বাড়ির পার্শ্বে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। থানা পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। এদিকে ওই ঘটনার পর লম্পট রতন নদীর পাশ দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় রতনের আচরণে এলাকাবাসীর সহায়তায় গ্রাম পুলিশ নূর ইসলাম তাকে আটক করে। থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে রতনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে উত্তেজিত গ্রামবাসী রতনকে গণধোলাই দিতে পুলিশের গাড়িতেই হামলে পড়ে। ওইসময় উত্তেজিত গ্রামবাসীর হামলায় পুলিশের গাড়ির ব্যাপক ভাঙচুর এবং এসআইসহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়। আহতরা হচ্ছেন দুর্গাপুর থানার উপ-পরিদর্শক সোহেল রানা (৪৫), ওমর আলী কনষ্টেবল রমজান আলী (৫২), আশরাফ আলী (৫৫) গাড়ীর ড্রাইভার রমজান আলী (৩৫), গ্রাম পুলিশ নূর ইসলাম (৩৫)। আহতদের দুর্গাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ]
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আবু সায়েম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উভয় ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

error: কপি হবে না!