ads

বুধবার , ২১ আগস্ট ২০১৩ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আজ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার নবম বর্ষপূর্তি : শেষ হচ্ছে না বিচার

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
আগস্ট ২১, ২০১৩ ৪:২৯ অপরাহ্ণ

21 augustশ্যামলবাংলা ডেস্ক : আজ ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার নবম বর্ষপূর্তি। ২০০৪ সালের এই দিনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোট সরকারের আমলে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বরোচিত ওই হামলায় শেখ হাসিনা বেচে গেলেও মরহুম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী, কেন্দ্রীয় নেত্রী আইভী রহমানসহ ২২ জন নিহত এবং তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাসহ কয়েকশ দলীয় নেতা-কর্মী আহত হয়। আজও সেই ভয়াল দিনের কথা স্মরণ হলে মৃত্যু যেন এখনও হাতছানি দিয়ে ডাকে হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ ও হতাহত পরিবারের লোকজনকে। ওই ভয়াল ঘটনার নারকীয় স্মৃতি এখনও তাড়িয়ে বেড়ায় তাদের।
ওই ঘটনায় মতিঝিল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করে। কিন্তু আজ পর্যন্ত ওই ভয়াবহ ঘটনার বিচার শেষ হয়নি। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে অবস্থিত দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর অস্থায়ী এজলাসে মামলার বিচারকাজ চলছে। গত বছরের ১৮ মার্চ হত্যা মামলায় ৫২ জনের বিরুদ্ধে এবং বিস্ফোরক মামলায় ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর থেকে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণের পালা। কিন্তু এপর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে মাত্র এক সপ্তমাংশ। এজন্য সরকারের বাকি মেয়াদে মামলা দুটির বিচারকাজ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে সংশ্লিষ্টরা আশংকা করছেন। অবশ্য সরকারপক্ষের কৌসুলিরা দাবি করছেন, তাঁরা মামলার বিচারকাজ যাতে দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। এজন্য আদালতে বিচার কার্যক্রম সপ্তাহে এক দিনের পরিবর্তে ৩ দিন করা হয়েছে।
মামলার মোট ৪৯১ জন সাক্ষীর মধ্যে ইতোমধ্যে ৭২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ৭১ জনের জেরা শেষ হয়েছে। তবে সরকারপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান জানিয়েছেন, অভিযোগপত্রের সব সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হবে না। মামলার অভিযোগ প্রমাণের জন্য যতজন প্রয়োজন, ততজনের সাক্ষ্য নেওয়া হবে। মামলাসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মামলা প্রমাণের জন্য বাকি সাক্ষীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তাঁর সরকারের মন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, সাহারা খাতুন, ওবায়দুল কাদেরসহ আরও ৩০/৩৫ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হতে পারে।
grenade1.630উল্লেখ্য, বিএনপির নেতৃত্বাধীন তৎকালীন জোট সরকারের সময় ‘জজ মিয়া নাটক’ সাজিয়ে মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। ২০০৭ সালের এক-এগারোর পটপরিবর্তনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মামলা দুটির তদন্ত নতুন করে শুরু হয়। তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার ফজলুল কবীর ২০০৮ সালের ১১ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দেন। এতে জোট সরকারের উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, হুজির অন্যতম শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়। পিন্টু ছাড়া বাকি আসামিরা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের নেতা-কর্মী ছিলেন।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ মামলার অধিকতর তদন্ত করে ২০১১ সালের ৩ জুলাই সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। তাতে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, সাংসদ কায়কোবাদ, খালেদা জিয়ার ভাগনে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার, মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার, এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবদুর রহিম, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আশরাফুল হুদা, শহুদুল হক ও খোদা বক্স চৌধুরী, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি খান সাইদ হাসান ও মো. ওবায়দুর রহমান, জোট সরকারের আমলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সিআইডির এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমান ও এএসপি আবদুর রশীদকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া হুজির ১০ জন নেতা ও হানিফ পরিবহনের মালিককে আসামি করা হয়। উভয় অভিযোগপত্র মিলে মোট আসামির সংখ্যা ৫২। আসামিদের মধ্যে তারেক রহমানসহ ১৯ জন পলাতক, পুলিশের সাবেক ৬ কর্মকর্তা ও বিএনপি-সমর্থিত সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরিফুর রহমান জামিনে আছেন। বাবর, পিন্টু, মুজাহিদসহ ২৬ আসামি কারাগারে আছেন।

error: কপি হবে না!