ads

মঙ্গলবার , ২০ আগস্ট ২০১৩ | ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

অপরাজীয় বাংলাদেশ এর সহায়তা : যশোরের শার্শায় ৬ বছর পর হারানো মেয়েকে ফিরে পেল তার পরিবার

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
আগস্ট ২০, ২০১৩ ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

pic--- 20.08.13ইয়ানুর রহমান, যশোর : অপরাজীয় বাংলাদেশ এর সহায়তায় যশোরের শার্শায় হারানো এক মেয়েকে দীর্ঘ ৬ বছর পর ফিরে পেয়েছে তার পরিবার। তবে এখন সে প্রতিবন্ধি। বাবা আকবর আলীকে কাছে পেয়ে আসমা খাতুন আবেগে আপ্লুত ও কান্নায় ভেঙে পড়ে। এ সময় শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস কক্ষে ২০ আগস্ট মঙ্গলবার বিকেলের ওই ঘটনায় উপস্থিত সবাইকে চোখের জল মুছতে দেখা যায়।
জানা যায়, শার্শার পারুইঘুপি গ্রামের আকবর আলীর মেয়ে আসমা খাতুনকে শার্শার শাখারী পোতা গ্রামের শাফা খাঁ ঢাকায় তার এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে যায় কাজের জন্য। তখন আসমার বয়স ছিল মাত্র ৯ বছর। নিয়ে যাবার ৬ মাস পর শাফা খাঁ জানায়, তার মেয়েকে পাওয়া যাচ্ছে না। মেয়ে নিখোঁজের ঘটনায় ২০০৭ সালের প্রথম দিকে শার্শা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে অভিযোগটি আর এগোইনি। হতভাগ্য বাবা আকবর আলীও ভাবেননি তার মেয়েকে আর কখনো ফিরে পাওয়া যাবে।  তবে যখন আমার মেয়েকে ঢাকায় নিয়েছিল তখন প্রতিবন্ধি ছিল না।
আসমা খাতুন জানায়, আমি ঢাকাতে এক বাসায় কাজ করতাম। একদিন কে যেন আমার গায়ে গরম পানি ঢেলে দেয়। তার পরে আর কিছু জানিনা। পরে দেখতে পাই আমি হাসপাতালের বেডে। হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দিলে পুলিশ থানা নিয়ে যায়। পরে আপামনিরা গিয়ে আমাকে নিয়ে যায়। তার পর থেকে অপরাজীয় বাংলাদেশ-এর সেল্টার হোমে কাটিয়েছি।
অপরাজীয় বাংলাদেশ-এর সমাজ কর্মী রাহেলা চৌধুরী জানান, আমরা জানতে পারি ঢাকার একটি থানায় অসুস্থ এক অজ্ঞাত পরিচয় একটি ৯ বছরের মেয়ে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। অপরাজীয় বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে সেখানে গিয়ে মেয়েটিকে আমাদের জিম্মায় নিয়ে সেল্টার হোমে রাখি। সেই থেকে মেয়েটি অপরাজীয় বাংলাদেশ-এর সেল্টার হোমে ছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান বলেন, মেয়েটিকে তার বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। তবে গরম পানিতে ঝলসানোর ঘটনায় আমরা মর্মাহত। আসমার প্রতিবন্ধি ভাতার ব্যবস্থা করেছি। আর এ ভাতার প্রথম কিস্তির ৩হাজার ৫শ’ ৭৪টাকা আসমার পিতার হাতে তুলে দিয়েছি।

error: কপি হবে না!