ads

বুধবার , ৭ আগস্ট ২০১৩ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঈদের আগে জুলাই মাসের বেতন না পাওয়ায় শেরপুরে সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষকের পরিবারে আনন্দ নেই

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
আগস্ট ৭, ২০১৩ ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
ঈদের আগে জুলাই মাসের বেতন না পাওয়ায় শেরপুরে সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষকের পরিবারে আনন্দ নেই

মো: মেরাজ উদ্দিন : ঈদের আর মাত্র দুই দিন বাকী। কিন্তু এখনও জুলাই মাসের বেতনই পাননি শেরপুর জেলার সাড়ে ৫ হাজার বেসরকারী স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকগণ। এতে হতাশা বিরাজ করছে এসব শিক্ষক কর্মচারীদের ঘরে ঘরে। আর ঈদের আমেজও নেই তাদের ঘরে।
এবার রোজা শুরু হয় ১১ জুলাই। কিন্তু রোজার শুরুতে শিক্ষকরা জুন মাসের বেতন পায়নি। ফলে ধার-দেনা করে রোজার মাসের খরচ জোগায় শেরপুর জেলার ১শ ৭২ টি বেসরকারী হাইস্কুল, ১শ ৪টি মাদ্রাসা, ১৯টি বেসরকারী কলেজের প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষক কর্মচারী। দুই মাস পর গত সপ্তাহে জুন মাসের বেতন উত্তোলন করে রোজার মাসের দেনা পরিশোধ করতেই শেষ হয়েছে তাদের জুন মাসের বেতনের টাকা। কোন কোন শিক্ষকের রোজার মাসের বাড়তি খরচ হওয়ায় এখনও দেনাই পরিশোধ করা হয়নি তাদের। আবার শেরপুরের দু একটি উপজেলার শিক্ষকরা এখনও  জুন মাসের বেতনই পাননি। তাদের অবস্থা আরো বেগতিক। এদিকে বেসরকারী  শিক্ষকরা এ রিপোর্ট লেখা  পর্যন্ত  জুলাই  মাসের বেতনই পাননি। ঈদের আগে ব্যাংক খোলা আছে  মাত্র  ৭ জুলাই। ৭ জুলাই পর্যন্ত তাদের বেতন উত্তোলনের শেষ তারিখ ছিল। অথচ ৭জুলাই পর্যন্ত বেতনের মেমো বা এমপিও ব্যাংকে এসে পৌছায়নি। শিক্ষকরা হন্যে হয়ে অপেক্ষা করছেন বেতনের উঠানোর জন্য। কিন্তু ৭জুলাই বিকেল নাগাদ বেতনের মেমো নম্বর বা এমপিও আসলেও বেতন জমা নেয়া এবং পাস করানো ও বেতনের টাকা শিক্ষকদের মধ্যে প্রদান করা সম্ভব হয়নি। এতে শিক্ষকদের জুলাই মাসের বেতন ঈদের আগে আর পাওয়া সম্ভব নয়। ফলে ঈদের আনন্দ বেসরকারী শিক্ষকদের ঘরে এবার পৌছতে পারবে না বলে শিক্ষকরা মনে করছেন। আনন্দের পরিবর্তে হতভাগ্য বেসরকারী শিক্ষকদের ঘরে ঘরে হতাশা আর না পাওয়ার বেদনা। শিক্ষকদের ছেলে মেয়েরা বায়না ধরছে জামা  কাপড় কেনার। বেতন পেয়ে তা কিনে দেয়ার প্রতিশ্র“তি দিলেও সে প্রতিশ্র“তি রক্ষা করতে পারছেন না শিক্ষকরা। এতে শিক্ষকদের মনও ভারাক্রান্ত। শিক্ষকরা বোনাস পান তাদের মূল বেতনের ২৫ ভাগ। এতে  একজন শিক্ষক দেড় হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বোনাস পেয়েছেন। এ অল্প পরিমান টাকার বোনাসেও ক্ষোভ রয়েছে শিক্ষকদের মধ্যে।  এ বোনাসের পরিমান বাড়ানোর দাবীও শিক্ষকদের। শিক্ষকদের অভিযোগ এ নাম মাত্র বোনাস দিয়ে সরকার শিক্ষকদের উপহাস করছে। এ বোনাস দেয়ার চেয়ে না দেওয়াই ভাল। এদিকে শিক্ষকদের ঋণ করারও সুযোগ নেই। অনেক শিক্ষক আগেই চেক জমা দিয়ে ঋণ গ্রহণ করেছেন। কাজেই তাদের আর ঋণ করারও সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, সময়মত টাকা ও অর্ডার ব্যাংকে আসলে টাকা দিতে কোন অসুবিধা হয় না। কিন্তু এমন সময় ব্যাংকে অর্ডার আসে তখন আর ব্যাংকের পক্ষে করার কিছু থাকে না। ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আপ্রাণ চেষ্টা করে শিক্ষকদের টাকা পরিশোধ করতে। এ ব্যাপারে মাদ্রাসা শিক্ষক রেজাউল করিম জানান, এবার আর আমাদের ঘরে ঈদ নেই। ছেলে-মেয়েদের কি দিয়ে বুঝ দেব সে পথও খোঁজে পাচ্ছি না। শিক্ষকদের ওই দুরবস্থার কথা স্বীকার করেন
মাদ্রাসা শিক্ষকদের একমাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন, শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মাও: নুরুল আমীন।

error: কপি হবে না!