ads

রবিবার , ২৮ জুলাই ২০১৩ | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পেঁপে চাষে করনীয

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ২৮, ২০১৩ ৯:১৩ অপরাহ্ণ

papaশ্যামলবাংলা ডেস্ক ;  জলবাযু অনুসারে আমাদের গ্রীষ্মকালের ফসলগুলোর মধ্যে পেঁপে অন্যতম এবং চাষাবাদের জন্য এ সময়টাই হচ্ছে ভালো সময়। এ ছাডা সারা বছরই পেঁপে চাষ করা যায়। জমিতে এবং বাড়ির সামান্য পরিসরে লাগাতে পারেন এ সবজি বা ফলটি। আমাদের দেশে অনেক জাত রয়েছে, তা থেকে বেছে নিতে পারেন আপনার প্রিয় জাতটি।
পেঁপের জাত ১. ব্লুস্টেম, ২. কাশিমপুরী, ৩. যশোরি, ৪. রাচি, ৫.নউন ইউ, ৬. হানি ডিউ, ৭. ছোট পেঁপে, ৮. শাহী পেঁপে, ৯. শঙ্কর জাত।
মাটি: অঞ্চল ভেদে রয়েছে মাটির গুণ। তবে দোঁআশ ও বেলে দোঁআশ মাটি পেঁপে চাষের জন্য উপযোগী।
আইল নির্বাচন: দৈঘ্য ২২ মিটার, প্রস্থ ৪৫ সেন্টিমিটার হওয়া দরকার। উঁচু, চওড়া আইল পেঁপে চাষের জন্য নির্বাচন করতে হবে।
চারা রোপণের দূরত্ব: মাদা থেকে মাদার দূরত্ব ২ মিটার।
মাদার আয়তন: ৩০^৩০^৩০ সেন্টিমিটার। উঁচু জায়গার আকার ৪৫^৪৫^৪৫।
চারার পরিমাণ: প্রতি মাদায় ৩টি চারা ৩ কোণ আকারে রোপণ করতে হবে।
চারা রোপণের সময়: এপ্রিল মাস পেঁপের চারা রোপণে উপযুক্ত সময়। তবে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসেও পেঁপের চারা রোপণ করা যায।
আগাছা পরিষ্কার: পেঁপে জমির আইলে আগাছা দেখলে সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করে দিতে হবে।
সেচ প্রদান : শীতকালে প্রতি ১০-১২ এবং গ্রীষ্মকালে ৬-৭ পর পর সেচ দেয়া দরকার।
পুরুষ গাছ এবং গাছ পাতলা করা : চারা রোপণের ২ মাসের মধ্যে গাছে ফুল আসতে শুরু করে। গাছে ফুল আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রতি ১০-১৫টি স্ত্রী গাছের জন্য একটি মাত্র পুরুষ গাছ রেখে দিয়ে, বাকি পুরুষ গাছগুলো তুলে ফেলতে হবে। প্রতি মাদায় উঁচু জায়গায় একটি করে স্ত্রী পেঁপে গাছ রাখতে হবে।
খুঁটি দেয়া : বেশি ফল ধরলে বা ঝড়ের হাত থেকে গাছ রা করতে হলে শক্ত খুঁটি মাটিতে পুঁতে দিয়ে গাছের কান্ডের সঙ্গে বেঁধে দিতে হবে।
কান্ড পচা রোগ :
বীজে রোগ আক্রমণ করলে চারা গজানোর আগেই পচে যায়। চারা আক্রান্ত হলে গাছের গোড়ায় বাদামি বর্ণের পানি ভেজা দাগের সৃষ্টি হয়। তখন গাছ ঢলে পড়ে মরে যায় এবং সহজেই বাতাসে ভেঙে পড়ে।
মোজাইক রোগ : এ রোগে গাছের পাতায় সবুজ ও হলুদ রঙের দাগ দেখা যায়। পাতা খর্বাকৃতির হয়। অনেক সময় পাতা সম্পূর্ণ কুঁকড়ে যায়।
পাতা কোঁকডানো রোগ : এ রোগের আক্রমণে পাতা কুঁকড়ে যায়
। পাতার শিরাগুলো অপোকৃত মোটা হয়। গাছ আকারে ছোট এবং ফলন কম হয়। এ রোগের ভাইরাস সাদা মাছি দ্বারা গাছ থেকে গাছে ছড়ায।
ফল সংগ্রহ : চারা রোপণের ৩ মাসের মধ্যেই ফুল আসে এবং ফল ধরার ২-৩ মাসের মধ্যেই সবজি হিসেবে পেঁপে সংগ্রহ করা যায়।
লেখক: উত্তম সরকার
সংগ্রহ  – এগ্রোবাংলা/

error: কপি হবে না!