ads

বৃহস্পতিবার , ২৫ জুলাই ২০১৩ | ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মহিলা ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক শিরোপা মোহামেডানের

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জুলাই ২৫, ২০১৩ ৬:৩৩ অপরাহ্ণ

Mohamedanশ্যামলবাংলা ডেস্ক : মহিলা ক্রিকেটে হ্যাট্রিক শিরোপা জয় করেছে মোহামেডান। পঞ্চম নারী ক্লাব ক্রিকেট টুর্নামেন্টে মোহামেডানের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের উৎসব মাটি করা শেখ জামালের পক্ষে সম্ভব ছিল না। বুধবার ধানমণ্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে শক্তিশালী মোহামেডানের বিপক্ষে মাত্র ১২৯ রানের পুঁজি গড়ে শেখ জামাল। জবাবে ৭ উইকেট হাতে রেখে ৩২.৩ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় মোহামেডান। এ জয়ের মাধ্যমে সালমা, শুকতারা, সাথিরাদের মোহামেডান শিরোপা জয়ের হ্যাটট্রিক অর্জন করে নারী ক্লাব ক্রিকেটে একাধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে। এ নিয়ে ৫ আসরের মধ্যে ৪ বারই শিরোপা জিতল মোহামেডান। ২০১০ সালে আনসার-ভিডিপি একবার মাত্র শিরোপা জিতেছিল। তাছাড়া আর কোনো ক্লাব মোহামেডানের আধিপত্যে ভাগ বসাতে পারেনি।
শিরোপা জয়ের জন্য বরাবরের মতোই আটঘাট বেঁধে টুর্নামেন্টে নেমেছিল মোহামেডান। শক্তির বিচারেও বরাবরের মতো তারাই ছিল এগিয়ে। মোহামেডান দলে ভিড়িয়েছিল ৪ জন জাতীয় দলের নারী ক্রিকেটারকে। সঙ্গে সেমিফাইনাল থেকে সালমা, শুকতারাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন নিলুকা করুনা ও রোশনি পেরেরা নামে দুই শ্রীলংকান ক্রিকেটার। যদিও শেখ জামালেও ছিলেন পাঁচজন জাতীয় দলের ক্রিকেটার; কিন্তু ভারসাম্যে এগিয়ে ছিল মোহামেডান।
ধানমণ্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয় মোহামেডান ও শেখ জামালের মধ্যকার নারী ক্লাব ক্রিকেটের ফাইনাল। টস জিতে শেখ জামালের অধিনায়ক জাহানারা আলম আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি শেখ জামালের। ১৯.১ ওভারে মাত্র ৪৮ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় তারা। এখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি শেখ জামাল। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৪০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২৯ রান সংগ্রহ করে তারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৪ রান করে রানআউট হন রেশমা আক্তার। সুবর্ণা ইসলাম করেন ২২ রান। এ ছাড়া পান্না ঘোষ করেন ১৯ রান। মোহামেডানের পক্ষে ১১ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট দখল করেন তাহিন। ১টি করে উইকেট নেন সালমা, রুমানা, সাথি, শুকতারা ও নিলুকা। শেখ জামালের সংগ্রহের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ধীরস্থিরভাবে শুরু করে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। ৮.৪ ওভারে ৩১ রান ওঠার পর আউট হন মোহামেডানের ওপেনার সাথিরা জাকির। এরপর দলীয় ৩৭ এবং ৬৯ রানের মাথায় মোহামেডান দ্বিতীয় এবং তৃতীয় উইকেট হারালেও জয়ের পথে তা বাধা হতে পারেনি। অবিচ্ছিন্ন চতুর্থ উইকেট জুটিতে সালমা খাতুন ও রুমানা আহমেদ ৬২ রান তুলে দলকে জিতেয়ে মাঠ ছাড়েন। মোহামেডানের অধিনায়ক ৪৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন। রুমানা করেন অপরাজিত ২১ রান। অনবদ্য ইনিংসের জন্য ম্যান অব দ্য ফাইনাল হন সালমা। পুরস্কার হিসেবে তার হাতে পাঁচ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। টুর্নামেন্টে ৪২ দশমিক ৮০ গড়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকও সালমা। পাঁচ ম্যাচে তার রান ২১৪। টুর্নামেন্ট সেরা হয়েছেন সাথিরা জাকির। পাঁচ ম্যাচে ৪৮.৫ গড়ে ১৯৪ রান করার পাশাপাশি ১৩ উইকেট দখল করেন তিনি। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মোহামেডানের অধিনায়ক সালমার হাতে শিরোপা তুলে দেন। এছাড়া সাথিরাকে পুরস্কার হিসেবে ১০হাজার টাকার চেকও তুলে দেন তিনি।

error: কপি হবে না!