রাত ৩:৫৬ | সোমবার | ৬ই এপ্রিল, ২০২০ ইং | ২৩শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বিজয় দিবস কবিতাগুচ্ছ

আমরা কেউই মানুষ না
মাহমুদুল হাসান আরিফ

img-add

অন্ধের মতো চলছি আমরা
দেখেও কিছু দেখি না
বধির বেশে চলছি আমরা
শুনেও কিছু শুনি না।

সারা দেশে লাশের গন্ধ
তবু নাকে আসে না
কেন আমরা এমন হচ্ছি
অনুভূতি জাগে না।

অন্যায় পথে সবই হচ্ছে
ন্যায়ের পথে চলি না
বলার মত মুখ তো আছে
তবু কথা বলি না।

শেখার রাস্তা অনেক আছে
আমরা কিছু শিখি না
খাতা কলম আছে পরে
হাতে নিয়ে লিখি না।

বিবেক আছে ঘুমের মাঝে
আমরা তারে ডাকি না
বিবেক ছাড়া মানুষ হয়না
সেটাও আমরা জানি না।

সকল কিছু পরে যদি
থাকে একটি ছোট্ট না
কাগজ আনেন লিখে দিবো
আমরা কেউই মানুষ না।
…………………………

আর বাসেনা ভালো
নূরুল ইসলাম মনি
———————-
নীল আকাশে যাচ্ছে ভেসে
শুভ্র মেঘের ভেলা,
হাত বাড়ালাম, ধরলোনা সে
নাই বুঝি তার বেলা।

গানের পাখি নাচছে ডালে
গাইছে মধুর সুরে,
ডাকলে আমি ফুড়ুৎ করে
যায় সে চলে দূরে।

ফুলটা আমায় দেয়না ধরা
দূরে দূরেই থাকে,
যায়না বোঝা বুকের ভেতর
কার ছবি সে আঁকে।

চাঁদটা আমায় হিংসে করে
দেয়না মোটে আলো,
এই জগতে কেউ কি আমায়
আর বাসেনা ভালো?
——————————

যেথায় আমার নাড়ী
আবু সাইম মোল্লা

শেরপুর আমার জন্ম ভূমি
শেরপুর আমার প্রাণ,
শেরপুর আমার রক্তে মাখা
ভালোবাসার গান।
দূরে আছি তবু কাছে
সবটা হৃদয় জুড়ে
মনপড়ে রয় সেথায় আমার
সকাল সন্ধ্যা ভোরে।
শান্ত নিবিড় পাখি ডাকা
শ্যামল বরণ গাঁ’য়
নদীর বুকে রঙিন বেশে
নৌকা চলে ধা’য়।
আকাশ পাহাড় নীল সবুজে
মুগ্ধ মাখামাখি
লতাপাতায় জড়িয়ে আছে
নানা রঙিন পাখি ।
শষ্য ভরা সবুজ মাঠে
ঢেউ খেলে যায় দোল
পথের ধরে ফুটে হেথায়
ছোট্ট বুনোফুল।
স্নিগ্ধ শ্যামল মায়ায় ঘেরা
আমার জন্মভূমি
মৃত্যু কালে তোমার বুকে
ঠাঁয় দিও মা তুমি।
…………………………

তোমাকে অনেক কিছু দেওয়ার ছিল
সৈয়দ সওকাত হোসেন

তোমাকে অনেক কিছু দেওয়ার ছিল
তবুও দিতে পারিনি ,
সময় আজ জীর্ণ বুকে দাঁড়িয়ে
হাসে বিদ্রূপের হাসি
সকলের মতো না হয়ে
তুই কেন আলাদা !

তাই আমার শেষের দিনটা
কেবল তোমায় দিবো ,
তোমার আঙিনায়
খেজুরপাতার রঙিন শীতলপাটিতে
দিবো শেষ ঘুম ,
তোমার কান্নার রোলও
জাগাতে পারবে না আমায় ।।
……………………………
আমরা শিশু
জান্নাতুল_ফেরদৌসী_মিশু

আমরা শিশু আমরা ভবিষ্যৎ
আমরা হলাম ভোরে আলো
রাতের আঁধার ঘুচবো মোরা
করবো সবার ভালো!
আমরা শিশু গড়বো নীতি,
গড়বো সমাজের নতুন রীতি।
ভবিষ্যৎ পরিচালনায় আমরা আছি
আমাদের ছাড়া এগুবে না পৃথিবী।
………………………………
বিষয়:-কবিতা
শিরোনাম:- দাদু
লেখকঃ মোঃ জাকির হোসাইন
তারিখ:-৩০ শে নভেম্বার ২০১৯
¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤

দাদুকে আমি হারিয়ে ফেলেছি
যখন আমি কোলে,
মনেনাই ঠিক কেমন ছিলেন
গেছি একদম ভুলে!!

পাড়া-পড়শিরা বলেন সবাই
অনেক ভালো ছিল,
বাবা বলেন দাদুর আদর্শ
তুমি এবার জ্বালো!

দাদি বলেন আমার জন্যই
দাদুর অনেক মায়া,
দিবস নিশি আগলে রাখতেন
হয়ে কোমল ছায়া!

এই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দাদু
আমার দাদু ছিলেন,
আঁখি স্রোতে মাঝে মাঝেই
মা আমাকে বলেন!

পাইনি আমি দাদুর আদর
ভাবতে হৃদয় ফাটে,
ফুকারে মন ভীষণ একেলা
ভাসছি আঁখি স্রোতে!

সবার মতন ইচ্ছা করে
দাদুর কোলে যাই আদরে,
দাদু কি ছিল অভিমানী
রাগ করেছে আমার সাথে?

ইচ্ছা করে দাদুর সাথে
করি হুরা-হুরি,
মনের মতন করি একটু
স্বপ্ন ছোড়া-ছুড়ি!

অপরাধী আজ লাগে বড়
দাদু কেন নাই?
সব থেকেও নিজের ভেতর
আমি যে অসহায়!!

দাদু আমার হারিয়ে গেছেন
অচিন নদীর পারে,
অবুঝ নাতি ডাকছে দাদু
আসবে নাকি ফিরে??
………………………….
সবই কাল্পনিক
রূপেন শেঠ

সময় হয়েছে!
এইবার ফিরে যেতে হবে কোটরে,
হামাগুড়ি দিয়ে রাত্রির ছায়ায়
নিথর হিমলাশের আত্মায়।

নৃশংস পেঁচা-পেঁচির ভরা সংসার ছিল কোটরে!
তারা উচ্ছেদিত, তেজবিক্রম আমার
আত্মার তান্ডবে,
তবুও আছে কিছু বাধা-
বটের ঝুরির আস্ফালন, কোটরের মুখে।

জীবনভোর সংগ্রাম, জীবনভোর সংগ্রামে-
ক্রমান্বয়ে রূপান্তরীত মৃত্যুহীন লাশ-
জৈবিক দিনের কশাঘাতে,
হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ-
এখন আমি নিরাকার ব্রক্ষ্ম-শূন্য,
ওই দেখো, আমার বিগত বেওয়ারিশ লাশ!
সেও হয়ে উঠেছে লালায়িত রূপপরিবর্তনে-
দিনকালের বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেড়োর গ্যাঁড়াকলে-
ধীরে ধীরে পচা শব পাল্টাচ্ছে কঙ্কালে,
অহো, বিমুক্ত আত্মা আমি-
নিশ্চিন্ত, পাহাড় ভার শরীরের বিচ্ছিন্নে।

জানো? আমি কিন্তু হ’তে চাইনি লাশ!
কাল বিক্ষেপে, সময় সরসীতে- অবগাহনে-
ছিলাম মত্ত অনন্ত সুধা পানে জীবন মন্ত্রে,
ছিলো মধুর মাধুরী স্বপ্নের স্বপ্নিলী-
ব্যাপ্ত পরিবৃতা ভূবন জুরে আমার,
রামধনু হ’তো আকাশ-
গীত-সুধা-রস সপ্ত সুরের স্পর্শে,
হ’তো বসন্ত সমাগম ভূবনে-ভূবন আকিঞ্চনে,
যেতাম ভেসে সুরের সাম্পানে-
সঙ্গী ক’রে গীতবিতানের অক্ষত প্রেম,
হ’তো বিহ্বল বর্হিবিশ্ব, আকাশের তারা-
হ’তো দোহার নাইটিংগেল, কোয়েল,
বাজাতাম হ্যামলিনের বাঁশি;
সেই সুরের বিমুগ্ধ বাসরে-
হয়ে যেতো শান্ত-নিশ্চলা বিমুগ্ধা-স্বপ্নিলী,
যেতাম হারিয়ে গগনে গগনে ক্রন্দসীতে-
একাঙ্গীতে।

কে? কে তুমি?
আমার নিদ্রাবকাশের প্রাক্কালে?
তুমি? তুমি আমার বিগত স্বপ্নের স্বপ্নিলী?
কাঁদছো কেনো? কেঁদোনা-
এই তো আমি, তোমার জীবন সাধনার স্বপ্ন আমি,
দেখো চেয়ে, স্পন্দনহীন তোমার জীবনান্ত দেহ-
শোয়ানো নিথর হিমলাশে- শবব্যবচ্ছেদের টেবিলে,
করবে পরীক্ষা ডাক্তার একটু পরে,
খুঁজবে কাটাছেঁড়ায় বিগত শবে-
কিসে পূর্ণতা তোমার জীবনের, আত্মহত্যায়-
নাকি, ট্রেনের চাকার ধর্ষণে খন্ডে-বিখন্ডে?
স্বপ্নিলী, তোমার বিগত সতীত্ব-
খাচ্ছে লুটোপুটি লাশকাটা টেবিলে-
অব্যক্ত নারীত্বে;
চলো স্বপ্নিলী, নিদ্রায় যাই, প্রেত-প্রেতিনীতে-
পুনর্জন্মের নিরুদ্দেশ যাত্রার প্রাক্কালে।
…………………………………….
আলসে বর
মোহাম্মদ রবিউল আলম (টুকু)

লোভে পড়ে লোকমান আলী
হয়েছিলো ঘর-জামাই,
ভেবেছিলো ভাবনা নেই আর
বসে খাবে পর-কামাই।

বাধ সাজে তার পোড়া কপাল
বউয়ের মেজাজ খিটখিটে,
সকাল-বিকাল ব্যস্ত রাখে
ঘর-বাড়ি চায় ফিটফিটে।

রাঁধুনিকে বিদায় দিলে
চাকরটিও নেয় ছুটি,
লোকমান আলী ময়দা ডলে
বউয়ের মুখে দেয় রুটি।

বউখানি তার ডায়েট করে
খাবারেও তার নেই রুচি,
সকালে তার লাগে রোজই
মাংসের ঝোলে দশ লুচি।

হরেক রকম নিয়ম আছে
মেনে চলা খুব কঠিন,
গরম ভাতে জিভ পুড়ে যায়
ঠাণ্ডা ভাতে যায় না দিন।

সন্ধ্যে হলেই চায়ের সাথে
লাগে কিছু গরম ‘টা’,
নুডুলস্, বার্গার, স্যান্ডউইচ বা
খাঁটি মোগলাই পরোটা।

রাত্তিরে খায় শুকনো রুটি
সবজি লাগে দুই বাটি,
ঘুমের আগে পেতেই হবে
গরম দুধের স্বাদ খাঁটি।

বাতের ব্যথায় ঘুম না এলে
লোকমান আলী করে যা,
খাটের কানায় বসে বসে
টিপতে থাকে বউয়ের পা।

এইটুকুতে বউ খুশি নয়
ভাবেন,তাহার আলসে বর,
নিজে নেহাত ভদ্র বলেই
আলসে বরের করছে ঘর।
………………………..
তারুন্যের ডাক
এম এইচ মুকুল।
=============
লেখনিতে বেঁচে আছি
কলম হাতে করছি লড়াই,
নিজের তরে ভাবি না কিছু
ন্যায় এর তরে এগিয়ে যাই।

মিথ্যে জ্ঞানের মানুষেরা
ভদ্র মুখোশে জ্ঞানীজন,
অর্থ অহংকারে অন্ধ বিবেক
সমাজে মিথ্যে প্রহসন।

আমার কলম চলবে সদা
ন্যায় এর জোরে সাম্যের তরে,
লেখন তেজে রুখবো অন্যায়
বিদ্রোহী হবো ব্যাভিচারে।

অত্যাচারীর লৌহকপাট ভাঙ্গবো এবার
নিগৃহীত নির্যাতিতার আহ্বানে,
টুটবো বিভেদ উঁচু নিচুর
তরুণ বলের উম্মাদনে।

কে আছ তরুণ জাগো এবার
কলম ধরো সত্য লেখার,
ন্যায় প্রতিষ্ঠায় গর্জে উঠো
রুখবে তোমায় সাধ্য কার?
………………………….
নারীরা কি পণ্য ? নাকি পুরুষরা বন্য ?
রচনা রবীন্দ্রনাথ হালদার।
………………………………………..
ভারত অতি প্রাচীন সভ্য দেশ ।
আধুনিক যুগের ঘটনাক্রমের মধ্যে তার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এতোটুকু আবেশ।
ত্রেতা যুগে সীতা ছিলেন রামের ঘরনী।
দ্বাপরের রাধা ছিলেন কৃষ্ণ বিরহিনী।
নিমাই পত্নী বিষ্ণুপ্রিয়া ছিলেন জনম দুখিনী।
তিন যুগে নারী ~জীবন লভেছিনু ভিন্ন ভিন্ন রূপ,
কোনো যুগে দেখা যায়নি কিন্তু পুরুষের এতো কদর্য আর কূরূপ ।
রাবন করেনি কিন্তু সীতা দেবীর চরিত্র হরণ!
এখানেই রাবনের উত্তম পুরুষের চরম নিদর্শন।
অতি নাটকীয় প্রেমের জ্বলন্ত প্রমাণ হলো ~ হেলেন অব ট্রয়।
সেখানেও হেলেনের চরিত্র হয়নি এতটুকু দাগ কিংবা সংশয় ।
শেক্সপিয়রের ম্যাকবেথ নাটকের কথা কে না জানে !
এতোটুকু চরিত্রহননের কথা নেই কিন্তু সেখানে।
পৃথিবীর সর্বত্র যুগে -যুগে নারীদের করা হয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান।
আধুনিক যুগে এসে কি এমন হলো ~ যাতে প্রতি পদে -পদে নারীরা পেয়ে চলেছে তীব্র অসম্মান।
ব্যক্তি ,সমাজ ,রাজ্য ,রাষ্ট্র ,দেশ না পৃথিবী এর জন্য দায় কার?
নতুন করে বিচার বিশ্লেষণ করতে হবে বুঝি আবার!
নারী জাতির সম্মান করা ভারতীয় সংস্কৃতির ধারা।
সেটাকে ভেঙে- চুরে চুরমার করে অপসংস্কৃতিকে ডেকে আনলো কারা!
তবে কি সমাজের রন্ধ্রে- রন্ধ্রে ধরে গেছে অপসংস্কৃতির ঘুণ !
তাই কি ধর্ষণের মতো নোংরা ঘটনা সমাজের মুখে লেপে দিচ্ছে চুন।
গ্লোবাল যুগের অতি আধুনিকতা আর বিজ্ঞানের নানা উপকরণ।
হয়তো এদের কারণেই বদলে গিয়েছে অপরাধের ধরন।
কিংবা অপরাধীরা যখন দেখে নড়বড়ে শাসন ব্যবস্থায়,
নানা ক্ষমতার জোরে তারা সহজেই ছাড়া পেয়ে যায় !
এ ধরনের অপরাধের~ অপরাধীরা যদি চরম সাজা না পায় !
তবে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা যাবে বারংবার বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায়।
ধর্ষকের শাস্তি পাওয়ার আগে , যদি ধর্ষিতা সরকারি অনুদান পায় !
তবে সেটা সমাজের বুকে ধর্ষণের টনিক হিসেবে নিশ্চয়ই ধর্ষকরা ‌ উৎসাহ পায় !
যেমনি মানুষ মরার পরে তার জাত, ধর্ম ,পরিচয় হয়ে যায় শেষ‌ !
তেমনি ধর্ষকের ,জাত ,ধর্ম ,বয়স এসব কিছুই~ বিবেচ্য না হওয়াই দস্তুর বিশেষ।
প্রকৃতির নিয়মেই নারী-পুরুষ পরস্পরের কাছাকাছি আসবে!
প্রকৃতির নিয়মেই তারা পরস্পরকে ভালবাসবে ।
তা’বলে কখনোই কোনো নারীকেই বলা যাবেনা পণ্য,
কোনো পুরুষকে বলা যাবে না যে ,তারা প্রকৃতির নিয়মেই বন্য !
আসল পশুটি লুকিয়ে আছে~ আমাদের সমাজ, রাষ্ট্রকাঠামো, আইন ব্যবস্থা ,শিক্ষা ব্যবস্থা আর মানুষের চিন্তাভাবনায় !
সুষ্ঠুভাবে বজায় রাখলে সমস্ত কিছু সমাজে ঘটবে না আর কখনোই এরকম অন্যায় ।
………………………………………………………………………………
স্বার্থের নির্দয় অন্বেষণে ছুটে চলেছে মানুষ
মোহাম্মদ মিজানুর রহমান
======================
এখানে এখন—
প্রায় সবার প্রায় এক মনোভাব—
সর্বত্র সবখানে, সর্বক্ষেত্রে শিখর কর্তা
হতে হবে। গাড়ি-বাড়ির মত স্ট্যাটাস সিম্বলের আভিজাত্যের উপকরণ যা যা আছে তার সবকিছু চাই-ই চাই। শিক্ষাঙ্গনে শেখা—
নীতিকথা-ধর্মকথা কেতাবে পড়ে থাক।
সমাজ-সভ্যতার কথাসব চুলোয় যাক।।

আর তাই—
দ্রুতগতির অন্ধ পদক্ষেপে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে
চলেছে মানুষ। উপরে উঠার সিঁড়িপথ খুঁজতে সবাই এখন শশব্যস্ত। হটকারিতা; চাটুকারিতা; চরিত্রহীনতা আর প্রতারনার লুটেরা মনোভাবে সবাই ছুটে চলেছে—
নষ্ট রাজনীতির রাজ্যপাটে।
দেশের হাটে-মাঠে ও ঘাটে।।

এগিয়ে যাবার উন্মত্ত দৌঁড়; গতির
তীব্রতায়; অশান্ত বেগে ছুটে চলেছে
সবাই—
ভ্রুক্ষেপ নেই ডানে-বামে।
ভয় নেই কোন বদনামে।।

অর্থ পরাস্ত করে ফেলেছে সকল মানবীয় হৃদয়বৃত্তিকে। প্রলোভনের কাছে বিবেক পরাজিত।মুল্যবোধের পলেস্তারা এক এক করে খসে পড়েছে। সবাই যেনো উদ্ভ্রান্ত—
দেশ-দুনিয়ার সর্বসেরা ধনী হবার বাতিকে।
দেবার মত কারো নেই যেন কিছু- জাতিকে।

হায়রে! হারিয়ে গেছে আজিকে—
শুদ্ধতার ধারা। ঝেঁকে বসেছে—
তেলমর্দন আর তোষামোদি-খোশামোদির সংস্কৃতি। শ্রেণী বদলের সুতীব্র প্রতিযোগিতায় আজিকে মত্ত সবাই–
সুর-বেসুর মাতে।
জ্ঞাতে-অজ্ঞাতে।।

এখন কোথাও নেই উচ্ছলতায় ভরা
কোন প্রাণের পরশ। সর্বত্র স্বার্থপর লৌকিকতা আর প্রাণহীন আনুষ্ঠানিকতা ও কৃত্তিম সম্পর্কের বাঁধন। ভালোবাসা ও প্রেমগুলোও যেনো—
অর্থ স্বার্থের নীল নকশায় সাজানো।
চলছে বেশ মিথ্যা হৃদবাদ্য বাজানো।।

অভাবের শেকলে বাঁধা নিরুপায়-অসহায়
দরিদ্রজনের কথা; ক্লিষ্টমুখ চাহনির খেটে
খাওয়া মানুষের কথা; সামাজিক সুস্থিতি, ঐক্য, শান্তি, সম্প্রীতি, সৌহার্দের আত্মবন্ধনের কথা; অসাম্য, বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সব কথা ভুলে গিয়ে নিজেদের স্বার্থপরতার পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে আত্মউদ্ধারের প্রচেষ্টায় সবাই এখন শুধু—
লাভের সম্ভাবনার দিকে এগোয়।

যুগের হাওয়ায় ভেসে সবাই—
কেমন জানি পাওয়া না পাওয়ার
দোলাচলে দুলছে।
দেশ ও দশের কথায়—
সবাই যেনো সজ্ঞানে উদাসীন।

সর্বত্র এখন শুধু অন্তঃসারশূন্য আনুষ্ঠানিকতার বাহার। আনুষ্ঠানিকতার জৌলুশে চাপা পড়ে যাচ্ছে শুদ্ধ সম্প্রীতির আবেশ। ছুটে চলেছে মানুষ—
স্বার্থের নির্দয় অন্বেষণে।
==============================
আধপোড়া ভালোবাসা
পার্থদীপ সমাজদার

উপবাসী মন, বোঝে সেই জন
ব্যথার বেদনা কত খানি,
ভেঙেছে যার ঘর, হৃদয় তার
ঢেকে রাখে দেখ ব্যথা খানি৷

জননীর বুকে শত আঘাতেও
হাসি ঝরে দেখ মুখে,
তার বুকের ব্যথা প্রসব জ্বালা
এক হয় সব যেন সুখে৷৷

দিকে দিকে ঐ স্বার্থের আঘাত
বাদ নেই বুড়ো বুড়ি তাতে,
আতে ঘা লাগা শিক্ষিত পুর্ত পুত্রী
ঠেলে ফেলে বৃদ্ধাশ্রম ঘাটে!

অর্থের বিনিময়ে প্রেম ভালোবাসা
বিকোয় কি কিলো দরে সমাজে?
শিক্ষার মানে আর আইনের ফাঁকে
কত রঙ্গ দেখ ঘট্ সমাজে!

বাঁধন হীন সব সম্পর্কের বাঁধনে
সমাজ আলগা হয়েছে যতনে,
মিছে দোষ খোঁজা আপন কপালে
সব সম্পর্ক বাঁধি স্বার্থের আয়োজনে৷৷

শাসন হীন শোষনে ঐ দেখ ভেঙেছে
সুখের একান্নবর্তী ঘর,
ছোট্ট ঘরে সুখের ডালে বাঁধা বাসা
স্বামী স্ত্রী আর এক সন্তার ধর৷

হারিয়েছে ঠাকুর মার ঝুলি-
হারিয়েছে দিদার বুলি,
স্নেহ প্রেমের রুদ্র আঘাতে দেখ
শুকায়ে গেছে শৈশব বুলি৷

সময়ের নিষ্ঠুর আঘাত স্বার্থে
ভেঙেছে স্নেহ প্রেম বন্ধন,
স্নেহ ভালোবাসা বিহীন হৃদয়
ভেঙেছে সমাজ ছন্দ বন্ধন৷

বাইরে কেবল প্রেমের হাওয়া
বুলবুল তোলে সাইক্লোন,
অন্তঃ শূন্য ভালোবাসার মসনদ
যেন আমাজনের অগ্নিক্লোন৷

পুড়ছে শিশু, পুড়ছে বৃদ্ধবৃদ্ধা
জীবন গড়া সুখের অনল,
মানুষ যদি না বোঝে অন্:দহন
সাগর নেভায় কি অনল?
(সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত)
……………………………….
সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মোস্তফার গান
এস কবির

যে চরণে বেহেস্ত পাই
আমি হারালাম সে চরণ
আমার মাকে কেড়ে নিল
হায়রে নিঠুর মরণ।

ভালবাসার আধার সেযে
আমার সকল সুখ
সেই মায়েরে কেমনে ভুলি
কান্দে আমার মন।

অল্প পেলেই হতেন খুশী
দেখবোনা আর তারই হাসি
মায়ের চরণ ধুয়ে দিব
হারালাম সেই ধন।

আমার মাথায় হাত রাখিয়া
বলবেনা আর কাছে নিয়া
খাইছো নাকি মানিক আমার
তুমি আইসাছো কখন।

জনম দূখী মাযে আমার
মোস্তফ তাই ভাবে আকার
আল্লাহ তায়ালার প্রেমের একক
মায়ের প্রেমে হয় ওজন।
………………………….
যাব বললেই তো আর যাওয়া হয় না
কলমে – সৈয়দ সওকাত হোসেন

যাব বললেই তো আর যাওয়া হয় না

দিনটি ছিল বর্ষার একটা কালো রাত
জ্বরে পুড়ে যাচ্ছিলো সারা শরীর
বাঁচতে যেন আর ইচ্ছা হয় না
মরণ তাই হাতছানি দেয় বারবার ।

শেষ রাতে এসেছিলে গুটিগুটি পায়ে
শীতল তালুর ছুঁয়া জ্বলন্ত কপালে
আছড়িয়ে পরে অশ্রুর ধারা তপ্ত বুকে
লোনা ঠোঁট কানেকানে বলে যায়
বেঁচে থাকার মন্ত্র ;
তবুও মন বলে
দু’ফোঁটা বাঁচিয়ে রাখো
ওই নীল জল সাদা কাফনে মেখে
এ অশান্ত মন ঘুমাবে কবরে ।

যাব বললেই তো আর যাওয়া হয় না
মৃত্যু একটা ছোট্ট গল্প
বেঁচে থাকাটা একটা গোটা উপন্যাস ।।
……………………………………..
দাও হে সুস্থতা
মোঃ রকিবুল হাসান

সুস্থতা মোরে দেয়না অবসর
তাইতো অসুস্থ হই প্রতিক্ষণ।
বিছানা মোর বুঝি আঁতুড়ঘর
তাইতো সঙ্গী যখন তখন।
কর্মে আমার হচ্ছে হেলা
বুঝাবো কেমনে মনের ব্যথা।
অহর্নিশ এভাবেই কাটছে বেলা
জমে আছে অব্যক্ত কথা।
আছে যত অসুস্থ জন,
সুস্থতার করি শুধু নিবেদন !
রহমতের বারিধারা করো বর্ষণ,
করুণাময়ের দরবারে এই আবেদন।
……………………………………
দোয়া
নূরুল ইসলাম নাযীফ

দোয়াটাকে এড়িয়ে চল
তুচ্ছ ভাবো অতি,
দোয়ার মধ্যে জান নাতো
থাকে কত জ্যোতি।
অব্যর্থ তীর দোয়া সে তো
শক্তি তাতে ভীষণ,
দোয়ার শক্তি সফল করে
কঠিন যত মিশন।
দোয়া কভু যায় না বিফল
হয় যে সবই পুরা,
তুচ্ছ ভাববে দোয়া যারা
তারা কপালপোড়া।
…………………………..
স্বার্থের কালিমা
পার্থদীপ সমাজদার

সময়ের উলঙ্গ পথে হেঁটেছি বারে বারে-
সৃষ্টির আদি হতে অন্তের পথে,
দেখেছি রক্তিম প্রভাতে শোনিত ধারায় সিক্ত
হাজারো হাজারো উল্কার পথ চলা
দেখেছি শ্মশানে জ্বলন্ত চিতায় কবরের সজ্জা,
ভেঙেছে গড়েছে শুধু জীবনের পথ চলা৷৷

দেখেছি উলঙ্গ শিশু, মুষ্ঠি বদ্ধ হাতে- কত কথা কয়
নির্বাক মাতৃ-ক্রোড়ে অর্ধ মেলিত চোখে;
যেন সৃষ্টির আধাণ করে বারে বারে খান খান,
মানবিকতার রক্ত প্রবাহে- বন্ধ হৃদয় চোখে৷

আজ উলঙ্গ হয়েছে সভ্যতা, উলঙ্গ করে আপনারে,-
এটাই যেন সভ্যতা দিয়েছে হৃদয় মাঝে গড়ে;
ভুলেছি আপনারে, ভুলেছি সৃষ্টির কারবারে-
কেন আসা এ ধরণী পরে জীবনের ইতি বৃত্ত গড়ে;
ভুলেছি ইতি হতে অন্ত- এ অনন্ত সাগর মাঝে-
শুধু স্বার্থের পিরামিডে বেঁধেছি আপনারে নীরবে৷৷

এ সৃষ্টি তো হয় নি সৃষ্টি স্বার্থের দরবারে কোন কালে,
এ সৃষ্টিতো নিঃস্বার্থ বলিদানে গড়েছে আপনারে;
তবু তার অপত্যের কেন এতো অহংকার, এতো গরিমা-
কোন সম্পদ লোভে আপনারে করে কালিমা?
আজ চারিদিকে আলোর মাঝে শুধু আঁধারের ভ্রুকুটি
ধ্বংস করেছে মানবতা মেখে বিধাতার মুখে কালিমা৷
(সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত)
……………………………………………………
সুখের দিনে থাকবে শত ভালোবাসার লোকে
শাকিল আহমেদ সৌরভ

সুখের দিনে থাকবে শত ভালোবাসার লোকে,
লেজ গুটিয়ে পালায় যাবে দেখা দিলে শোকে।
এটাই সত্যি কথা ও ভাই এটাই সত্যি শুনো,
তাইতো বলি মিথ্যে মায়ায় মিথ্যে অাশা বুনো।

বলবে তোমায় ভালোবাসে নিজের সকল দিয়ে,
একটু যদি বিপদ অাসে সরবে স্বার্থ নিয়ে।
মুখের কথায় পাগল সে তো করবে তোমায় বোকা,
অাসল কথা বুঝতে পারবে দিবে যখন ধোঁকা।

ভালো যাকে বাসবে তুমি দিবে সে’ই কষ্ট,
বিশ্বাস করে সকল দিবে জীবন হবে নষ্ট।
কেমন করে বুঝবে বলো চলা বলায় ফিটফাট,
সে মানুষটাই চলে যাবে করে সকল মিটমাট।

কেমন করে বুঝবে তুমি অবাক করা ভবে,
তবু তোমায় চিন্তা করে পা বাড়াতে হবে।
কতো রকম রঙের মানুষ এ সমাজের মাঝে,
কে যে সঠিক বুঝতে হবে নিখুঁত করা কাজে।

সুখে দুঃখে সঙ্গী যিনি রাখবে তোমায় মনে,
পারলে তুমি চিনে তাকে থেকো যে তার সনে।
সুখে দুঃখে সঙ্গী যিনি রাখবে তোমায় ভালো,
এমন মানুষ খুঁজো পারলে ঘুচবে সকল কালো ।
………………………………………………
ন্যায় নীতি
মোঃ জামাল উদ্দিন

একটু ভাবো দিনটা শুরু
করবে কেমন করে,
বেলা শেষে কেমন ফসল
উঠবে তোমার ঘরে।

সত্য দিয়ে করবে নাকি
মিত্যে দিয়ে শুরু,
হালাল রুজির চিন্তা মাথায়
নাকি নাটের গুরু।

যা কর ভাই তুমি কামাই
পাবে তাহার ফল,
ভাল হলে সুখের হাসি
মন্দের চোখে জল।

বোধ বিচারের শক্তি তোমার
আছে দেহের মাঝে,
যেমন কর্ম তেমন ফসল
পাবে তোমার কাজে।

পোশাক আশাক রূপ চেহারায়
যায়না মানুষ চেনা,
কর্মেই তাহার মেলে প্রমাণ
আসল মানুষ কি না।

দিনটা সবার হোকনা শুরু
ন্যায়ের পথটি ধরে,
আদর্শ আর নীতির পথেই
আসবে যে সুখ ঘরে।
……………………………
তুমি যাই কর্ম করো..
মোক্তার হোসাইন…

তুমি যাই কর্ম করো সেটা
ছোট নয়
সহ্য করো লোকে তোমায়
মন্দ যাহা কয় ।

বড় হতে হলে হবে খুব
ধৈর্য্যবান
তাতেই আল্লাহ্‌ বাড়িয়ে
দিবে তোমার সম্মান ।

সৎ পথে কর্ম করে এগিয়ে
যাও রোজ
মনের মধ্যে চিন্তা রাখো
মানবিক বুঝ।

অল্প অল্প করে গড়ে তুলো
নিজের অবস্থান
এক দিন ঠিক পেয়ে যাবে
সঠিক একটা স্থান ।
…………………………….
প্রয়োজনে ভালোবাসা
গোলাম মোস্তফা

কেউ কাউকে ভালোবাসে না
প্রয়োজন হলেই খোঁজে
ভালোবাসাটা আসলেই কি
আসেনা আমার বোঝে।

প্রয়োজন হলেই কাছে আসে
ফুরিয়ে গেলে দূরে
আমি নাকি খারাপ মানুষ
যাকে তাকে বলে।

ভালোবাসার কিছু মূল্য
দিতে পারে আদর্শ বউ
স্বার্থের কিঞ্চিৎ ব্যাঘাত ঘটলে
চলে যায় সেও।

ভালোবাসা একটা জায়গায়
মনে হয় খাঁটি
সে হলো আমার মা
দেশ এবং মাটি।

মা বাবা কখনো দেখে না স্বার্থ
দেখেন সন্তানের সুখ
সন্তানের একটু কষ্ট হলেই
কেঁদে ভাসায় বুক।
…………………………….
কবরবাসী
খাদিজা বেগম

রাজার হুকুম মান্য করে
পেঁয়াজ ছাড়া তরকারি খাই,
আমার কি ভাই কবর বাসী
প্রতিবাদী কণ্ঠ যে নাই।

একদিন আসবে এমন হুকুম
চাউল ছাড়া খাবে যে ভাত,
কণ্ঠে কণ্ঠে আগুন জ্বালাও
করবো মোরা আজ প্রতিবাদ।

বাংলা মায়ের সন্তান আমরা
ওদের কেন ভাই করছি ভয়?
আমার যোদ্ধা আমার স্বাধীন
আমার কারো গোলাম তো নয়।

ওরা মোদের বেতন ভুক্ত
তবু কেন চালায় হুকুম?
ন্যায্য দাবি চাইতে গেলে
চালায় গুলি করে যে গুম।

মোদের টাকায় গাড়ি বাড়ি
আসবাবপত্র বহু দামি,
তবু খায় যে লুটেপুটে
বললে কথা হই আসামি।

ওদের পেশা রক্ত চোষা
খায় যে চুষে প্রজার রক্ত,
মুখে মুখে মানব সেবা
মনে মনে অর্থ ভক্ত।

মানবতার ডাক এসেছে
আয় ছুটে আয় দলে দলে,
অত্যাচারী ধ্বংস করি
সত্য সঠিক পথে চলে।
………………………..
নিবেদন

মো: রাবিউল ইসলাম

ফেসবুকেতে আমার যত
আছেন বন্ধুগণ,
সবার নিকট আমার একটি
রইলো নিবেদন।

যাদের আছে বহু আইডি
সবার আমি সখ্য,
একটায় রাখুন আমার নাম
পূর্ণ করতে লক্ষ্য।

প্রথম প্রথম যেজন মোরে
দিতেন রিকুয়েস্ট,
কাউকে আমি বাদ রাখিনি
করিনি তো টেস্ট।

এখন দেখি ফেক আইডিতে
ঘর হয়েছে পূর্ণ,
অনুরোধ তাই পাই না দিতে
হৃদয়টা হয় চূর্ণ।

ভাববেন না কেউ আমার এখন
হয়েছে খুব গর্ব,
ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট অনেকের তাই
করছি আমি খর্ব।

আমায় নিয়ে এমন ভাবনার
কোনই কারণ নাই,
খুব সাধারণ মানুষ আমি
জেনে রাখুন তাই ।

বন্ধু যারা আছেন তারা
একটু সময় দিন,
বহু আইডির একটায় রেখে
আনফ্রেন্ড করে নিন।

তবেই আমি নতুন বন্ধুর
করবো যে ঋণ শোধ,
উল্টো যারা বুঝেছিলেন
হবে তাদের বোধ।
…………………………

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শেরপুরে হাসপাতালের স্টাফসহ করোনা ভাইরাসের ২ রোগী শনাক্ত

» শেরপুরে ১ হাজার কর্মহীন মানুষ পেল আ’লীগ নেতা উৎপলের খাদ্য সহায়তা

» শেরপুরে বিশেষ ওএমএসের চাল ও আটা বিক্রি শুরু

» ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়া বন্ধ

» ঝিনাইগাতীতে করোনা সন্দেহে এক কিশোরের নমুনা সংগ্রহ

» করোনায় ই-রাজনীতি : হোয়াটসঅ্যাপে সভা; ভিডিও বার্তায় আহ্বান

» মোদির কাছে ম্যালেরিয়ার ওষুধ চাইলেন ট্রাম্প

» ধনী মালিকদের নয়, অসহায়দের সাহায্য করতে রাজি ফুটবলাররা

» সাধারণ ছুটি বাড়ল ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত

» শেরপুরে সামাজিক দূরত্ব ও হোম কোয়ারেন্টাইন না মানায় ৯৮ হাজার টাকা জরিমানা

» বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪ হাজার : আক্রান্ত ১২ লাখ

» কেউ চাকরি হারাবেন না : প্রধানমন্ত্রী

» ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

» ঝিনাইগাতীতে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে সেনা তৎপরতা জোরদার

» গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত ১৮, আরও একজনের মৃত্যু

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ৩:৫৬ | সোমবার | ৬ই এপ্রিল, ২০২০ ইং | ২৩শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বিজয় দিবস কবিতাগুচ্ছ

আমরা কেউই মানুষ না
মাহমুদুল হাসান আরিফ

img-add

অন্ধের মতো চলছি আমরা
দেখেও কিছু দেখি না
বধির বেশে চলছি আমরা
শুনেও কিছু শুনি না।

সারা দেশে লাশের গন্ধ
তবু নাকে আসে না
কেন আমরা এমন হচ্ছি
অনুভূতি জাগে না।

অন্যায় পথে সবই হচ্ছে
ন্যায়ের পথে চলি না
বলার মত মুখ তো আছে
তবু কথা বলি না।

শেখার রাস্তা অনেক আছে
আমরা কিছু শিখি না
খাতা কলম আছে পরে
হাতে নিয়ে লিখি না।

বিবেক আছে ঘুমের মাঝে
আমরা তারে ডাকি না
বিবেক ছাড়া মানুষ হয়না
সেটাও আমরা জানি না।

সকল কিছু পরে যদি
থাকে একটি ছোট্ট না
কাগজ আনেন লিখে দিবো
আমরা কেউই মানুষ না।
…………………………

আর বাসেনা ভালো
নূরুল ইসলাম মনি
———————-
নীল আকাশে যাচ্ছে ভেসে
শুভ্র মেঘের ভেলা,
হাত বাড়ালাম, ধরলোনা সে
নাই বুঝি তার বেলা।

গানের পাখি নাচছে ডালে
গাইছে মধুর সুরে,
ডাকলে আমি ফুড়ুৎ করে
যায় সে চলে দূরে।

ফুলটা আমায় দেয়না ধরা
দূরে দূরেই থাকে,
যায়না বোঝা বুকের ভেতর
কার ছবি সে আঁকে।

চাঁদটা আমায় হিংসে করে
দেয়না মোটে আলো,
এই জগতে কেউ কি আমায়
আর বাসেনা ভালো?
——————————

যেথায় আমার নাড়ী
আবু সাইম মোল্লা

শেরপুর আমার জন্ম ভূমি
শেরপুর আমার প্রাণ,
শেরপুর আমার রক্তে মাখা
ভালোবাসার গান।
দূরে আছি তবু কাছে
সবটা হৃদয় জুড়ে
মনপড়ে রয় সেথায় আমার
সকাল সন্ধ্যা ভোরে।
শান্ত নিবিড় পাখি ডাকা
শ্যামল বরণ গাঁ’য়
নদীর বুকে রঙিন বেশে
নৌকা চলে ধা’য়।
আকাশ পাহাড় নীল সবুজে
মুগ্ধ মাখামাখি
লতাপাতায় জড়িয়ে আছে
নানা রঙিন পাখি ।
শষ্য ভরা সবুজ মাঠে
ঢেউ খেলে যায় দোল
পথের ধরে ফুটে হেথায়
ছোট্ট বুনোফুল।
স্নিগ্ধ শ্যামল মায়ায় ঘেরা
আমার জন্মভূমি
মৃত্যু কালে তোমার বুকে
ঠাঁয় দিও মা তুমি।
…………………………

তোমাকে অনেক কিছু দেওয়ার ছিল
সৈয়দ সওকাত হোসেন

তোমাকে অনেক কিছু দেওয়ার ছিল
তবুও দিতে পারিনি ,
সময় আজ জীর্ণ বুকে দাঁড়িয়ে
হাসে বিদ্রূপের হাসি
সকলের মতো না হয়ে
তুই কেন আলাদা !

তাই আমার শেষের দিনটা
কেবল তোমায় দিবো ,
তোমার আঙিনায়
খেজুরপাতার রঙিন শীতলপাটিতে
দিবো শেষ ঘুম ,
তোমার কান্নার রোলও
জাগাতে পারবে না আমায় ।।
……………………………
আমরা শিশু
জান্নাতুল_ফেরদৌসী_মিশু

আমরা শিশু আমরা ভবিষ্যৎ
আমরা হলাম ভোরে আলো
রাতের আঁধার ঘুচবো মোরা
করবো সবার ভালো!
আমরা শিশু গড়বো নীতি,
গড়বো সমাজের নতুন রীতি।
ভবিষ্যৎ পরিচালনায় আমরা আছি
আমাদের ছাড়া এগুবে না পৃথিবী।
………………………………
বিষয়:-কবিতা
শিরোনাম:- দাদু
লেখকঃ মোঃ জাকির হোসাইন
তারিখ:-৩০ শে নভেম্বার ২০১৯
¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤

দাদুকে আমি হারিয়ে ফেলেছি
যখন আমি কোলে,
মনেনাই ঠিক কেমন ছিলেন
গেছি একদম ভুলে!!

পাড়া-পড়শিরা বলেন সবাই
অনেক ভালো ছিল,
বাবা বলেন দাদুর আদর্শ
তুমি এবার জ্বালো!

দাদি বলেন আমার জন্যই
দাদুর অনেক মায়া,
দিবস নিশি আগলে রাখতেন
হয়ে কোমল ছায়া!

এই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দাদু
আমার দাদু ছিলেন,
আঁখি স্রোতে মাঝে মাঝেই
মা আমাকে বলেন!

পাইনি আমি দাদুর আদর
ভাবতে হৃদয় ফাটে,
ফুকারে মন ভীষণ একেলা
ভাসছি আঁখি স্রোতে!

সবার মতন ইচ্ছা করে
দাদুর কোলে যাই আদরে,
দাদু কি ছিল অভিমানী
রাগ করেছে আমার সাথে?

ইচ্ছা করে দাদুর সাথে
করি হুরা-হুরি,
মনের মতন করি একটু
স্বপ্ন ছোড়া-ছুড়ি!

অপরাধী আজ লাগে বড়
দাদু কেন নাই?
সব থেকেও নিজের ভেতর
আমি যে অসহায়!!

দাদু আমার হারিয়ে গেছেন
অচিন নদীর পারে,
অবুঝ নাতি ডাকছে দাদু
আসবে নাকি ফিরে??
………………………….
সবই কাল্পনিক
রূপেন শেঠ

সময় হয়েছে!
এইবার ফিরে যেতে হবে কোটরে,
হামাগুড়ি দিয়ে রাত্রির ছায়ায়
নিথর হিমলাশের আত্মায়।

নৃশংস পেঁচা-পেঁচির ভরা সংসার ছিল কোটরে!
তারা উচ্ছেদিত, তেজবিক্রম আমার
আত্মার তান্ডবে,
তবুও আছে কিছু বাধা-
বটের ঝুরির আস্ফালন, কোটরের মুখে।

জীবনভোর সংগ্রাম, জীবনভোর সংগ্রামে-
ক্রমান্বয়ে রূপান্তরীত মৃত্যুহীন লাশ-
জৈবিক দিনের কশাঘাতে,
হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ-
এখন আমি নিরাকার ব্রক্ষ্ম-শূন্য,
ওই দেখো, আমার বিগত বেওয়ারিশ লাশ!
সেও হয়ে উঠেছে লালায়িত রূপপরিবর্তনে-
দিনকালের বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেড়োর গ্যাঁড়াকলে-
ধীরে ধীরে পচা শব পাল্টাচ্ছে কঙ্কালে,
অহো, বিমুক্ত আত্মা আমি-
নিশ্চিন্ত, পাহাড় ভার শরীরের বিচ্ছিন্নে।

জানো? আমি কিন্তু হ’তে চাইনি লাশ!
কাল বিক্ষেপে, সময় সরসীতে- অবগাহনে-
ছিলাম মত্ত অনন্ত সুধা পানে জীবন মন্ত্রে,
ছিলো মধুর মাধুরী স্বপ্নের স্বপ্নিলী-
ব্যাপ্ত পরিবৃতা ভূবন জুরে আমার,
রামধনু হ’তো আকাশ-
গীত-সুধা-রস সপ্ত সুরের স্পর্শে,
হ’তো বসন্ত সমাগম ভূবনে-ভূবন আকিঞ্চনে,
যেতাম ভেসে সুরের সাম্পানে-
সঙ্গী ক’রে গীতবিতানের অক্ষত প্রেম,
হ’তো বিহ্বল বর্হিবিশ্ব, আকাশের তারা-
হ’তো দোহার নাইটিংগেল, কোয়েল,
বাজাতাম হ্যামলিনের বাঁশি;
সেই সুরের বিমুগ্ধ বাসরে-
হয়ে যেতো শান্ত-নিশ্চলা বিমুগ্ধা-স্বপ্নিলী,
যেতাম হারিয়ে গগনে গগনে ক্রন্দসীতে-
একাঙ্গীতে।

কে? কে তুমি?
আমার নিদ্রাবকাশের প্রাক্কালে?
তুমি? তুমি আমার বিগত স্বপ্নের স্বপ্নিলী?
কাঁদছো কেনো? কেঁদোনা-
এই তো আমি, তোমার জীবন সাধনার স্বপ্ন আমি,
দেখো চেয়ে, স্পন্দনহীন তোমার জীবনান্ত দেহ-
শোয়ানো নিথর হিমলাশে- শবব্যবচ্ছেদের টেবিলে,
করবে পরীক্ষা ডাক্তার একটু পরে,
খুঁজবে কাটাছেঁড়ায় বিগত শবে-
কিসে পূর্ণতা তোমার জীবনের, আত্মহত্যায়-
নাকি, ট্রেনের চাকার ধর্ষণে খন্ডে-বিখন্ডে?
স্বপ্নিলী, তোমার বিগত সতীত্ব-
খাচ্ছে লুটোপুটি লাশকাটা টেবিলে-
অব্যক্ত নারীত্বে;
চলো স্বপ্নিলী, নিদ্রায় যাই, প্রেত-প্রেতিনীতে-
পুনর্জন্মের নিরুদ্দেশ যাত্রার প্রাক্কালে।
…………………………………….
আলসে বর
মোহাম্মদ রবিউল আলম (টুকু)

লোভে পড়ে লোকমান আলী
হয়েছিলো ঘর-জামাই,
ভেবেছিলো ভাবনা নেই আর
বসে খাবে পর-কামাই।

বাধ সাজে তার পোড়া কপাল
বউয়ের মেজাজ খিটখিটে,
সকাল-বিকাল ব্যস্ত রাখে
ঘর-বাড়ি চায় ফিটফিটে।

রাঁধুনিকে বিদায় দিলে
চাকরটিও নেয় ছুটি,
লোকমান আলী ময়দা ডলে
বউয়ের মুখে দেয় রুটি।

বউখানি তার ডায়েট করে
খাবারেও তার নেই রুচি,
সকালে তার লাগে রোজই
মাংসের ঝোলে দশ লুচি।

হরেক রকম নিয়ম আছে
মেনে চলা খুব কঠিন,
গরম ভাতে জিভ পুড়ে যায়
ঠাণ্ডা ভাতে যায় না দিন।

সন্ধ্যে হলেই চায়ের সাথে
লাগে কিছু গরম ‘টা’,
নুডুলস্, বার্গার, স্যান্ডউইচ বা
খাঁটি মোগলাই পরোটা।

রাত্তিরে খায় শুকনো রুটি
সবজি লাগে দুই বাটি,
ঘুমের আগে পেতেই হবে
গরম দুধের স্বাদ খাঁটি।

বাতের ব্যথায় ঘুম না এলে
লোকমান আলী করে যা,
খাটের কানায় বসে বসে
টিপতে থাকে বউয়ের পা।

এইটুকুতে বউ খুশি নয়
ভাবেন,তাহার আলসে বর,
নিজে নেহাত ভদ্র বলেই
আলসে বরের করছে ঘর।
………………………..
তারুন্যের ডাক
এম এইচ মুকুল।
=============
লেখনিতে বেঁচে আছি
কলম হাতে করছি লড়াই,
নিজের তরে ভাবি না কিছু
ন্যায় এর তরে এগিয়ে যাই।

মিথ্যে জ্ঞানের মানুষেরা
ভদ্র মুখোশে জ্ঞানীজন,
অর্থ অহংকারে অন্ধ বিবেক
সমাজে মিথ্যে প্রহসন।

আমার কলম চলবে সদা
ন্যায় এর জোরে সাম্যের তরে,
লেখন তেজে রুখবো অন্যায়
বিদ্রোহী হবো ব্যাভিচারে।

অত্যাচারীর লৌহকপাট ভাঙ্গবো এবার
নিগৃহীত নির্যাতিতার আহ্বানে,
টুটবো বিভেদ উঁচু নিচুর
তরুণ বলের উম্মাদনে।

কে আছ তরুণ জাগো এবার
কলম ধরো সত্য লেখার,
ন্যায় প্রতিষ্ঠায় গর্জে উঠো
রুখবে তোমায় সাধ্য কার?
………………………….
নারীরা কি পণ্য ? নাকি পুরুষরা বন্য ?
রচনা রবীন্দ্রনাথ হালদার।
………………………………………..
ভারত অতি প্রাচীন সভ্য দেশ ।
আধুনিক যুগের ঘটনাক্রমের মধ্যে তার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এতোটুকু আবেশ।
ত্রেতা যুগে সীতা ছিলেন রামের ঘরনী।
দ্বাপরের রাধা ছিলেন কৃষ্ণ বিরহিনী।
নিমাই পত্নী বিষ্ণুপ্রিয়া ছিলেন জনম দুখিনী।
তিন যুগে নারী ~জীবন লভেছিনু ভিন্ন ভিন্ন রূপ,
কোনো যুগে দেখা যায়নি কিন্তু পুরুষের এতো কদর্য আর কূরূপ ।
রাবন করেনি কিন্তু সীতা দেবীর চরিত্র হরণ!
এখানেই রাবনের উত্তম পুরুষের চরম নিদর্শন।
অতি নাটকীয় প্রেমের জ্বলন্ত প্রমাণ হলো ~ হেলেন অব ট্রয়।
সেখানেও হেলেনের চরিত্র হয়নি এতটুকু দাগ কিংবা সংশয় ।
শেক্সপিয়রের ম্যাকবেথ নাটকের কথা কে না জানে !
এতোটুকু চরিত্রহননের কথা নেই কিন্তু সেখানে।
পৃথিবীর সর্বত্র যুগে -যুগে নারীদের করা হয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান।
আধুনিক যুগে এসে কি এমন হলো ~ যাতে প্রতি পদে -পদে নারীরা পেয়ে চলেছে তীব্র অসম্মান।
ব্যক্তি ,সমাজ ,রাজ্য ,রাষ্ট্র ,দেশ না পৃথিবী এর জন্য দায় কার?
নতুন করে বিচার বিশ্লেষণ করতে হবে বুঝি আবার!
নারী জাতির সম্মান করা ভারতীয় সংস্কৃতির ধারা।
সেটাকে ভেঙে- চুরে চুরমার করে অপসংস্কৃতিকে ডেকে আনলো কারা!
তবে কি সমাজের রন্ধ্রে- রন্ধ্রে ধরে গেছে অপসংস্কৃতির ঘুণ !
তাই কি ধর্ষণের মতো নোংরা ঘটনা সমাজের মুখে লেপে দিচ্ছে চুন।
গ্লোবাল যুগের অতি আধুনিকতা আর বিজ্ঞানের নানা উপকরণ।
হয়তো এদের কারণেই বদলে গিয়েছে অপরাধের ধরন।
কিংবা অপরাধীরা যখন দেখে নড়বড়ে শাসন ব্যবস্থায়,
নানা ক্ষমতার জোরে তারা সহজেই ছাড়া পেয়ে যায় !
এ ধরনের অপরাধের~ অপরাধীরা যদি চরম সাজা না পায় !
তবে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা যাবে বারংবার বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায়।
ধর্ষকের শাস্তি পাওয়ার আগে , যদি ধর্ষিতা সরকারি অনুদান পায় !
তবে সেটা সমাজের বুকে ধর্ষণের টনিক হিসেবে নিশ্চয়ই ধর্ষকরা ‌ উৎসাহ পায় !
যেমনি মানুষ মরার পরে তার জাত, ধর্ম ,পরিচয় হয়ে যায় শেষ‌ !
তেমনি ধর্ষকের ,জাত ,ধর্ম ,বয়স এসব কিছুই~ বিবেচ্য না হওয়াই দস্তুর বিশেষ।
প্রকৃতির নিয়মেই নারী-পুরুষ পরস্পরের কাছাকাছি আসবে!
প্রকৃতির নিয়মেই তারা পরস্পরকে ভালবাসবে ।
তা’বলে কখনোই কোনো নারীকেই বলা যাবেনা পণ্য,
কোনো পুরুষকে বলা যাবে না যে ,তারা প্রকৃতির নিয়মেই বন্য !
আসল পশুটি লুকিয়ে আছে~ আমাদের সমাজ, রাষ্ট্রকাঠামো, আইন ব্যবস্থা ,শিক্ষা ব্যবস্থা আর মানুষের চিন্তাভাবনায় !
সুষ্ঠুভাবে বজায় রাখলে সমস্ত কিছু সমাজে ঘটবে না আর কখনোই এরকম অন্যায় ।
………………………………………………………………………………
স্বার্থের নির্দয় অন্বেষণে ছুটে চলেছে মানুষ
মোহাম্মদ মিজানুর রহমান
======================
এখানে এখন—
প্রায় সবার প্রায় এক মনোভাব—
সর্বত্র সবখানে, সর্বক্ষেত্রে শিখর কর্তা
হতে হবে। গাড়ি-বাড়ির মত স্ট্যাটাস সিম্বলের আভিজাত্যের উপকরণ যা যা আছে তার সবকিছু চাই-ই চাই। শিক্ষাঙ্গনে শেখা—
নীতিকথা-ধর্মকথা কেতাবে পড়ে থাক।
সমাজ-সভ্যতার কথাসব চুলোয় যাক।।

আর তাই—
দ্রুতগতির অন্ধ পদক্ষেপে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে
চলেছে মানুষ। উপরে উঠার সিঁড়িপথ খুঁজতে সবাই এখন শশব্যস্ত। হটকারিতা; চাটুকারিতা; চরিত্রহীনতা আর প্রতারনার লুটেরা মনোভাবে সবাই ছুটে চলেছে—
নষ্ট রাজনীতির রাজ্যপাটে।
দেশের হাটে-মাঠে ও ঘাটে।।

এগিয়ে যাবার উন্মত্ত দৌঁড়; গতির
তীব্রতায়; অশান্ত বেগে ছুটে চলেছে
সবাই—
ভ্রুক্ষেপ নেই ডানে-বামে।
ভয় নেই কোন বদনামে।।

অর্থ পরাস্ত করে ফেলেছে সকল মানবীয় হৃদয়বৃত্তিকে। প্রলোভনের কাছে বিবেক পরাজিত।মুল্যবোধের পলেস্তারা এক এক করে খসে পড়েছে। সবাই যেনো উদ্ভ্রান্ত—
দেশ-দুনিয়ার সর্বসেরা ধনী হবার বাতিকে।
দেবার মত কারো নেই যেন কিছু- জাতিকে।

হায়রে! হারিয়ে গেছে আজিকে—
শুদ্ধতার ধারা। ঝেঁকে বসেছে—
তেলমর্দন আর তোষামোদি-খোশামোদির সংস্কৃতি। শ্রেণী বদলের সুতীব্র প্রতিযোগিতায় আজিকে মত্ত সবাই–
সুর-বেসুর মাতে।
জ্ঞাতে-অজ্ঞাতে।।

এখন কোথাও নেই উচ্ছলতায় ভরা
কোন প্রাণের পরশ। সর্বত্র স্বার্থপর লৌকিকতা আর প্রাণহীন আনুষ্ঠানিকতা ও কৃত্তিম সম্পর্কের বাঁধন। ভালোবাসা ও প্রেমগুলোও যেনো—
অর্থ স্বার্থের নীল নকশায় সাজানো।
চলছে বেশ মিথ্যা হৃদবাদ্য বাজানো।।

অভাবের শেকলে বাঁধা নিরুপায়-অসহায়
দরিদ্রজনের কথা; ক্লিষ্টমুখ চাহনির খেটে
খাওয়া মানুষের কথা; সামাজিক সুস্থিতি, ঐক্য, শান্তি, সম্প্রীতি, সৌহার্দের আত্মবন্ধনের কথা; অসাম্য, বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সব কথা ভুলে গিয়ে নিজেদের স্বার্থপরতার পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে আত্মউদ্ধারের প্রচেষ্টায় সবাই এখন শুধু—
লাভের সম্ভাবনার দিকে এগোয়।

যুগের হাওয়ায় ভেসে সবাই—
কেমন জানি পাওয়া না পাওয়ার
দোলাচলে দুলছে।
দেশ ও দশের কথায়—
সবাই যেনো সজ্ঞানে উদাসীন।

সর্বত্র এখন শুধু অন্তঃসারশূন্য আনুষ্ঠানিকতার বাহার। আনুষ্ঠানিকতার জৌলুশে চাপা পড়ে যাচ্ছে শুদ্ধ সম্প্রীতির আবেশ। ছুটে চলেছে মানুষ—
স্বার্থের নির্দয় অন্বেষণে।
==============================
আধপোড়া ভালোবাসা
পার্থদীপ সমাজদার

উপবাসী মন, বোঝে সেই জন
ব্যথার বেদনা কত খানি,
ভেঙেছে যার ঘর, হৃদয় তার
ঢেকে রাখে দেখ ব্যথা খানি৷

জননীর বুকে শত আঘাতেও
হাসি ঝরে দেখ মুখে,
তার বুকের ব্যথা প্রসব জ্বালা
এক হয় সব যেন সুখে৷৷

দিকে দিকে ঐ স্বার্থের আঘাত
বাদ নেই বুড়ো বুড়ি তাতে,
আতে ঘা লাগা শিক্ষিত পুর্ত পুত্রী
ঠেলে ফেলে বৃদ্ধাশ্রম ঘাটে!

অর্থের বিনিময়ে প্রেম ভালোবাসা
বিকোয় কি কিলো দরে সমাজে?
শিক্ষার মানে আর আইনের ফাঁকে
কত রঙ্গ দেখ ঘট্ সমাজে!

বাঁধন হীন সব সম্পর্কের বাঁধনে
সমাজ আলগা হয়েছে যতনে,
মিছে দোষ খোঁজা আপন কপালে
সব সম্পর্ক বাঁধি স্বার্থের আয়োজনে৷৷

শাসন হীন শোষনে ঐ দেখ ভেঙেছে
সুখের একান্নবর্তী ঘর,
ছোট্ট ঘরে সুখের ডালে বাঁধা বাসা
স্বামী স্ত্রী আর এক সন্তার ধর৷

হারিয়েছে ঠাকুর মার ঝুলি-
হারিয়েছে দিদার বুলি,
স্নেহ প্রেমের রুদ্র আঘাতে দেখ
শুকায়ে গেছে শৈশব বুলি৷

সময়ের নিষ্ঠুর আঘাত স্বার্থে
ভেঙেছে স্নেহ প্রেম বন্ধন,
স্নেহ ভালোবাসা বিহীন হৃদয়
ভেঙেছে সমাজ ছন্দ বন্ধন৷

বাইরে কেবল প্রেমের হাওয়া
বুলবুল তোলে সাইক্লোন,
অন্তঃ শূন্য ভালোবাসার মসনদ
যেন আমাজনের অগ্নিক্লোন৷

পুড়ছে শিশু, পুড়ছে বৃদ্ধবৃদ্ধা
জীবন গড়া সুখের অনল,
মানুষ যদি না বোঝে অন্:দহন
সাগর নেভায় কি অনল?
(সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত)
……………………………….
সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মোস্তফার গান
এস কবির

যে চরণে বেহেস্ত পাই
আমি হারালাম সে চরণ
আমার মাকে কেড়ে নিল
হায়রে নিঠুর মরণ।

ভালবাসার আধার সেযে
আমার সকল সুখ
সেই মায়েরে কেমনে ভুলি
কান্দে আমার মন।

অল্প পেলেই হতেন খুশী
দেখবোনা আর তারই হাসি
মায়ের চরণ ধুয়ে দিব
হারালাম সেই ধন।

আমার মাথায় হাত রাখিয়া
বলবেনা আর কাছে নিয়া
খাইছো নাকি মানিক আমার
তুমি আইসাছো কখন।

জনম দূখী মাযে আমার
মোস্তফ তাই ভাবে আকার
আল্লাহ তায়ালার প্রেমের একক
মায়ের প্রেমে হয় ওজন।
………………………….
যাব বললেই তো আর যাওয়া হয় না
কলমে – সৈয়দ সওকাত হোসেন

যাব বললেই তো আর যাওয়া হয় না

দিনটি ছিল বর্ষার একটা কালো রাত
জ্বরে পুড়ে যাচ্ছিলো সারা শরীর
বাঁচতে যেন আর ইচ্ছা হয় না
মরণ তাই হাতছানি দেয় বারবার ।

শেষ রাতে এসেছিলে গুটিগুটি পায়ে
শীতল তালুর ছুঁয়া জ্বলন্ত কপালে
আছড়িয়ে পরে অশ্রুর ধারা তপ্ত বুকে
লোনা ঠোঁট কানেকানে বলে যায়
বেঁচে থাকার মন্ত্র ;
তবুও মন বলে
দু’ফোঁটা বাঁচিয়ে রাখো
ওই নীল জল সাদা কাফনে মেখে
এ অশান্ত মন ঘুমাবে কবরে ।

যাব বললেই তো আর যাওয়া হয় না
মৃত্যু একটা ছোট্ট গল্প
বেঁচে থাকাটা একটা গোটা উপন্যাস ।।
……………………………………..
দাও হে সুস্থতা
মোঃ রকিবুল হাসান

সুস্থতা মোরে দেয়না অবসর
তাইতো অসুস্থ হই প্রতিক্ষণ।
বিছানা মোর বুঝি আঁতুড়ঘর
তাইতো সঙ্গী যখন তখন।
কর্মে আমার হচ্ছে হেলা
বুঝাবো কেমনে মনের ব্যথা।
অহর্নিশ এভাবেই কাটছে বেলা
জমে আছে অব্যক্ত কথা।
আছে যত অসুস্থ জন,
সুস্থতার করি শুধু নিবেদন !
রহমতের বারিধারা করো বর্ষণ,
করুণাময়ের দরবারে এই আবেদন।
……………………………………
দোয়া
নূরুল ইসলাম নাযীফ

দোয়াটাকে এড়িয়ে চল
তুচ্ছ ভাবো অতি,
দোয়ার মধ্যে জান নাতো
থাকে কত জ্যোতি।
অব্যর্থ তীর দোয়া সে তো
শক্তি তাতে ভীষণ,
দোয়ার শক্তি সফল করে
কঠিন যত মিশন।
দোয়া কভু যায় না বিফল
হয় যে সবই পুরা,
তুচ্ছ ভাববে দোয়া যারা
তারা কপালপোড়া।
…………………………..
স্বার্থের কালিমা
পার্থদীপ সমাজদার

সময়ের উলঙ্গ পথে হেঁটেছি বারে বারে-
সৃষ্টির আদি হতে অন্তের পথে,
দেখেছি রক্তিম প্রভাতে শোনিত ধারায় সিক্ত
হাজারো হাজারো উল্কার পথ চলা
দেখেছি শ্মশানে জ্বলন্ত চিতায় কবরের সজ্জা,
ভেঙেছে গড়েছে শুধু জীবনের পথ চলা৷৷

দেখেছি উলঙ্গ শিশু, মুষ্ঠি বদ্ধ হাতে- কত কথা কয়
নির্বাক মাতৃ-ক্রোড়ে অর্ধ মেলিত চোখে;
যেন সৃষ্টির আধাণ করে বারে বারে খান খান,
মানবিকতার রক্ত প্রবাহে- বন্ধ হৃদয় চোখে৷

আজ উলঙ্গ হয়েছে সভ্যতা, উলঙ্গ করে আপনারে,-
এটাই যেন সভ্যতা দিয়েছে হৃদয় মাঝে গড়ে;
ভুলেছি আপনারে, ভুলেছি সৃষ্টির কারবারে-
কেন আসা এ ধরণী পরে জীবনের ইতি বৃত্ত গড়ে;
ভুলেছি ইতি হতে অন্ত- এ অনন্ত সাগর মাঝে-
শুধু স্বার্থের পিরামিডে বেঁধেছি আপনারে নীরবে৷৷

এ সৃষ্টি তো হয় নি সৃষ্টি স্বার্থের দরবারে কোন কালে,
এ সৃষ্টিতো নিঃস্বার্থ বলিদানে গড়েছে আপনারে;
তবু তার অপত্যের কেন এতো অহংকার, এতো গরিমা-
কোন সম্পদ লোভে আপনারে করে কালিমা?
আজ চারিদিকে আলোর মাঝে শুধু আঁধারের ভ্রুকুটি
ধ্বংস করেছে মানবতা মেখে বিধাতার মুখে কালিমা৷
(সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত)
……………………………………………………
সুখের দিনে থাকবে শত ভালোবাসার লোকে
শাকিল আহমেদ সৌরভ

সুখের দিনে থাকবে শত ভালোবাসার লোকে,
লেজ গুটিয়ে পালায় যাবে দেখা দিলে শোকে।
এটাই সত্যি কথা ও ভাই এটাই সত্যি শুনো,
তাইতো বলি মিথ্যে মায়ায় মিথ্যে অাশা বুনো।

বলবে তোমায় ভালোবাসে নিজের সকল দিয়ে,
একটু যদি বিপদ অাসে সরবে স্বার্থ নিয়ে।
মুখের কথায় পাগল সে তো করবে তোমায় বোকা,
অাসল কথা বুঝতে পারবে দিবে যখন ধোঁকা।

ভালো যাকে বাসবে তুমি দিবে সে’ই কষ্ট,
বিশ্বাস করে সকল দিবে জীবন হবে নষ্ট।
কেমন করে বুঝবে বলো চলা বলায় ফিটফাট,
সে মানুষটাই চলে যাবে করে সকল মিটমাট।

কেমন করে বুঝবে তুমি অবাক করা ভবে,
তবু তোমায় চিন্তা করে পা বাড়াতে হবে।
কতো রকম রঙের মানুষ এ সমাজের মাঝে,
কে যে সঠিক বুঝতে হবে নিখুঁত করা কাজে।

সুখে দুঃখে সঙ্গী যিনি রাখবে তোমায় মনে,
পারলে তুমি চিনে তাকে থেকো যে তার সনে।
সুখে দুঃখে সঙ্গী যিনি রাখবে তোমায় ভালো,
এমন মানুষ খুঁজো পারলে ঘুচবে সকল কালো ।
………………………………………………
ন্যায় নীতি
মোঃ জামাল উদ্দিন

একটু ভাবো দিনটা শুরু
করবে কেমন করে,
বেলা শেষে কেমন ফসল
উঠবে তোমার ঘরে।

সত্য দিয়ে করবে নাকি
মিত্যে দিয়ে শুরু,
হালাল রুজির চিন্তা মাথায়
নাকি নাটের গুরু।

যা কর ভাই তুমি কামাই
পাবে তাহার ফল,
ভাল হলে সুখের হাসি
মন্দের চোখে জল।

বোধ বিচারের শক্তি তোমার
আছে দেহের মাঝে,
যেমন কর্ম তেমন ফসল
পাবে তোমার কাজে।

পোশাক আশাক রূপ চেহারায়
যায়না মানুষ চেনা,
কর্মেই তাহার মেলে প্রমাণ
আসল মানুষ কি না।

দিনটা সবার হোকনা শুরু
ন্যায়ের পথটি ধরে,
আদর্শ আর নীতির পথেই
আসবে যে সুখ ঘরে।
……………………………
তুমি যাই কর্ম করো..
মোক্তার হোসাইন…

তুমি যাই কর্ম করো সেটা
ছোট নয়
সহ্য করো লোকে তোমায়
মন্দ যাহা কয় ।

বড় হতে হলে হবে খুব
ধৈর্য্যবান
তাতেই আল্লাহ্‌ বাড়িয়ে
দিবে তোমার সম্মান ।

সৎ পথে কর্ম করে এগিয়ে
যাও রোজ
মনের মধ্যে চিন্তা রাখো
মানবিক বুঝ।

অল্প অল্প করে গড়ে তুলো
নিজের অবস্থান
এক দিন ঠিক পেয়ে যাবে
সঠিক একটা স্থান ।
…………………………….
প্রয়োজনে ভালোবাসা
গোলাম মোস্তফা

কেউ কাউকে ভালোবাসে না
প্রয়োজন হলেই খোঁজে
ভালোবাসাটা আসলেই কি
আসেনা আমার বোঝে।

প্রয়োজন হলেই কাছে আসে
ফুরিয়ে গেলে দূরে
আমি নাকি খারাপ মানুষ
যাকে তাকে বলে।

ভালোবাসার কিছু মূল্য
দিতে পারে আদর্শ বউ
স্বার্থের কিঞ্চিৎ ব্যাঘাত ঘটলে
চলে যায় সেও।

ভালোবাসা একটা জায়গায়
মনে হয় খাঁটি
সে হলো আমার মা
দেশ এবং মাটি।

মা বাবা কখনো দেখে না স্বার্থ
দেখেন সন্তানের সুখ
সন্তানের একটু কষ্ট হলেই
কেঁদে ভাসায় বুক।
…………………………….
কবরবাসী
খাদিজা বেগম

রাজার হুকুম মান্য করে
পেঁয়াজ ছাড়া তরকারি খাই,
আমার কি ভাই কবর বাসী
প্রতিবাদী কণ্ঠ যে নাই।

একদিন আসবে এমন হুকুম
চাউল ছাড়া খাবে যে ভাত,
কণ্ঠে কণ্ঠে আগুন জ্বালাও
করবো মোরা আজ প্রতিবাদ।

বাংলা মায়ের সন্তান আমরা
ওদের কেন ভাই করছি ভয়?
আমার যোদ্ধা আমার স্বাধীন
আমার কারো গোলাম তো নয়।

ওরা মোদের বেতন ভুক্ত
তবু কেন চালায় হুকুম?
ন্যায্য দাবি চাইতে গেলে
চালায় গুলি করে যে গুম।

মোদের টাকায় গাড়ি বাড়ি
আসবাবপত্র বহু দামি,
তবু খায় যে লুটেপুটে
বললে কথা হই আসামি।

ওদের পেশা রক্ত চোষা
খায় যে চুষে প্রজার রক্ত,
মুখে মুখে মানব সেবা
মনে মনে অর্থ ভক্ত।

মানবতার ডাক এসেছে
আয় ছুটে আয় দলে দলে,
অত্যাচারী ধ্বংস করি
সত্য সঠিক পথে চলে।
………………………..
নিবেদন

মো: রাবিউল ইসলাম

ফেসবুকেতে আমার যত
আছেন বন্ধুগণ,
সবার নিকট আমার একটি
রইলো নিবেদন।

যাদের আছে বহু আইডি
সবার আমি সখ্য,
একটায় রাখুন আমার নাম
পূর্ণ করতে লক্ষ্য।

প্রথম প্রথম যেজন মোরে
দিতেন রিকুয়েস্ট,
কাউকে আমি বাদ রাখিনি
করিনি তো টেস্ট।

এখন দেখি ফেক আইডিতে
ঘর হয়েছে পূর্ণ,
অনুরোধ তাই পাই না দিতে
হৃদয়টা হয় চূর্ণ।

ভাববেন না কেউ আমার এখন
হয়েছে খুব গর্ব,
ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট অনেকের তাই
করছি আমি খর্ব।

আমায় নিয়ে এমন ভাবনার
কোনই কারণ নাই,
খুব সাধারণ মানুষ আমি
জেনে রাখুন তাই ।

বন্ধু যারা আছেন তারা
একটু সময় দিন,
বহু আইডির একটায় রেখে
আনফ্রেন্ড করে নিন।

তবেই আমি নতুন বন্ধুর
করবো যে ঋণ শোধ,
উল্টো যারা বুঝেছিলেন
হবে তাদের বোধ।
…………………………

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!