‘হিজড়া’ জনগোষ্ঠি ও সামাজিক বাস্তবতা : আমাদের করণীয়

-হাকিম বাবুল

বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান বলছে, ‘হিজড়া’ শব্দটি হিন্দি ভাষা থেকে এসেছে। হিজড়া বিষয়ক একজন গবেষক বলেছেন, ‘হিজড়া’ শব্দ এসেছে ফারসি থেকে। ফারসি ভাষায় হিজড়া অর্থ হলো ‘সম্মানিত ব্যক্তি’। হিজড়াকে ইংরেজি ভাষায় ট্রান্সজেন্ডার, হার্মফ্রোডাইট, কমন জেন্ডার, হিব্রু ভাষায় ইউনাক, আরবি ভাষায় খুনসা ইত্যাদি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে যে ভাষা থেকেই শব্দটি আসুক না কেন, হিজড়ার আরো অনেক সমার্থক ও পারিভাষিক শব্দ আমাদের সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে ছড়িয়ে আছে। যেমন শিখ-ী, খোঁজা, বৃহন্নলা, তৃতীয় লিঙ্গ, উভয় লিঙ্গ, নপুংসক ইত্যাদি। বর্তমানে আমাদের রাষ্ট্রীয় বিধান অনুসারে হিজড়া জনগোষ্ঠি ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ বলে অভিহিত। প্রথমত, ‘হিজড়া’ মানব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানের অভাব। তদুপরি এ মানব সম্প্রদায় সম্পর্কে আমাদের নেতিবাচক ধারণাও রয়েছে। ফলে সমাজে অতি কাছে থেকেও হিজড়াদের সম্পর্কে আমাদের আগ্রহের কমতি পরিলক্ষিত হয়।
প্রকৃতপক্ষে হিজড়া হলো নারী-পুরুষের বাইরে আরেকটি লিঙ্গ বৈচিত্র্যের মানবধারা। যৌন-বৈচিত্রের ভিত্তিতে আমরা ছয় ধরনের হিজড়ার অস্তিত্ব সমাজে পাই। হিজড়া মানববিশেষ লৈঙ্গিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিকশিত হয়, তার লিঙ্গ অনুপযোগী। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিকলাঙ্গ। যার পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয়টিই রয়েছে অথবা কোনোটিই নেই। একই দেহে স্ত্রী ও পুরুষ চিহ্নযুক্ত অথবা এই উভয় চিহ্নবিযুক্ত মানুষটি হলো হিজড়া। যে কারণে সমাজবিজ্ঞানীদের কেউ কেউ তাদেরকে ‘লিঙ্গ প্রতিবন্ধী’ বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের মতে, ‘সব মানুষই নিখুঁত নয়, কারো হাত নেই, কারো পা নেই, কেউ চোখে কম দেখে, কেউ কানে শোনেই না, কেউ কথা বলতে পারে না, কারো বুদ্ধি কম। এদের আমরা প্রতিবন্ধী বলি। হিজড়ারাও এক ধরনের প্রতিবন্ধী, তারা লিঙ্গপ্রতিবন্ধী’।
চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা হিজড়া বিষয়টিকে মানুষের জেনেটিক সমস্যা বলে অভিহিত করেছেন। তবে কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ মনে করেন, লিঙ্গীয় ভিন্নতা আসলে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অংশ নয়। নারীর দেহে হরমোনের অসামঞ্জস্যতার কারণে হিজড়া সন্তান জন্মের একটি বড় কারণ। অনেক সময় জন্মের পরও হরমোনের তারতম্যের কারণে নারী-পুরুষ প্রকৃতির মাঝখানে তৃতীয় আরেকটি লিঙ্গের সৃষ্টি হতে পারে। শিশু বয়সে যৌন নিপীড়নের শিকার হলেও কেউ হিজড়া হয়ে যেতে পারে। কোনো সময় আতঙ্ক থেকেও মানুষ নিজেকে অপর লিঙ্গের মতো ভাবতে থাকে। এই অন্য লিঙ্গের মতো ভাবতে পারা যদি নারী-প্রকৃতি হয়ে ওঠে, তখন হিজড়া একটা সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়।
বাংলাদেশে হিজড়াদের সংখ্যা খুব বেশি নয়। যদিও হিজড়ারা মনে করে, সারা দেশে হিজড়া সম্প্রদায়ের সংখ্যা দেড় লাখ। ঢাকায় আছে ১৫ হাজারের মতো হিজড়া। সারা দেশে হিজড়াদের সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ হাজারের মতো। কিন্তু ডেমোগ্রাফি সূত্র অনুযায়ী ঢাকার হিজড়ার সংখ্যা ২৫ হাজারের মতো। হিজড়াদের দাবী অনুযায়ী, শেরপুর জেলায় হিজড়ার সংখ্যা ৫০ থেকে ৬০ জনের মতো হবে।
লক্ষ্যনীয় বিষয় হলো- হিজড়ারা নারীরূপ সাজতে ভালোবাসে। প্রকৃতপক্ষে মানব-প্রকৃতির সবাই সাজতে ভালোবাসে। হিজড়া নারী প্রকৃতি বা পুরুষ প্রকৃতি যা-ই হোক-সবাই দল ধরেই সাজগোজ করতে ভালোবাসে। এমনিতে হিজড়াদের একটা অংশ ভিক্ষাবৃত্তি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, বকশিশ, তোলা ইত্যাদি সামাজিক অপকর্মে রত আছে। এ কাজগুলো নারী সেজে করলে সুবিধা বেশি হয়ে থাকে বলে তাদের মনে একটা সুবিধাবাদ কাজ করে। যেহেতু আমাদের দেশে নারীরা এসব বৃত্তি ও পেশা বেছে নেয় না, সেহেতু হিজড়ারা সুযোগটি গ্রহণ করে। এতে প্রকৃতপক্ষে ‘নারীসমাজ’ অপমানিত হয়। হিজড়াদের নিয়ে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হওয়ার এটিও একটি বড় কারণ। এসব প্রতারণামূলক কাজ পছন্দ করে না-এমন হিজড়াও সমাজে আছে। সমাজে প্রতিষ্ঠিত, শিক্ষিত হিজড়ারা এসব থেকে মুক্ত।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সরকার একটি সুন্দর হিজড়া সমাজ গড়ে তোলার জন্য নানা প্রকল্প গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সমাজসেবা অধিদপ্তর ২০১২ সাল থেকে হিজড়া শিশুদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি চালু করেছে। বাংলাদেশ আইন কমিশন সুপারিশকৃত ‘বৈষম্য বিলোপ আইন ২০১৪’ প্রণয়ন করেছে। জাতীয় সংসদেও তা গুরুত্ব পেয়েছে। এ আইনের ৪ নম্বর ধারা ও উপধারায় লিঙ্গ প্রতিবন্ধীদের জন্ম, পরিবার, উত্তরাধিকার বিষয়ে বৈষম্য বিলোপ করার কথা উল্লিখিত হয়েছে। সংবিধানের ১৯, ২৭, ২৮, ২৯ অনুচ্ছেদেও সব নাগরিকের সমতা, সমান সুযোগ ও সব ধরনের বৈষম্য বিলোপের বিধানাবলি লিপিবদ্ধ রয়েছে। মনে রাখতে হবে, হিজড়ারা পুরুষ নাকি নারী, এ প্রশ্নের উত্তরের চেয়েও জরুরি হলো তারা মানুষ। আমাদের সভ্য সমাজের মতোই মানবম-লী তারা। সুতরাং সব মৌলিক অধিকার তাদের দিতে হবে।
২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশ মন্ত্রিসভা ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ হিসেবে হিজড়াদের স্বীকৃতি দেয়। ২০০৮ সাল থেকেই বাংলাদেশে হিজড়ারা ভোটার। তাদের এ রাজনৈতিক অধিকার রাষ্ট্র মেনে নিয়েছে। আমাদের দেশে তাই নারী আছে, পুরুষ আছে, তৃতীয় লিঙ্গও আছে। রাষ্ট্র হিজড়াদের তৃতীয় লিঙ্গ বলে স্বীকৃতি দিলেও আজও তাদের সামাজিক স্বীকৃতি মিলেনি।
হিজড়াদের তাই সুযোগ হয়ে ওঠেনি অন্যদের মতো কাজ করার। ফলে দেশের অন্যান্য এলাকার মতো শেরপুরে প্রায় অর্ধশতাধিক হিজড়াকে ভাড়া বাসায় থেকে মানবেতর জীবন-যাপন করতে হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে তাদের কর্মসংস্থানের কোন সুযোগ নেই। যে কারণে ভিক্ষাবৃত্তি, উৎসব-অনুষ্ঠানাদিতে হানা দিয়ে নানা অঙ্গভঙ্গি করে কিংবা ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি করেই চালাতে হচ্ছে তাদের ক্ষুন্নিবৃত্তি। তাদেরও সমাজের অন্য পাঁচজনের মতো বেঁচে থাকার অধিকার আছে। স্বাভাবিক চলাফেরার অধিকার আছে। কেউ তাদের ভালো চোখে দেখে না। ফলে প্রতিনিয়তই লাঞ্ছনা-গঞ্জনা সইতে হচ্ছে। তাদের মৌলিক অধিকার ভোগের সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে তারাও সমাজের মুল¯্রােতধারায় ফিরে আসতে পারে। সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাদের জন্য পৃথক আবাসস্থল ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা প্রয়োজন।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হিজড়াদের জন্য পঞ্চাশের বেশি বেসরকারি সংস্থা ও সংগঠন রয়েছে। তাদেরও রয়েছে নানা রকম প্রকল্প ও কর্মসূচি। সরকারি উদ্যোগের সঙ্গে মিলে এসব সংস্থা ও সংগঠন বাস্তবসম্মত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সমাজসেবা কমপ্লেক্সে ২০১৬ সালে হিজড়াদের রূপচর্চা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যাতে তারা বিউটি পার্লার ব্যবসাটা করতে পারে। যেহেতু হিজড়া সম্প্রদায়ের সদস্যরা নারী পরিচয় দিতে বেশি ভালোবাসে এবং সাজগোজ করা তাদের প্রধান শখ। নারী হিজড়াদের জন্য এ কার্যক্রম অনেকটা বাস্তবমুখী। ২০১৫ সালের ৩০ মার্চ ঢাকার বেগুনবাড়িতে যখন একদল জঙ্গি একজনকে হত্যা করে দৌড়ে পালাচ্ছিল, সাধারণ মানুষ যখন দর্শকের মতো উৎসুক হয়ে ঘটনাটি দেখছিল, তখন একজন হিজড়া দুজন জঙ্গিকে ধরে ফেলে। এ নিয়ে সারা দেশ উৎফুল্লে ফেটে পড়েছিল। সে ছিল একজন নারী হিজড়া, নাম ছিল তার লাবণ্য। এ প্রেক্ষাপটে প্রশাসন তাদের অধিকতর কাজে লাগাতে উদ্যোগী হয়। কেউ কেউ ট্রাফিক পুলিশের চাকরিও পায়। নারী হিজড়াদের আনসার ও ভিডিপিতেও নেওয়া যায়, কারণ সেখানে প্রচুর পরিমাণে নারী আনসার ও ভিডিপি রয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ রাজধানীর সাভার এলাকায় হিজড়াদের পুণর্বাসনে নানামুখি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে।
অনেক হিজড়া আছে, যারা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করছে, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়েছে। তাদের হিজড়া পুনর্বাসনে কাজে লাগানো যায়। ভারতের বাংলা প্রদেশের কৃষ্ণনগর কলেজের অধ্যক্ষ মানবী বন্দ্যোপাধ্যায় একজন নারী হিজড়া। আমাদের শেরপুর জেলার হিজড়াহিজড়াদের জন্য আবাসন প্রকল্প চালু করলে একটি নতুন সম্ভাবনা তাদের জীবনে জেগে উঠবে। অন্য প্রতিবন্ধীদের মতোই বিনামূল্যে তাদের চিকিৎসা সুবিধা দিতে হবে, আর এতে নারী হিজড়াদের অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি। তাদের সুস্থ বিনোদনে নিয়ে আসতে হবে, যাতে নারী হিজড়াদের অবৈধ কাজে কেউ ব্যবহার করতে না পারে। হিজড়ারা যাতে সাধারণ মানুষের ওপর জুলুম না করে, তার জন্য তাদের আদব-কায়দা প্রশিক্ষণও দেওয়া প্রয়োজন। আমাদের সমাজে হিজড়াদের সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা নেই। হিজড়ারা নিজেদের অবস্থান ও পরিচয় সম্পর্কে সচেতন নয়। তারা মানুষ এবং মর্যাদাশীল মানুষ। বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদিতে তাদের আমন্ত্রণ করা যেতে পারে, যাতে সাধারণ মানুষ ও হিজড়াদের মধ্যকার দূরত্ব ঘুচে যায়।
আরেকটি ঘটনা লক্ষ করুন। হিজড়ারা যে কত সচেতন নাগরিক তা এতে ফুটে ওঠেছে। মিয়ানমারে যখন রোহিঙ্গাদের গণহারে হত্যা করা হচ্ছিল, তখন ঢাকায় হিজড়া সম্প্রদায় প্রতিবাদ মিছিল করে। কয়েকশ’ হিজড়া মিছিল করে এবং মানববন্ধনও করে। এসময় বক্তৃতা করেন আনোরি হিজড়া, রূপা হিজড়া, নাসিমা হিজড়া, সুইটি হিজড়া, সীমা হিজড়া। দেখুন, এরা সবাই নারী। তারা সবাই বাংলাদেশ সরকারের কাছে সীমান্ত খুলে দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছিল।
আবার এমনও দেখা গেছে, বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার লোভে অনেক সুস্থ মানুষও হিজড়া সেজে থাকে। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের একটি চাকরিতে হিজড়া কোটা থাকায় অনেক তরুণ-যুবক হিজড়া হিসেবে নিজেদের নাম লেখায়। কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হওয়ায় তাদের ডাক্তারি পরীক্ষা করে দেখা যায়, তারা সবাই সুস্থ। ইদানীং আরেকটি ঘটনা সংক্রমণ হচ্ছে, আর তা হলো, অনেক প্রাইভেট হাসপাতাল তরুণ-যুবকদের অস্ত্রোপচার করে লিঙ্গ কর্তন করে দিচ্ছে। অনেককে ওষুধ খাইয়েও হিজড়া বানানোর চেষ্টা চলে। ভারতে এ ধরনের বহু প্রতিষ্ঠান আছে, এখন তা বাংলাদেশেও আমদানি হচ্ছে। বাংলাদেশের পেনাল কোড ৩২৬ ধারায়ও অঙ্গহানি ও রূপান্তর শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে ঘোষিত হয়েছে। এ বিষয়েও সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
মনে রাখতে হবে, যারা লিঙ্গ প্রতিবন্ধী, তারা আমাদের সভ্য সমাজেরই কারো না কারো সন্তান। আগে আমাদের দেশে শারীরিক অন্য প্রতিবন্ধীদের বোঝা মনে করা হতো, এখন এরা গৌরবের এবং মর্যাদার সঙ্গে বড় হচ্ছে। লিঙ্গ প্রতিবন্ধীরাও ঠিক এমনই একটি ধারা, তাদেরও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে দিতে হবে। পরিবারের অন্য সদস্যদের মতোই তারা বড় হবে, শিক্ষা লাভ করবে, সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে। তাদের নিয়ে একসঙ্গে চলতে সমাজে লজ্জার কিছু নেই। তাদের সুষ্ঠুভাবে, আলাদা যতœ নিয়ে লালন-পালন করাই হবে গৌরবের। শিশু লিঙ্গ প্রতিবন্ধীকে প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা দিলে তার প্রতিবন্ধিতা সেরে ওঠার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। সুতরাং এদিকটাও দেখতে হবে। হিজড়া সম্পর্কে আমাদের মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে। আমরা যদি সচেতন থাকি, তাহলে হিজড়াদের জীবন আরো সুন্দর হয়ে উঠবে।
লেখক : সাংবাদিক ও সদস্য সচিব, জনউদ্যোগ, শেরপুর।

আপনার মতামত দিন

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

অবাধে মাছ নিধন অমানবিক নির্যাতনে শিশুর মৃত্যু আত্মহত্যা আহত ইয়াবা উদ্ধার উড়াল সড়ক খুন গাছের চারা বিতরণ ঘূর্ণিঝড় 'কোমেন' চাঁদা না পেয়ে স্কুলে হামলা ছিটমহল জাতির জনকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জাতীয় শোক দিবস জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ ঝিনাইগাতী টেস্ট ড্র ড. গোলাম রহমান রতন পাঞ্জাবের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিহত প্রত্যেক বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী বন্যহাতির তান্ডব বন্যহাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে নিহত বাল্যবিয়ের হার ভেঙে গেছে ব্রিজ মতিয়া চৌধুরী মাদারীপুর মির্জা ফখরুলের মেডিকেল রিপোর্ট রিমান্ডে লাশ উদ্ধার শাবলের আঘাতে শিশু খুন শাহ আলম বাবুল শিশু রাহাত হত্যা শেরপুর শেরপুরে অপহরণ শেরপুরে বন্যা শেরপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক শ্যামলবাংলা২৪ডটকম’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শ্রীবরদী সংঘর্ষে নিহত ৫ স্কুলছাত্র রাহাত হত্যা স্কুলছাত্রী অপহরণ হাতি বন্ধু কর্মশালা হুইপ আতিক হুমকি ২ স্কুলছাত্রী হত্যা
error: Content is protected !!