[bangla_time] | [bangla_day] | [english_date] | [bangla_date]

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার চিরচেনা সুস্বাদু মৌসুমী ফল কদবেল

nandigram bogra- 03-01-14নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি : বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার কদবেলের আদি জন্মস্থান। বাংলাদেশের প্রাায় সর্বত্রই কদবেল জন্মে। প্রায় সব ধরনের মাটিতে এ ফল গাছ জন্মাতে পারে। একটি পূর্ণ বয়স্ক কদবেল গাছে বছরে প্রায় ১০০০টি কদবেল হয়। প্রতিটি ফলের গড় ওজন প্রায় ২৫০-৩০০ গ্রাম। একটি কদবেল গাছ অনেকদিন বাঁচে। আগস্ট-নভেম্বর মাসে কদবেল পাকে। কদবেল অম্লমধুর মুখরোচক ফল। যা ছোট বড় সবার কাছেই প্রিয়। পাকা কদবেল মাখা সকলের প্রিয়। কদবেলের নাম শুনলেই জিভে পানি আসে। পাকা বেলের গন্ধে ঘর ভরে যায়। কদবেল একটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সুস্বাদু মৌসুমী ফল। আমাদের দেশের মৌসুমী ফলগুলো স্বাদে যেমন ভালো তেমনি পুষ্টিগত দিক থেকে কম নয়। মহিলা এবং শিশুদের প্রিয় একটি ফল কদবেল। কদবেল টক ও হালকা মিষ্টি স্বাদের।  আর এ ফলে রয়েছে প্রচুর ঔষধি গুণ। যা আমাদের মানব দেহকে নানাবিধ রোগ বালাই হতে মুক্ত রাখতে সহায়তা করে। কদবেলের ফল, পাতা, ছাল ও শাঁস ঔষধি হিসেবে ব্যবহার হয়। বাজারে এ ফলের চাহিদাও প্রচুর। এ বছর কদবেলের ফলন ভালো। প্রায় সব জায়গাতে কিনতে পাওয়া যাচ্ছে কদবেল। ভ্যান গাড়িতে নিয়ে পাকা কদবেল বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। প্রতিটি কদবেলের মূল্য ১৫ টাকা থেকে শুরু করে ৩০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। নন্দীগ্রাম উপজেলার ধুন্দার বাজারের কদবেল বিক্রেতা শ্যামল চন্দ্র উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে পাইকারি দরে কদবেল ক্রয় করে। তিনি বলেন, বিভিন্ন গ্রাম থেকে গাছ হিসেবে কদবেল কিনি । ৭০০ থেকে শুরু করে ১০০০ টাকা করে এক গাছের সব কদবেল কেনা হয়। তারপর বিভিন্ন জায়গার বিক্রেতারা আমার নিকট থেকে কদবেল কিনে নিয়ে গিয়ে খুচরায় বিক্রি করে। লাভ ভালোই হয়। পল­ী গাঁয়ের চিরনেতা কদবেল লটকো,ডেউয়া,চালতা,তেতুল সহ বিভিন্ন প্রকার অসংখ্য ফল আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। এখন গ্রামের ঝোপঝার কেটে তৈরী করা হচ্ছে বিভিন্ন কারখানা ও বাড়ী ঘর। ঝোপঝার কেটে ফেলায় হয়তোবা আর কিছুদিনের মধ্যে চিরনেতা এই সব ফল পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। এসব ফলের নাম শুধু বইয়ের পাতায় পাওয়া যাবে। তখন প্রজন্মের আনেকেই এসব ফল চিনতেও পারবেনা। ঝোপঝারে সারারণত মানুষ এ ফলের চারা গুলো পরিকল্পিত ভাবে রোপন করতো না। বাড়ির পাাশ্বে ঝোপঝাড়ে পতিত জায়গায় প্রাকৃতিক নিয়মে অথবা পশু পাখির বিষ্টা থেকে বীজবাহিত হয়ে এসব ফল গাছের জন্ম হতো। পরর্বতীতে ওই সব গাছের ফলই আমাদের রসনার স্বাদ যোগাতো । আগের দিনে গ্রাম জনপদে কদবেল গাছের দেখা মিললেও নির্বিচারের বৃক্ষ নিধনের ফলে বর্তমানে কদবেলের গাছ এখন আর চোখে পড়েনা। বর্তমানে দেশীয় ফলের গাছগুলো অধিকাংশ ব্যাক্তি মালিকানাধীন। আধুনিক যুগে অপ্রয়োজনীয় ও অলাভজনক মনে করে গাছের মালিকরা কদবেলের গাছ কেটে বিক্রয় করে দিচ্ছে। তাই ক্রমেই হাড়িয়ে যাচ্ছে চিরচেনা সুস্বাদু মৌসুমী ফল কদবেল । তাই এখনই সরকারী ভাবে কদবেল গাছ রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» ১০৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ

» দুর্ঘটনায় বরযাত্রীবাহী বাস, নিহত বেড়ে ১০

» শেরপুরে বাসচালকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার : জনমনে স্বস্তি

» শেরপুরে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সম্মেলন ॥ সভাপতি দেবাশীষ, সম্পাদক কানু

» সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধেও জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়ন চাই ॥ রানা দাস গুপ্ত

» শেরপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বৃদ্ধা খুন

» গুজব বন্ধে বিধিমালা হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

» মুন্সীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ বরযাত্রী নিহত

» ঘণ্টা বাজালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বর্ণের মুদ্রায় টস

» শেরপুরে জেলা প্রশাসনের আর্থিক সহায়তা পেল ৩ হতদরিদ্র শিক্ষার্থীসহ ৫ জন

» শেখ ফয়জুর রহমান’র কবিতাগুচ্ছ

» নালিতাবাড়ীতে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ ২ যুবক গ্রেফতার

» দিবা-রাত্রির টেষ্ট ম্যাচ : ‘পিঙ্ক সিটি’তে রুপ নিয়েছে কলকাতা

» যুবলীগের সম্মেলন ২৩ নবেম্বর

» অস্ট্রেলিয়ায় ভয়ানক রূপ ধারণ করেছে দাবানল : ৩ রাজ্যে সর্বোচ্চ সতর্কতা

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

কারিগরি সহযোগিতায় BD iT Zone

,

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার চিরচেনা সুস্বাদু মৌসুমী ফল কদবেল

nandigram bogra- 03-01-14নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি : বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার কদবেলের আদি জন্মস্থান। বাংলাদেশের প্রাায় সর্বত্রই কদবেল জন্মে। প্রায় সব ধরনের মাটিতে এ ফল গাছ জন্মাতে পারে। একটি পূর্ণ বয়স্ক কদবেল গাছে বছরে প্রায় ১০০০টি কদবেল হয়। প্রতিটি ফলের গড় ওজন প্রায় ২৫০-৩০০ গ্রাম। একটি কদবেল গাছ অনেকদিন বাঁচে। আগস্ট-নভেম্বর মাসে কদবেল পাকে। কদবেল অম্লমধুর মুখরোচক ফল। যা ছোট বড় সবার কাছেই প্রিয়। পাকা কদবেল মাখা সকলের প্রিয়। কদবেলের নাম শুনলেই জিভে পানি আসে। পাকা বেলের গন্ধে ঘর ভরে যায়। কদবেল একটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সুস্বাদু মৌসুমী ফল। আমাদের দেশের মৌসুমী ফলগুলো স্বাদে যেমন ভালো তেমনি পুষ্টিগত দিক থেকে কম নয়। মহিলা এবং শিশুদের প্রিয় একটি ফল কদবেল। কদবেল টক ও হালকা মিষ্টি স্বাদের।  আর এ ফলে রয়েছে প্রচুর ঔষধি গুণ। যা আমাদের মানব দেহকে নানাবিধ রোগ বালাই হতে মুক্ত রাখতে সহায়তা করে। কদবেলের ফল, পাতা, ছাল ও শাঁস ঔষধি হিসেবে ব্যবহার হয়। বাজারে এ ফলের চাহিদাও প্রচুর। এ বছর কদবেলের ফলন ভালো। প্রায় সব জায়গাতে কিনতে পাওয়া যাচ্ছে কদবেল। ভ্যান গাড়িতে নিয়ে পাকা কদবেল বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। প্রতিটি কদবেলের মূল্য ১৫ টাকা থেকে শুরু করে ৩০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। নন্দীগ্রাম উপজেলার ধুন্দার বাজারের কদবেল বিক্রেতা শ্যামল চন্দ্র উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে পাইকারি দরে কদবেল ক্রয় করে। তিনি বলেন, বিভিন্ন গ্রাম থেকে গাছ হিসেবে কদবেল কিনি । ৭০০ থেকে শুরু করে ১০০০ টাকা করে এক গাছের সব কদবেল কেনা হয়। তারপর বিভিন্ন জায়গার বিক্রেতারা আমার নিকট থেকে কদবেল কিনে নিয়ে গিয়ে খুচরায় বিক্রি করে। লাভ ভালোই হয়। পল­ী গাঁয়ের চিরনেতা কদবেল লটকো,ডেউয়া,চালতা,তেতুল সহ বিভিন্ন প্রকার অসংখ্য ফল আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। এখন গ্রামের ঝোপঝার কেটে তৈরী করা হচ্ছে বিভিন্ন কারখানা ও বাড়ী ঘর। ঝোপঝার কেটে ফেলায় হয়তোবা আর কিছুদিনের মধ্যে চিরনেতা এই সব ফল পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। এসব ফলের নাম শুধু বইয়ের পাতায় পাওয়া যাবে। তখন প্রজন্মের আনেকেই এসব ফল চিনতেও পারবেনা। ঝোপঝারে সারারণত মানুষ এ ফলের চারা গুলো পরিকল্পিত ভাবে রোপন করতো না। বাড়ির পাাশ্বে ঝোপঝাড়ে পতিত জায়গায় প্রাকৃতিক নিয়মে অথবা পশু পাখির বিষ্টা থেকে বীজবাহিত হয়ে এসব ফল গাছের জন্ম হতো। পরর্বতীতে ওই সব গাছের ফলই আমাদের রসনার স্বাদ যোগাতো । আগের দিনে গ্রাম জনপদে কদবেল গাছের দেখা মিললেও নির্বিচারের বৃক্ষ নিধনের ফলে বর্তমানে কদবেলের গাছ এখন আর চোখে পড়েনা। বর্তমানে দেশীয় ফলের গাছগুলো অধিকাংশ ব্যাক্তি মালিকানাধীন। আধুনিক যুগে অপ্রয়োজনীয় ও অলাভজনক মনে করে গাছের মালিকরা কদবেলের গাছ কেটে বিক্রয় করে দিচ্ছে। তাই ক্রমেই হাড়িয়ে যাচ্ছে চিরচেনা সুস্বাদু মৌসুমী ফল কদবেল । তাই এখনই সরকারী ভাবে কদবেল গাছ রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

কারিগরি সহযোগিতায় BD iT Zone

error: Content is protected !!