রাত ১১:৩৩ | সোমবার | ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার চেতনা সমুন্নত হোক

২৬ মার্চ; মহান স্বাধীনতা দিবস। আজ থেকে ৪৭ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনে প্রত্যুষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। দীর্ঘদিন ৯ মাস এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করার পর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ চূড়ান্ত স্বাধীনতা অর্জিত হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনী এদেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়ে পিলখানা, ইপিআর, রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্রাবাস ও শিক্ষকদের বাসস্থানে হামলা চালায় এবং বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। মূলত ২৬ মার্চ প্রত্যুষেই শুরু হয় বাংলার গণমানুষের সশস্ত্র প্রতিরোধ। বলা চলে নিজস্ব রাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তথা চূড়ান্ত লড়াই এই দিনই শুরু হয়। পৃথিবীতে যুদ্ধ করে সময়, আয়তনভেদে ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে নিরস্ত্র বাঙালির স্বাধীনতা অর্জন একটা বিরল ঘটনা। খুব কম জাতি আছে যারা সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে। জাতি হিসেবে বাঙালি একটা গৌরবময় জাতি যারা একটা সুশিক্ষিত অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বাহিনীকে পরাজিত করে স্বাধীনতা অর্জন করে।
মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়। সেই সময় ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ মুক্ত স্বদেশে পালিত হয় স্বাধীনতার প্রথম বার্ষিকী। সদ্য স্বাধীন দেশটির উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি সেদিন যুদ্ধাপরাধ-মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল। কিন্তু ১৯৭৫ সালে স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে শহীদ হন। এরপর পর্যায়ক্রমে খন্দকার মোশতাক ও সামরিক একনায়করা দেশে দুঃশাসন কায়েম করে। যারা ছিল মূলত স্বাধীনতাযুদ্ধে পরাজিতদেরই দোসর। এদের আমলেই দেশের পবিত্র সংবিধান ক্ষত-বিক্ষত হয় ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। স্বাধীনতাবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীলরা এখনও বাংলাদেশে মূলত একটি ‘পাকিস্তানী মডেলের’ শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে চায়। তারা এক সময় দেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম নিশানা মুছে দেয়ার অপচেষ্টা চালায়। তারপর রাজনীতির মারপ্যাঁচে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সরাসরি অংশীদারও হয়েছিল এই স্বাধীনতাবিরোধীরা। এতে তারা সাময়িকভাবে লাভবান হলেও আখেরে সফল হয়নি, এ দেশের মানুষ তাদের সফল হতে দেয়নি। এখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ। এই দলটির নেতৃত্বে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে, যারা একদিন বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ দিত, সেই কলঙ্কও এখন মুছে গেছে। এখন শুধু সামনে এগিয়ে চলার স্বপ্ন, সোনার বাংলা গড়ে তোলার স্বপ্ন।
স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরে একাত্তরের কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। কিছু রায় ইতোমধ্যে কার্যকরও হয়েছে। আর ৪ বছর পরই আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। যদিও শীর্ষ মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করা গেছে, অন্য অপরাধীদের বিচার ক্রমান্বয়ে চলছে, ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা হয়েছে তারপরও স্বাধীনতার পূর্ণতা পেতে আরও কিছু কাজ বাকি। এই জন্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ক্ষমতায় থাকা জরুরি, সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা জরুরি।
এই মহান দিনটিতে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় স্মরণ করছি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর সহকর্মী মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদানকারী সকল নেতাকে। শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সকল শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিত মা-বোনদের। যে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে এ দেশের সাধারণ মানুষ অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল, জীবনপণ শপথ নিয়েছিল তা বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব আমাদের সবারÑএটাই হোক স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শেরপুরে পাসপোর্ট ভবনের জমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ ও দখল হস্তান্তর অনুষ্ঠিত

» নালিতাবাড়ীতে শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন পালিত

» শেরপুরে শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে জেলা যুব মহিলা লীগের দোয়া ও আলোচনা

» শেরপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে শহর আওয়ামী লীগের দোয়া ও আলোচনা

» শেরপুরে শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া, মিলাদ ও আলোচনা সভা

» হুইপ আতিকের রোগমুক্তি কামনায় শেরপুর প্রেসক্লাবে দোয়া মাহফিল

» শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক ডিসেম্বরে

» শ্রীবরদীতে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত

» দেশে করোনায় আরও ৩২ জনের মৃত্যু

» শেরপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

» শ্রীবরদীতে নির্যাতিত গৃহকর্মীর পাশে উপজেলা প্রশাসন

» নকলায় আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উদযাপন উপলক্ষে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা

» প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন আজ

» ৪ গোলের মালা পরিয়ে বার্সায় শুরু কোমানের

» শেরপুরে শৌচাগারে ধর্ষকদের ছবি লাগিয়ে ছাত্রলীগের প্রতিবাদ

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ১১:৩৩ | সোমবার | ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার চেতনা সমুন্নত হোক

২৬ মার্চ; মহান স্বাধীনতা দিবস। আজ থেকে ৪৭ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনে প্রত্যুষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। দীর্ঘদিন ৯ মাস এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করার পর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ চূড়ান্ত স্বাধীনতা অর্জিত হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনী এদেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র নিয়ে পিলখানা, ইপিআর, রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্রাবাস ও শিক্ষকদের বাসস্থানে হামলা চালায় এবং বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। মূলত ২৬ মার্চ প্রত্যুষেই শুরু হয় বাংলার গণমানুষের সশস্ত্র প্রতিরোধ। বলা চলে নিজস্ব রাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তথা চূড়ান্ত লড়াই এই দিনই শুরু হয়। পৃথিবীতে যুদ্ধ করে সময়, আয়তনভেদে ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে নিরস্ত্র বাঙালির স্বাধীনতা অর্জন একটা বিরল ঘটনা। খুব কম জাতি আছে যারা সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে। জাতি হিসেবে বাঙালি একটা গৌরবময় জাতি যারা একটা সুশিক্ষিত অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বাহিনীকে পরাজিত করে স্বাধীনতা অর্জন করে।
মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়। সেই সময় ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ মুক্ত স্বদেশে পালিত হয় স্বাধীনতার প্রথম বার্ষিকী। সদ্য স্বাধীন দেশটির উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি সেদিন যুদ্ধাপরাধ-মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল। কিন্তু ১৯৭৫ সালে স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে শহীদ হন। এরপর পর্যায়ক্রমে খন্দকার মোশতাক ও সামরিক একনায়করা দেশে দুঃশাসন কায়েম করে। যারা ছিল মূলত স্বাধীনতাযুদ্ধে পরাজিতদেরই দোসর। এদের আমলেই দেশের পবিত্র সংবিধান ক্ষত-বিক্ষত হয় ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। স্বাধীনতাবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীলরা এখনও বাংলাদেশে মূলত একটি ‘পাকিস্তানী মডেলের’ শাসন ব্যবস্থা কায়েম করতে চায়। তারা এক সময় দেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম নিশানা মুছে দেয়ার অপচেষ্টা চালায়। তারপর রাজনীতির মারপ্যাঁচে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সরাসরি অংশীদারও হয়েছিল এই স্বাধীনতাবিরোধীরা। এতে তারা সাময়িকভাবে লাভবান হলেও আখেরে সফল হয়নি, এ দেশের মানুষ তাদের সফল হতে দেয়নি। এখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ। এই দলটির নেতৃত্বে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে, যারা একদিন বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ দিত, সেই কলঙ্কও এখন মুছে গেছে। এখন শুধু সামনে এগিয়ে চলার স্বপ্ন, সোনার বাংলা গড়ে তোলার স্বপ্ন।
স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরে একাত্তরের কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। কিছু রায় ইতোমধ্যে কার্যকরও হয়েছে। আর ৪ বছর পরই আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। যদিও শীর্ষ মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করা গেছে, অন্য অপরাধীদের বিচার ক্রমান্বয়ে চলছে, ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করা হয়েছে তারপরও স্বাধীনতার পূর্ণতা পেতে আরও কিছু কাজ বাকি। এই জন্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ক্ষমতায় থাকা জরুরি, সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা জরুরি।
এই মহান দিনটিতে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় স্মরণ করছি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর সহকর্মী মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদানকারী সকল নেতাকে। শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সকল শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিত মা-বোনদের। যে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে এ দেশের সাধারণ মানুষ অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল, জীবনপণ শপথ নিয়েছিল তা বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব আমাদের সবারÑএটাই হোক স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!