রাত ১০:০৭ | মঙ্গলবার | ১০ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৫শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব আইনের খসড়া অনুমোদন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বা পিপিপি কর্তৃপক্ষের সাংগঠনিক কাঠামো এবং প্রস্তাবিত চাকরি প্রবিধানমালায় বিভিন্ন পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিধান রেখে ‘বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (সংশোধন) আইন, ২০১৯’ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ ছাড়া এতে বছরে ছয়টির পরিবর্তে বোর্ড অব গভর্নরস-এর একটি সভা অনুষ্ঠানের প্রস্তাব রাখা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ওই আইনের খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ওই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করা এবং অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার মধ্য দিয়ে বেসরকারিখাতের সঙ্গে অংশীদারিত্ব সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব আইন, ২০১৫’ তথা ‘পিপিপি আইন’ প্রণয়ন করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, পিপিপি আইনের বাস্তবায়ন পর্যায়ে লব্ধ অভিজ্ঞতার আলোকে আইনে কতিপয় সংশোধন আবশ্যক হওয়ায় এটি সংশোধন করা হয়েছে। এরমধ্যে, বোর্ড অব গভর্নরস-এর সভা বছরে অন্তত ছয়টি অনুষ্ঠিত হবে বলে আইনে উল্লেখ রয়েছে। বছরে ছয়টি সভা আয়োজন সময়সাপেক্ষ এবং সভাপতিসহ সদস্যদের সার্বক্ষণিক ব্যস্ততার কারণে তা সম্ভবপর হয়ে ওঠে না। এই পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তাবিত আইনে বোর্ড অব গভর্নরস-এর সভার সংখ্যা বছরে ছয়টির স্থলে একটি করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
পিপিপি কর্তৃপক্ষের বোর্ড অব গভর্নরস-এর প্রথম সভায় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী বোর্ড গঠন করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নির্বাহী বোর্ডের গঠন, দায়িত্ব ও সভা অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিষয়াদি বিদ্যমান আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
‘পিপিপি আইন, ২০১৫’ এ জি-টু-জি প্রকল্পের বিষয়ে কোন বিধান ছিল না জানিয়ে খন্দকার আনোয়ার বলেন, কিন্তু ‘পিপিপি আইন, ২০১৫’ প্রবর্তিত হওয়ার পর সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে পিপিপি প্রকল্প (জি-টু-জি পিপিপি) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়। ইতোমধ্যে ‘পলিসি ফর ইমপ্লিমেন্টিং পিপিপি প্রজেক্টস থ্রু গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট (জি-টু-জি) পার্টনারশিপ, ২০১৭’ এর আওতায় জাপান, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া ও দুবাইয়ের সঙ্গে সমঝোতা বা সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।’
তিনি বলেন, আইনে পিপিপি কর্তৃপক্ষের সাংগঠনিক কাঠামো এবং প্রস্তাবিত চাকরি প্রবিধানমালায় বিভিন্ন পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। পিপিপি কর্তৃপক্ষের সরাসরি নিয়োগ দেয়া কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলী প্রবিধান দিয়ে নির্ধারিত হলেও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের আলাদা বিধানের কথা বলা হয়েছে। ফলে পিপিপি কর্তৃপক্ষ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে পারবে। আইনে অন্তর্ভুক্তির ফলে পিপিপিতে সব সময়ই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হবে। দক্ষ জনবল তৈরি না করে খসড়া আইনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। পিপিপি আইনে কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও কার্যাবলিতে পিপিপি সম্পর্কিত নীতিমালা/প্রবিধি/নির্দেশনা/গাইডলাইন প্রণয়ন, অনুমোদন, গেজেটে প্রকাশ ও জারিকরণের বিষয় উল্লেখ রয়েছে। এখন নীতিমালা/প্রবিধি/নির্দেশনা ও গাইডলাইনের সঙ্গে ‘কার্যপ্রণালী’ শব্দটি সংযুক্ত করা হয়েছে।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শেরপুরে বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে মহিলা পরিষদের মানববন্ধন

» এস কে সিনহার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল

» ৫ম স্থানে থেকে এসএ গেমস শেষ করলো বাংলাদেশ

» নীলা আলম’র পদ্য ‘ক্ষুধিত প্রাণ’

» ট্রফি বিহীন অধিনায়কদের অবাক ফটোসেশন !

» শ্রীবরদীতে অষ্টকালীন লীলা কীর্ত্তণ অনুষ্ঠিত

» শ্রীবরদীতে লটারির মাধ্যমে ধান বিক্রির সুযোগ পেয়েছে ১৭৪৩ জন কৃষক

» শেরপুরের নবীন লেখিকা অরবিয়া তানজীল নিশির ‘প্রস্থান’

» সকল রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ শ্লোগান চান হাইকোর্ট

» ‘বাল্যবিবাহকে না বলুন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সহায়তা করুন’

» শেরপুরে আমন ধান সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন করলেন হুইপ আতিক

» বঙ্গবন্ধু জাদুঘর ঘুরে গেলেন মাশরাফি-তামিমরা

» মিস ইউনিভার্স হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তুনজি

» শেরপুর থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ ॥ ভোগান্তিতে যাত্রী সাধারণ

» সব খেলা থেকে নিষিদ্ধ হল রাশিয়া !

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ১০:০৭ | মঙ্গলবার | ১০ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং | ২৫শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব আইনের খসড়া অনুমোদন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বা পিপিপি কর্তৃপক্ষের সাংগঠনিক কাঠামো এবং প্রস্তাবিত চাকরি প্রবিধানমালায় বিভিন্ন পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিধান রেখে ‘বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (সংশোধন) আইন, ২০১৯’ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ ছাড়া এতে বছরে ছয়টির পরিবর্তে বোর্ড অব গভর্নরস-এর একটি সভা অনুষ্ঠানের প্রস্তাব রাখা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ওই আইনের খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ওই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করা এবং অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার মধ্য দিয়ে বেসরকারিখাতের সঙ্গে অংশীদারিত্ব সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব আইন, ২০১৫’ তথা ‘পিপিপি আইন’ প্রণয়ন করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, পিপিপি আইনের বাস্তবায়ন পর্যায়ে লব্ধ অভিজ্ঞতার আলোকে আইনে কতিপয় সংশোধন আবশ্যক হওয়ায় এটি সংশোধন করা হয়েছে। এরমধ্যে, বোর্ড অব গভর্নরস-এর সভা বছরে অন্তত ছয়টি অনুষ্ঠিত হবে বলে আইনে উল্লেখ রয়েছে। বছরে ছয়টি সভা আয়োজন সময়সাপেক্ষ এবং সভাপতিসহ সদস্যদের সার্বক্ষণিক ব্যস্ততার কারণে তা সম্ভবপর হয়ে ওঠে না। এই পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তাবিত আইনে বোর্ড অব গভর্নরস-এর সভার সংখ্যা বছরে ছয়টির স্থলে একটি করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
পিপিপি কর্তৃপক্ষের বোর্ড অব গভর্নরস-এর প্রথম সভায় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী বোর্ড গঠন করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নির্বাহী বোর্ডের গঠন, দায়িত্ব ও সভা অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিষয়াদি বিদ্যমান আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
‘পিপিপি আইন, ২০১৫’ এ জি-টু-জি প্রকল্পের বিষয়ে কোন বিধান ছিল না জানিয়ে খন্দকার আনোয়ার বলেন, কিন্তু ‘পিপিপি আইন, ২০১৫’ প্রবর্তিত হওয়ার পর সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে পিপিপি প্রকল্প (জি-টু-জি পিপিপি) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়। ইতোমধ্যে ‘পলিসি ফর ইমপ্লিমেন্টিং পিপিপি প্রজেক্টস থ্রু গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট (জি-টু-জি) পার্টনারশিপ, ২০১৭’ এর আওতায় জাপান, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া ও দুবাইয়ের সঙ্গে সমঝোতা বা সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।’
তিনি বলেন, আইনে পিপিপি কর্তৃপক্ষের সাংগঠনিক কাঠামো এবং প্রস্তাবিত চাকরি প্রবিধানমালায় বিভিন্ন পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। পিপিপি কর্তৃপক্ষের সরাসরি নিয়োগ দেয়া কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলী প্রবিধান দিয়ে নির্ধারিত হলেও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের আলাদা বিধানের কথা বলা হয়েছে। ফলে পিপিপি কর্তৃপক্ষ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে পারবে। আইনে অন্তর্ভুক্তির ফলে পিপিপিতে সব সময়ই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হবে। দক্ষ জনবল তৈরি না করে খসড়া আইনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। পিপিপি আইনে কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা ও কার্যাবলিতে পিপিপি সম্পর্কিত নীতিমালা/প্রবিধি/নির্দেশনা/গাইডলাইন প্রণয়ন, অনুমোদন, গেজেটে প্রকাশ ও জারিকরণের বিষয় উল্লেখ রয়েছে। এখন নীতিমালা/প্রবিধি/নির্দেশনা ও গাইডলাইনের সঙ্গে ‘কার্যপ্রণালী’ শব্দটি সংযুক্ত করা হয়েছে।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!