রাত ১০:৪০ | মঙ্গলবার | ২৬শে মে, ২০২০ ইং | ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সম্পাদকের দায়বদ্ধতার কথোকতা : করোনায় রোজনামচা; বাড়ছে দেনা

রফিকুল ইসলাম আধার

করোনা ভাইরাসের প্রাণঘাতি ছোবলে আন্তর্জাতিক বিশ্ব যখন চরম আতঙ্ক ও আকন্ঠ রুদ্ধশ্বাসে পার করছে শতাব্দীর এক নজিরবিহীন অস্থির ও কঠিন সময়, ঠিক তখন প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরেও পড়েছে অঘোষিত লকডাউনের প্রভাব। ফলে ব্যস্ততম দিনগুলোর স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে প্রায় দেড়/দুই ঘন্টা পরই সকালে নিজের ঘুম ভাঙে এখন। মূলতঃ দু’দফায় সাধারণ ছুটির কারণে পেশাগত ব্যস্ততা না থাকায় এবং বাসায় ঘুমটা ভাঙানোর তাগিদও নেই বলেই উঠতে সেই বিলম্বটা। তবে মধ্যরাত পর্যন্ত বিশ্বের পাশাপাশি নিজের দেশের খবরা-খবর শুনে-দেখে যেমন উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় কিছুটা কম্পমান অবস্থায় ঘুমে যাওয়া, ঠিক তেমনি ঘুম ভাঙার পরও টিভি আর পত্রিকার খবরে আবারও যেন আকন্ঠ আঁকড়ে ধরে সেই উদ্বেগ-উৎকন্ঠা আর আতঙ্ক।
এমনই অবস্থায় ৮ এপ্রিল সকালের নাস্তাটা সময়ের ব্যবধানে প্রায় দুপুরে সেরেই নেশা ও কর্তব্যের তাগিদে পেশাগত চেম্বারের সাথে থাকা নিজের মিডিয়া সেন্টারে পৌঁছে যখন শুনি আজ পত্রিকা দেয়নি, তখন অনেকটাই উষ্ঠাগত হয়ে পড়ি। দৈনিক জনকন্ঠ, সমকালসহ স্থানীয়-জাতীয় মিলে যেখানে দৈনিক ৪-৫ টি পত্রিকা অফিসে থাকে, তখন একটাও না পেয়ে খারাপই লাগে বৈকী। পরে পত্রিকার এজেন্ট ও হকার মাধ্যমে নিশ্চিত হই যে, করোনা পরিস্থিতির কারণে অধিকাংশ হকারই পত্রিকা ছাড়াতে চাচ্ছে না বলে বান্ডেল আসেনি। তবে আরও খোঁজ নিতে গিয়ে এটাও যখন জানতে পারি যে, জেলা শহরের প্রথম ও প্রাচীনতম পত্রিকা এজেন্সি বার্তা বিপণীতে (ডিসি বাংলোর পশ্চিম পাশে) পত্রিকা আছে, গিয়ে নিয়ে আসা যাবে। তাই ওইসময় অফিসে জনবল সঙ্কটের কারণে নিজেই হাঁটতে হাঁটতে গিয়ে জনকন্ঠসহ ৪ টি পত্রিকা কিনে নিয়ে ফিরতে থাকি। আর নিজে নিজেই ভাবতে থাকি- যেকোন পরিস্থিতিতে মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে মহান পেশায় আসা চিকিৎসকদের একটি বৃহৎ অংশ যখন সেই অঙ্গীকার ভঙ্গ করে ভয়ে ‘সেফ সাইড’-এ চলে গিয়ে জাতিকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতেও কুন্ঠিত হচ্ছেন না, তখন স্বল্পজীবী হকারদের ভয় কাজ করাটা অস্বাভাবিক কি আর! এ মহান পেশার লোকদের চলমান কাÐকীর্তির বিষয়ে শেরপুরের চালচিত্র নিয়ে শ্যামলবাংলা২৪ডটকম এ একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় চলমান পরিস্থিতির প্রথম ভাগেই। সেই সময় সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের পরিপত্র জারি হওয়ায় পরিস্থিতি পাল্টে যাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু তার অব্যবহিত পরপরই তাদের একাধিক সংগঠনের চাপে সেই পরিপত্র প্রত্যাহার করা হয়। ফলে শেরপুরসহ সারাদেশে প্রাইভেট ক্লিনিক ও চেম্বারের অবস্থা একই। তবে চলমান অবস্থ্য়া আজ ঘুম ভাঙ্গার পরই ফেসবুক বন্ধু তালিকায় থাকা শেরপুর জেলা প্রশাসনের নিকট অতীতের এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (বর্তমানে অন্যত্র) মোস্তাফিজুর রহমান শাওন তার ওয়ালে চরম তুলোধুনোই দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আমাকে সতীর্থ করেছেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণায় প্রণোদনা/বীমা সহায়তার লোভে নয়, দায়িত্ব-কর্তব্যের তাগিদে দায়িত্ব পালনে ডাঃ মেহেদী হাসানের ফেসবুক স্ট্যাটাসও আমাকে আন্দোলিত করেছে বৈকী। কেবল তাই নয়, বার্তা বিপণী থেকে পত্রিকা হাতে নিয়ে হাটতে হাটতে অফিসের কাছে পৌঁছতেই মুখোমুখি হয়ে পড়ি সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ মোবারক হোসেনের। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে করোনা বিষয়ক কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে থাকা মিডিয়াবান্ধব এ কর্মকর্তা পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহমেদকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে ফিরছিলেন। কুশল বিনিময়ের সাথে সাথে কি অবস্থা জিজ্ঞেস করতেই তাদের থেমে যাওয়া। পরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান নিয়েই জানতে পারি- ফোন পেয়ে শহরের সর্দি-জ্বর ও হাঁচি-কাশির ২ রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে ফিরছেন তারা। ডাঃ মোবারক দু’দিন আগে করোনা উপসর্গের রোগীদের সরাসরি যোগাযোগ করতে তার ফেসবুকে মোবাইল নাম্বার দিয়ে দেওয়ায় প্রতিদিন যেমন কলের পর কল পেয়েও বিরক্ত হচ্ছেন না, তেমনই সেবা দিতেও প্রথম দিক থেকেই সাহসিকতার সাথে রয়েছেন তৎপর ও দায়িত্বশীল। সত্যিকার অর্থে বর্তমান অবস্থায় এমন লোকই প্রয়োজন। আর ওই পেশাটা কতটুকু মর্যাদা ও দায়িত্বশীল তা অনুমান করা যায়, যখন আমরা শুনি যে, আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও হারাদকার ব্যক্তিগত জীবনে একজন চিকিৎসক হয়েও রাজনীতিতে প্রবেশের কারণে স্থগিত করে রাখা চিকিৎসা সনদ পুনরায় নিবন্ধন করে জাতির স্বার্থে স্বাস্থ্যকর্মীদের সাথে নিয়ে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় কাজ করছেন। আরও যখন শুনি, ঘিয়াম পিওর গিরম নামে ৮৫ বছর বয়সী ইতালির অবসরপ্রাপ্ত একজন চিকিৎসক দুঃসময়ে তার কর্মে ফিরেছেন। কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্য আমাদের দেশে সেই চিত্র একেবারেই উল্টো। যে কারণে কঠোর নির্দেশনার পরও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যায়ন শেষ করা ৫২তম ব্যাচের শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা সেই হাসপাতালে ইন্টার্নি কাজে যোগ দেননি। কর্তব্যকাজ ফেলে নিজেদের গুটিয়ে রাখা চিকিৎসকদের বৃহৎ অংশকে দায়িত্ব-কর্তব্যে ফেরাতে দেশের স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে প্রণোদনা ঘোষণা দিতে হয়! এতে প্রধানমন্ত্রী যে কতটুকু অসহায় এবং সেই তাদের বিবেকবোধটা কোন পর্যায়ে থাকতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। অথচ তাদের কাজই হচ্ছে রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা। কখনও সে লড়াই সহজ, আবার কখনও কঠিন হতে পারে। সুখের সময়ে যেমন সবাই সুবিধা নেয়, তেমনই বিপদের সময়ে সুবিধা দিতে হয়। তাই চলমান কঠিন সময়ে তাদের পালানোটাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের সামিল বললেও বাড়িয়ে বলা হবে না হয়তো।
এদিকে চেম্বারে ফিরে নিয়ে আসা পত্রিকাগুলো এক পলক দেখতে দেখতেই শ্যামলবাংলা পরিবারের সদস্য মইনুল হোসেন প্লাবনকে পেয়ে যাই। তাকে নিয়ে কাজ শুরু করতে গিয়ে দেখতে পাই কারিগরি সমস্যার কারণে সাইটে খবর পোস্ট করা যাচ্ছে না। তাই কাজের ইচ্ছে ও সময় থাকার পরও লকডাউনে পড়ে শ্যামলবাংলা। ততক্ষণে আইইডিসিআর প্রেস বিফ্রিংয়ে ৮ এপ্রিলের করোনার আপডেট নিউজ জানা যায়। তাতে দেখা যায় ২৪ ঘন্টায় নতুন করে দেশে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ জন, মৃত্যু ৩ জন এবং মোট আক্রান্ত ২১৮ জন ও মৃত্যু ২০ জন। এছাড়া অন্য একটি মিডিয়া মারফত জানা যায়, করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে গতকালই গেছে মৃত্যুহীন একটি দিন। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইতোমধ্যে আরও প্রাণ হারিয়েছেন ১২০ জন বাংলাদেশী। আর এর মধ্য দিয়ে স্মরণে আসে বাংলাদেশে করোনা আক্রমনের এক মাস পূর্তির কথা।  গত ৮ মার্চ থেকে এ ঝুঁকিতে পড়ে দেশ। আজ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালী, স্পেন ও ফ্রান্সসহ বিশ্বের আক্রান্ত ২ শতাধিক দেশের মধ্যে যেগুলোতে মহামারী চলছে সেগুলোর এক মাস আগের চিত্রের চেয়ে বাংলাদেশের তুলনামূলক চিত্রটা খুবই ভয়াবহ। কারণ কভিড-১৯ এ এখন সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়েছে। আর সংক্রমণের পরিধি ইতোমধ্যে দেশের ১৮ টি জেলায় বিস্তৃত হয়েছে।
বলাবাহুল্য, করোনা ছোবল বাংলাদেশে পৌঁছার আগেই শেরপুরে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও পৌরসভাসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সচেতনতামূলক প্রচারণা চালায়। মাইকিং, লিফলেট প্রচারণাসহ এক পর্যায়ে সাবান দিয়ে হাত ধুতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বেসিন স্থাপন ও জীবাণুনাশক স্প্রেও করে- যা এখনও চলমান রয়েছে। এ জন্য একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে থেকে ওইসব কার্যক্রমে শরিক হতে পারলেও তথা ভয়কে জয় করার মন্ত্র শেখানোর চেষ্টা করেও যেন অজান্তেই নিজের ভেতর থেকে ভয়টা দূর করতে পারিনি। ভয়ের সেই অজাতশত্রæ যেন খোদ আমারই হৃদয়ে বাসা বেঁধে ফেলেছে। তাই হয়তো স্বভাবজাত লেখায় স্মরণ করা সম্ভব হয়ে উঠেনি সদ্য প্রয়াত জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব মোঃ কফেজ উদ্দিন মিয়াকে। ২৬ মার্চ থেকে ১৭ দিনের দীর্ঘ ছুটির পরও সময় হয়ে উঠেনি সমকালীন বিষয়াদি প্রসঙ্গে লেখালেখি। কেবল তাই নয়, করোনা পরিস্থিতির দ্বিতীয় পর্যায়ে ‘করোনায় করোনা ছড়াক সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে’ বিষয় নির্ধারণের পরও সম্ভব হয়ে উঠেনি সেই লেখাটা শেষ করে প্রকাশ করা। এরপরও সম্পাদকীয় শূন্য গণমাধ্যমগুলোর মত গড্ডালিকা প্রবাহে গাঁ না ভাসিয়ে স্বাতন্ত্র্যবোধের অঙ্গীকারে দু’টি গণমাধ্যম সম্পাদনার সুবাদে নিজের উপর যে দায়বদ্ধতা রয়েছে, সেই দায়বদ্ধতা ঘুচানোর স্বার্থে বর্তমান পরিস্থিতি আর ত্রাণ বিতরণ, প্রচারবিলাস ও সমন্বয়হীনতাসহ নানা অসঙ্গতির বিষয়েও সম্ভব হয়ে উঠেনি কলম ধরা। আর তুলে ধরাও সম্ভব হয়ে উঠেনি এ জটিল অবস্থায় সেবার নাম করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর জায়গাগুলোতে সুবিধাবাদী, বিতর্কিত চক্রের অনুপ্রবেশের কথা। অথচ যন্ত্রচালিতের মত এ জীবনের ব্যস্ততার সামান্য কমতি পেলেই সমকালীন বিষয় নিয়ে লেখালেখিটা যেন আমার মজ্জাগত নেশা বা অভ্যাসেরই এক অংশ।
তাই বর্তমান পরিস্থিতির রোজনামচায় আজকের অঙ্গীকার ভয়কে করতেই হবে জয়। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবো। ভিড়ে নয়, নীড়ে থাকবো, সুস্থ্য থাকবো, ভালো থাকবো। সেই সাথে জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল লোকজন যার যার অবস্থান থেকে ওই পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকবো। আমরা কবির ভাষায় বলা ‘উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, ভয় নাই ওরে ভয় নাই!, নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান- ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই!’- এ মর্মার্থ উপলব্ধিতে নিয়ে শতাব্দী সেরা যুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়বো। বাঁচাবো দেশ, জাতি ও বিশ্বকে।
সেইসাথে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ, ৪৯তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, নববর্ষ ও শবে বরাতসহ নানা জাতীয় উৎসব-পার্বণকে যে পরিস্থিতি করেছে ম্নান-পবিত্র শবে বরাতের মধ্য দিয়ে জাতি সেই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাক। করোনা ধস থেকে  সবাক বিশ্ব আবারও জেগে উঠুক, মেলে ধরুক তার অপার সম্ভাবনার উড়ন্ত ডানা। কাটুক ঘোর অমানিশার অন্ধকার- এই প্রত্যাশা আমাদের।
তারিখ: ০৮.০৪.২০২০ইং। 
লেখক : আইনজীবী, সাংবাদিক ও রাজনীতিক, শেরপুর। ই-মেইল : press.adhar@gmail .com  

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের মৃত্যু

» এবার বিয়ে বিতর্কে নোবেল

» ভারত মহাসাগরের টেকটনিক প্লেট ভেঙে দু’টুকরা, ভয়াবহ ভূমিকম্পের আশঙ্কা

» সিরাজগঞ্জে নৌকাডুবি, শিশুসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ৩০

» মালদ্বীপ থেকে ফিরলেন ১২০০ জন

» ঈদের দিনও বিষোদগার থেকে বেরুতে পারেনি বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

» ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত ১১৬৬, মৃত্যু ২১

» করোনায় নিলুফার মঞ্জুরের মৃত্যু

» ঝিনাইগাতীতে কালবৈশাখীর ছোবলে ঘরবাড়ি ও সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি

» শেরপুরে করোনা পরিস্থিতে মসজিদে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়

» ভিন্ন এক আবহে অন্যরকম ঈদ উদযাপন

» সম্প্রীতির শিক্ষা ছড়িয়ে পড়ুক, গড়ে উঠুক সমৃদ্ধ দেশ : রাষ্ট্রপতি

» শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদ পালন করুন : কাদের

» তিনটি জীবন্ত ‘করোনা ভাইরাস’ ছিল উহানের ল্যাবে!

» ঘরে বসেই ঈদের আনন্দ উপভোগ করার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ১০:৪০ | মঙ্গলবার | ২৬শে মে, ২০২০ ইং | ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সম্পাদকের দায়বদ্ধতার কথোকতা : করোনায় রোজনামচা; বাড়ছে দেনা

রফিকুল ইসলাম আধার

করোনা ভাইরাসের প্রাণঘাতি ছোবলে আন্তর্জাতিক বিশ্ব যখন চরম আতঙ্ক ও আকন্ঠ রুদ্ধশ্বাসে পার করছে শতাব্দীর এক নজিরবিহীন অস্থির ও কঠিন সময়, ঠিক তখন প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরেও পড়েছে অঘোষিত লকডাউনের প্রভাব। ফলে ব্যস্ততম দিনগুলোর স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে প্রায় দেড়/দুই ঘন্টা পরই সকালে নিজের ঘুম ভাঙে এখন। মূলতঃ দু’দফায় সাধারণ ছুটির কারণে পেশাগত ব্যস্ততা না থাকায় এবং বাসায় ঘুমটা ভাঙানোর তাগিদও নেই বলেই উঠতে সেই বিলম্বটা। তবে মধ্যরাত পর্যন্ত বিশ্বের পাশাপাশি নিজের দেশের খবরা-খবর শুনে-দেখে যেমন উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় কিছুটা কম্পমান অবস্থায় ঘুমে যাওয়া, ঠিক তেমনি ঘুম ভাঙার পরও টিভি আর পত্রিকার খবরে আবারও যেন আকন্ঠ আঁকড়ে ধরে সেই উদ্বেগ-উৎকন্ঠা আর আতঙ্ক।
এমনই অবস্থায় ৮ এপ্রিল সকালের নাস্তাটা সময়ের ব্যবধানে প্রায় দুপুরে সেরেই নেশা ও কর্তব্যের তাগিদে পেশাগত চেম্বারের সাথে থাকা নিজের মিডিয়া সেন্টারে পৌঁছে যখন শুনি আজ পত্রিকা দেয়নি, তখন অনেকটাই উষ্ঠাগত হয়ে পড়ি। দৈনিক জনকন্ঠ, সমকালসহ স্থানীয়-জাতীয় মিলে যেখানে দৈনিক ৪-৫ টি পত্রিকা অফিসে থাকে, তখন একটাও না পেয়ে খারাপই লাগে বৈকী। পরে পত্রিকার এজেন্ট ও হকার মাধ্যমে নিশ্চিত হই যে, করোনা পরিস্থিতির কারণে অধিকাংশ হকারই পত্রিকা ছাড়াতে চাচ্ছে না বলে বান্ডেল আসেনি। তবে আরও খোঁজ নিতে গিয়ে এটাও যখন জানতে পারি যে, জেলা শহরের প্রথম ও প্রাচীনতম পত্রিকা এজেন্সি বার্তা বিপণীতে (ডিসি বাংলোর পশ্চিম পাশে) পত্রিকা আছে, গিয়ে নিয়ে আসা যাবে। তাই ওইসময় অফিসে জনবল সঙ্কটের কারণে নিজেই হাঁটতে হাঁটতে গিয়ে জনকন্ঠসহ ৪ টি পত্রিকা কিনে নিয়ে ফিরতে থাকি। আর নিজে নিজেই ভাবতে থাকি- যেকোন পরিস্থিতিতে মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে মহান পেশায় আসা চিকিৎসকদের একটি বৃহৎ অংশ যখন সেই অঙ্গীকার ভঙ্গ করে ভয়ে ‘সেফ সাইড’-এ চলে গিয়ে জাতিকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতেও কুন্ঠিত হচ্ছেন না, তখন স্বল্পজীবী হকারদের ভয় কাজ করাটা অস্বাভাবিক কি আর! এ মহান পেশার লোকদের চলমান কাÐকীর্তির বিষয়ে শেরপুরের চালচিত্র নিয়ে শ্যামলবাংলা২৪ডটকম এ একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় চলমান পরিস্থিতির প্রথম ভাগেই। সেই সময় সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের পরিপত্র জারি হওয়ায় পরিস্থিতি পাল্টে যাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু তার অব্যবহিত পরপরই তাদের একাধিক সংগঠনের চাপে সেই পরিপত্র প্রত্যাহার করা হয়। ফলে শেরপুরসহ সারাদেশে প্রাইভেট ক্লিনিক ও চেম্বারের অবস্থা একই। তবে চলমান অবস্থ্য়া আজ ঘুম ভাঙ্গার পরই ফেসবুক বন্ধু তালিকায় থাকা শেরপুর জেলা প্রশাসনের নিকট অতীতের এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (বর্তমানে অন্যত্র) মোস্তাফিজুর রহমান শাওন তার ওয়ালে চরম তুলোধুনোই দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আমাকে সতীর্থ করেছেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণায় প্রণোদনা/বীমা সহায়তার লোভে নয়, দায়িত্ব-কর্তব্যের তাগিদে দায়িত্ব পালনে ডাঃ মেহেদী হাসানের ফেসবুক স্ট্যাটাসও আমাকে আন্দোলিত করেছে বৈকী। কেবল তাই নয়, বার্তা বিপণী থেকে পত্রিকা হাতে নিয়ে হাটতে হাটতে অফিসের কাছে পৌঁছতেই মুখোমুখি হয়ে পড়ি সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ মোবারক হোসেনের। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে করোনা বিষয়ক কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে থাকা মিডিয়াবান্ধব এ কর্মকর্তা পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহমেদকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে ফিরছিলেন। কুশল বিনিময়ের সাথে সাথে কি অবস্থা জিজ্ঞেস করতেই তাদের থেমে যাওয়া। পরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান নিয়েই জানতে পারি- ফোন পেয়ে শহরের সর্দি-জ্বর ও হাঁচি-কাশির ২ রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে ফিরছেন তারা। ডাঃ মোবারক দু’দিন আগে করোনা উপসর্গের রোগীদের সরাসরি যোগাযোগ করতে তার ফেসবুকে মোবাইল নাম্বার দিয়ে দেওয়ায় প্রতিদিন যেমন কলের পর কল পেয়েও বিরক্ত হচ্ছেন না, তেমনই সেবা দিতেও প্রথম দিক থেকেই সাহসিকতার সাথে রয়েছেন তৎপর ও দায়িত্বশীল। সত্যিকার অর্থে বর্তমান অবস্থায় এমন লোকই প্রয়োজন। আর ওই পেশাটা কতটুকু মর্যাদা ও দায়িত্বশীল তা অনুমান করা যায়, যখন আমরা শুনি যে, আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও হারাদকার ব্যক্তিগত জীবনে একজন চিকিৎসক হয়েও রাজনীতিতে প্রবেশের কারণে স্থগিত করে রাখা চিকিৎসা সনদ পুনরায় নিবন্ধন করে জাতির স্বার্থে স্বাস্থ্যকর্মীদের সাথে নিয়ে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় কাজ করছেন। আরও যখন শুনি, ঘিয়াম পিওর গিরম নামে ৮৫ বছর বয়সী ইতালির অবসরপ্রাপ্ত একজন চিকিৎসক দুঃসময়ে তার কর্মে ফিরেছেন। কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্য আমাদের দেশে সেই চিত্র একেবারেই উল্টো। যে কারণে কঠোর নির্দেশনার পরও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যায়ন শেষ করা ৫২তম ব্যাচের শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা সেই হাসপাতালে ইন্টার্নি কাজে যোগ দেননি। কর্তব্যকাজ ফেলে নিজেদের গুটিয়ে রাখা চিকিৎসকদের বৃহৎ অংশকে দায়িত্ব-কর্তব্যে ফেরাতে দেশের স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে প্রণোদনা ঘোষণা দিতে হয়! এতে প্রধানমন্ত্রী যে কতটুকু অসহায় এবং সেই তাদের বিবেকবোধটা কোন পর্যায়ে থাকতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। অথচ তাদের কাজই হচ্ছে রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা। কখনও সে লড়াই সহজ, আবার কখনও কঠিন হতে পারে। সুখের সময়ে যেমন সবাই সুবিধা নেয়, তেমনই বিপদের সময়ে সুবিধা দিতে হয়। তাই চলমান কঠিন সময়ে তাদের পালানোটাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের সামিল বললেও বাড়িয়ে বলা হবে না হয়তো।
এদিকে চেম্বারে ফিরে নিয়ে আসা পত্রিকাগুলো এক পলক দেখতে দেখতেই শ্যামলবাংলা পরিবারের সদস্য মইনুল হোসেন প্লাবনকে পেয়ে যাই। তাকে নিয়ে কাজ শুরু করতে গিয়ে দেখতে পাই কারিগরি সমস্যার কারণে সাইটে খবর পোস্ট করা যাচ্ছে না। তাই কাজের ইচ্ছে ও সময় থাকার পরও লকডাউনে পড়ে শ্যামলবাংলা। ততক্ষণে আইইডিসিআর প্রেস বিফ্রিংয়ে ৮ এপ্রিলের করোনার আপডেট নিউজ জানা যায়। তাতে দেখা যায় ২৪ ঘন্টায় নতুন করে দেশে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ জন, মৃত্যু ৩ জন এবং মোট আক্রান্ত ২১৮ জন ও মৃত্যু ২০ জন। এছাড়া অন্য একটি মিডিয়া মারফত জানা যায়, করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে গতকালই গেছে মৃত্যুহীন একটি দিন। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইতোমধ্যে আরও প্রাণ হারিয়েছেন ১২০ জন বাংলাদেশী। আর এর মধ্য দিয়ে স্মরণে আসে বাংলাদেশে করোনা আক্রমনের এক মাস পূর্তির কথা।  গত ৮ মার্চ থেকে এ ঝুঁকিতে পড়ে দেশ। আজ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালী, স্পেন ও ফ্রান্সসহ বিশ্বের আক্রান্ত ২ শতাধিক দেশের মধ্যে যেগুলোতে মহামারী চলছে সেগুলোর এক মাস আগের চিত্রের চেয়ে বাংলাদেশের তুলনামূলক চিত্রটা খুবই ভয়াবহ। কারণ কভিড-১৯ এ এখন সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়েছে। আর সংক্রমণের পরিধি ইতোমধ্যে দেশের ১৮ টি জেলায় বিস্তৃত হয়েছে।
বলাবাহুল্য, করোনা ছোবল বাংলাদেশে পৌঁছার আগেই শেরপুরে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও পৌরসভাসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সচেতনতামূলক প্রচারণা চালায়। মাইকিং, লিফলেট প্রচারণাসহ এক পর্যায়ে সাবান দিয়ে হাত ধুতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বেসিন স্থাপন ও জীবাণুনাশক স্প্রেও করে- যা এখনও চলমান রয়েছে। এ জন্য একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে থেকে ওইসব কার্যক্রমে শরিক হতে পারলেও তথা ভয়কে জয় করার মন্ত্র শেখানোর চেষ্টা করেও যেন অজান্তেই নিজের ভেতর থেকে ভয়টা দূর করতে পারিনি। ভয়ের সেই অজাতশত্রæ যেন খোদ আমারই হৃদয়ে বাসা বেঁধে ফেলেছে। তাই হয়তো স্বভাবজাত লেখায় স্মরণ করা সম্ভব হয়ে উঠেনি সদ্য প্রয়াত জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব মোঃ কফেজ উদ্দিন মিয়াকে। ২৬ মার্চ থেকে ১৭ দিনের দীর্ঘ ছুটির পরও সময় হয়ে উঠেনি সমকালীন বিষয়াদি প্রসঙ্গে লেখালেখি। কেবল তাই নয়, করোনা পরিস্থিতির দ্বিতীয় পর্যায়ে ‘করোনায় করোনা ছড়াক সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে’ বিষয় নির্ধারণের পরও সম্ভব হয়ে উঠেনি সেই লেখাটা শেষ করে প্রকাশ করা। এরপরও সম্পাদকীয় শূন্য গণমাধ্যমগুলোর মত গড্ডালিকা প্রবাহে গাঁ না ভাসিয়ে স্বাতন্ত্র্যবোধের অঙ্গীকারে দু’টি গণমাধ্যম সম্পাদনার সুবাদে নিজের উপর যে দায়বদ্ধতা রয়েছে, সেই দায়বদ্ধতা ঘুচানোর স্বার্থে বর্তমান পরিস্থিতি আর ত্রাণ বিতরণ, প্রচারবিলাস ও সমন্বয়হীনতাসহ নানা অসঙ্গতির বিষয়েও সম্ভব হয়ে উঠেনি কলম ধরা। আর তুলে ধরাও সম্ভব হয়ে উঠেনি এ জটিল অবস্থায় সেবার নাম করে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর জায়গাগুলোতে সুবিধাবাদী, বিতর্কিত চক্রের অনুপ্রবেশের কথা। অথচ যন্ত্রচালিতের মত এ জীবনের ব্যস্ততার সামান্য কমতি পেলেই সমকালীন বিষয় নিয়ে লেখালেখিটা যেন আমার মজ্জাগত নেশা বা অভ্যাসেরই এক অংশ।
তাই বর্তমান পরিস্থিতির রোজনামচায় আজকের অঙ্গীকার ভয়কে করতেই হবে জয়। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবো। ভিড়ে নয়, নীড়ে থাকবো, সুস্থ্য থাকবো, ভালো থাকবো। সেই সাথে জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল লোকজন যার যার অবস্থান থেকে ওই পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকবো। আমরা কবির ভাষায় বলা ‘উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, ভয় নাই ওরে ভয় নাই!, নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান- ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই!’- এ মর্মার্থ উপলব্ধিতে নিয়ে শতাব্দী সেরা যুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়বো। বাঁচাবো দেশ, জাতি ও বিশ্বকে।
সেইসাথে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ, ৪৯তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, নববর্ষ ও শবে বরাতসহ নানা জাতীয় উৎসব-পার্বণকে যে পরিস্থিতি করেছে ম্নান-পবিত্র শবে বরাতের মধ্য দিয়ে জাতি সেই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাক। করোনা ধস থেকে  সবাক বিশ্ব আবারও জেগে উঠুক, মেলে ধরুক তার অপার সম্ভাবনার উড়ন্ত ডানা। কাটুক ঘোর অমানিশার অন্ধকার- এই প্রত্যাশা আমাদের।
তারিখ: ০৮.০৪.২০২০ইং। 
লেখক : আইনজীবী, সাংবাদিক ও রাজনীতিক, শেরপুর। ই-মেইল : press.adhar@gmail .com  

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!