রাত ২:২৩ | মঙ্গলবার | ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে হঠাৎ আলোচনার শীর্ষে মেয়র মনোনয়নপ্রত্যাশী আ’লীগ নেতা আধার

আরও ৩৪টি মসজিদে দোয়া ॥ নিয়মিত চলছে গণসংযোগ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঐতিহ্যবাহী শেরপুর পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে হঠাৎ আলোচনার শীর্ষে চলে এসেছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, জেলা আইনজীবী সমিতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার। গত ৪ দিন ধরে শেরপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ শহরের সর্বত্র এখন তাকে নিয়েই চলছে সরগরম আলোচনা। অন্যদিকে দলের অপর ৪ জন মনোনয়নপ্রত্যাশীর মধ্যে ক’দিন আগেও মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো ৩ জনের হঠাৎ চুপসে থাকার বিষয়টিও স্থান পাচ্ছে সেই আলোচনায়। দলের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানুর নেতৃত্বাধীন দলের একটি গণতান্ত্রিক অংশের সমর্থন নিয়ে এডভোকেট আধার বিলম্বে মাঠে নামলেও তা নিয়ে চিন্তিত দলের অপরাপর সম্ভাব্য প্রার্থীসহ খোদ দায়িত্বশীলরাও। তবে দলের অন্যান্য প্রার্থীরা এখন তৃণমূলের লড়াইয়ে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের কাছে ছুটছেন বলেই হয়তো মাঠে সময় দিতে পারছেন না- এমন দাবিও তাদের সাথে সংশ্লিষ্টদের।

img-add

অন্যদিকে এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার অন্যান্য দিনের মতো ২১ নভেম্বর শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শহরের পশ্চিম শেরী, কসবা কাঠগড়, গাংপাড়, গারোটিলা, মৃধাবাড়ি, ধোপাঘাট, কাচারীপাড়া, ঋষিপাড়া ও শিবউত্তর মহল্লায় অধিবাসী-ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণসংযোগ করেছেন। ওইসময় তিনি ভোটারদের হাতে প্রচারণার লিফলেট তুলে দিয়ে দোয়া-সমর্থন কামনা করলে ভোটাররাও তাকে অবহেলিত বৃহৎ অঞ্চলের প্রার্থী হিসেবে তাকে আশ্বস্ত করেন। এছাড়া শুক্রবার জুমা নামাজের পর শহরের ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের ৩৪টি মসজিদে তার জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার একইভাবে ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের ৩৭টি মসজিদে তার জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, শেরপুর পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের ৫ মনোনয়নপ্রত্যাশীর মধ্যে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বর্তমান মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন, জেলা আওয়ামী লীগে সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল হাসান উৎপল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আনিসুর রহমান ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আরিফ রেজা। তাদের মধ্যে কেবল এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানুর অনুসারী হলেও অপর ৪ জনই হুইপ আতিউর রহমান আতিক-এডভোকেট চন্দন কুমার পালের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। আর প্রথমভাগ থেকেই অন্য ৩ জনের মতো গোলাম কিবরিয়া লিটন ও এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার সরাসরি মাঠে না থাকলেও ডিজিটাল প্রচারণায় একই সাথে তারাও ছিলেন আলোচনায়। ওই অবস্থায় ওই ৩ জন প্রার্থী দীর্ঘ প্রায় দেড় মাস ধরে মাঠে বিচরণ করলেও মাত্র ১০দিন আগে অর্থাৎ গত ১০ নভেম্বর সিদ্ধান্ত নিয়ে পরদিন থেকে মাঠে নামেন রফিকুল ইসলাম আধার। সেই থেকে প্রতিদিন শহরের বিভিন্ন মহল্লায় দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে তিনি সরাসরি অংশ নিচ্ছেন গণসংযোগে। ইতোমধ্যে ভোটারদের দোড়গোড়ায় পৌঁছে ৫টি ওয়ার্ডে সম্পন্ন করেছেন গণসংযোগ। সেইসাথে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানুসহ তাকে সমর্থন করা শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে শহরের খরমপুর ও গোয়ালপট্টি মোড়ে দু’টি পৃথক সমাবেশের পাশাপাশি এডভোকেট আধারের নিজ এলাকা দমদমা কালিগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী মোবারকপুর ও নওহাটা মহল্লায় আঞ্চলিকতার প্রশ্নে বৃহৎ সমাবেশও হয়েছে। এতে ব্যাপক সাড়াও মিলেছে ওইসব এলাকাবাসীর। তাছাড়া ১৮ নভেম্বর  বুধবার বিকেলে দীর্ঘ  ২ ঘন্টাব্যাপী শহরের প্রধান প্রধান সড়কসহ প্রান্ত সড়কজুড়ে বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাও তাক লাগিয়ে দেয় শহরবাসীকে। আর ওইসব মিলে তিনি এখন কেবল দলের প্রার্থীদের মধ্যেই নয়, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সকল সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যেই আলোচনার শীর্ষে অবস্থান করছেন।
এদিকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল পরিবর্তিত অবস্থায় এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধারকেই দলের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী বলে ভাবছেন। তাদের মতে, অবহেলিত বৃহৎ এলাকা আর ব্যাপক জনসম্পৃক্ততার কারণে গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নে কেবল তাকে দলীয় মনোনয়ন দিলেই বিজয়ের বিষয়ে কোন শঙ্কা থাকবে না ক্ষমতাসীন দলের।
এ ব্যাপারে এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার বলেন, শেরপুর পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে বৃহত্তর উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের লোকজন এবার একাট্টা হয়ে উঠেছেন। সেইসাথে তারা পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাই বৃহৎ অঞ্চল ও যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন হলে তিনিই দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রার্থী মনোনয়নে তৃণমূলের যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুত রয়েছেন তিনি। তবে সেই তৃণমূল যেন নগ্ন প্রভাব ও কলুষমুক্ত পরিবেশে হয়- সেই প্রত্যাশা করেন তিনি।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শেরপুরে সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদান বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক গণশুনানী

» বঙ্গবন্ধু ৩৬তম এ্যাথলেটিকসে স্বর্ণপদক পেলো শেরপুরের সেকান্দর আলী কলেজের ছাত্র নাঈম

» উসকানিমূলক বক্তব্য দিলে সরকার বসে থাকবে না : তথ্যমন্ত্রী

» একসঙ্গে ৪২ ও ৪৩ তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ ৩৮১৪

» অবশেষে সিয়াম-পরীর ‘বিশ্বসুন্দরী’

» শেরপুরে মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

» শেরপুরে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি ॥ ভোগান্তিতে শিশু ও গর্ভবতী নারীসহ সেবাপ্রার্থীরা

» শ্রীবরদীতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ, ধর্ষক পলাতক

» শেরপুরে মেয়র মনোনয়নপ্রত্যাশী আ’লীগ নেতা আধারের গণসংযোগ অব্যাহত

» জয়কে ১নং সদস্য করে পীরগঞ্জ আ’লীগের কমিটি অনুমোদন

» ১৩ তম জাতীয় আয়কর দিবস আজ

» চেলসিকে রুখে দিয়ে শীর্ষে ফিরলো টটেনহ্যাম

» বিয়ে করছেন অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা

» শ্রীবরদীতে ইটভাটার পাহারাদার হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ৩

» শ্রীবরদীর ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী ঢাকা থেকে গ্রেফতার

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  রাত ২:২৩ | মঙ্গলবার | ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে হঠাৎ আলোচনার শীর্ষে মেয়র মনোনয়নপ্রত্যাশী আ’লীগ নেতা আধার

আরও ৩৪টি মসজিদে দোয়া ॥ নিয়মিত চলছে গণসংযোগ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ঐতিহ্যবাহী শেরপুর পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে হঠাৎ আলোচনার শীর্ষে চলে এসেছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, জেলা আইনজীবী সমিতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার। গত ৪ দিন ধরে শেরপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ শহরের সর্বত্র এখন তাকে নিয়েই চলছে সরগরম আলোচনা। অন্যদিকে দলের অপর ৪ জন মনোনয়নপ্রত্যাশীর মধ্যে ক’দিন আগেও মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো ৩ জনের হঠাৎ চুপসে থাকার বিষয়টিও স্থান পাচ্ছে সেই আলোচনায়। দলের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানুর নেতৃত্বাধীন দলের একটি গণতান্ত্রিক অংশের সমর্থন নিয়ে এডভোকেট আধার বিলম্বে মাঠে নামলেও তা নিয়ে চিন্তিত দলের অপরাপর সম্ভাব্য প্রার্থীসহ খোদ দায়িত্বশীলরাও। তবে দলের অন্যান্য প্রার্থীরা এখন তৃণমূলের লড়াইয়ে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের কাছে ছুটছেন বলেই হয়তো মাঠে সময় দিতে পারছেন না- এমন দাবিও তাদের সাথে সংশ্লিষ্টদের।

img-add

অন্যদিকে এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার অন্যান্য দিনের মতো ২১ নভেম্বর শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শহরের পশ্চিম শেরী, কসবা কাঠগড়, গাংপাড়, গারোটিলা, মৃধাবাড়ি, ধোপাঘাট, কাচারীপাড়া, ঋষিপাড়া ও শিবউত্তর মহল্লায় অধিবাসী-ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণসংযোগ করেছেন। ওইসময় তিনি ভোটারদের হাতে প্রচারণার লিফলেট তুলে দিয়ে দোয়া-সমর্থন কামনা করলে ভোটাররাও তাকে অবহেলিত বৃহৎ অঞ্চলের প্রার্থী হিসেবে তাকে আশ্বস্ত করেন। এছাড়া শুক্রবার জুমা নামাজের পর শহরের ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ডের ৩৪টি মসজিদে তার জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার একইভাবে ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের ৩৭টি মসজিদে তার জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, শেরপুর পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের ৫ মনোনয়নপ্রত্যাশীর মধ্যে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বর্তমান মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন, জেলা আওয়ামী লীগে সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল হাসান উৎপল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আনিসুর রহমান ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আরিফ রেজা। তাদের মধ্যে কেবল এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানুর অনুসারী হলেও অপর ৪ জনই হুইপ আতিউর রহমান আতিক-এডভোকেট চন্দন কুমার পালের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। আর প্রথমভাগ থেকেই অন্য ৩ জনের মতো গোলাম কিবরিয়া লিটন ও এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার সরাসরি মাঠে না থাকলেও ডিজিটাল প্রচারণায় একই সাথে তারাও ছিলেন আলোচনায়। ওই অবস্থায় ওই ৩ জন প্রার্থী দীর্ঘ প্রায় দেড় মাস ধরে মাঠে বিচরণ করলেও মাত্র ১০দিন আগে অর্থাৎ গত ১০ নভেম্বর সিদ্ধান্ত নিয়ে পরদিন থেকে মাঠে নামেন রফিকুল ইসলাম আধার। সেই থেকে প্রতিদিন শহরের বিভিন্ন মহল্লায় দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে তিনি সরাসরি অংশ নিচ্ছেন গণসংযোগে। ইতোমধ্যে ভোটারদের দোড়গোড়ায় পৌঁছে ৫টি ওয়ার্ডে সম্পন্ন করেছেন গণসংযোগ। সেইসাথে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানুসহ তাকে সমর্থন করা শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে শহরের খরমপুর ও গোয়ালপট্টি মোড়ে দু’টি পৃথক সমাবেশের পাশাপাশি এডভোকেট আধারের নিজ এলাকা দমদমা কালিগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী মোবারকপুর ও নওহাটা মহল্লায় আঞ্চলিকতার প্রশ্নে বৃহৎ সমাবেশও হয়েছে। এতে ব্যাপক সাড়াও মিলেছে ওইসব এলাকাবাসীর। তাছাড়া ১৮ নভেম্বর  বুধবার বিকেলে দীর্ঘ  ২ ঘন্টাব্যাপী শহরের প্রধান প্রধান সড়কসহ প্রান্ত সড়কজুড়ে বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাও তাক লাগিয়ে দেয় শহরবাসীকে। আর ওইসব মিলে তিনি এখন কেবল দলের প্রার্থীদের মধ্যেই নয়, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সকল সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যেই আলোচনার শীর্ষে অবস্থান করছেন।
এদিকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল পরিবর্তিত অবস্থায় এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধারকেই দলের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী বলে ভাবছেন। তাদের মতে, অবহেলিত বৃহৎ এলাকা আর ব্যাপক জনসম্পৃক্ততার কারণে গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নে কেবল তাকে দলীয় মনোনয়ন দিলেই বিজয়ের বিষয়ে কোন শঙ্কা থাকবে না ক্ষমতাসীন দলের।
এ ব্যাপারে এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার বলেন, শেরপুর পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে বৃহত্তর উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের লোকজন এবার একাট্টা হয়ে উঠেছেন। সেইসাথে তারা পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাই বৃহৎ অঞ্চল ও যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন হলে তিনিই দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রার্থী মনোনয়নে তৃণমূলের যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুত রয়েছেন তিনি। তবে সেই তৃণমূল যেন নগ্ন প্রভাব ও কলুষমুক্ত পরিবেশে হয়- সেই প্রত্যাশা করেন তিনি।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!