দুপুর ১:৫৬ | শনিবার | ১১ই জুলাই, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আমজাদ হোসেন স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরে মুক্তিযুদ্ধের বিশিষ্ট সংগঠক, চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি আমজাদ হোসেনের মৃত্যুতে স্মরণসভা করেছে সাংবাদিক বিপ্লবী রবিনিয়োগী সভাকক্ষ পরিচালনা পর্ষদ। ১৮ নভেম্বর সোমবার রাতে শহরের নিউমার্কেট বিপ্লবী রবিনিয়োগী সভাকক্ষে ওই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, আমজাদ হোসেনের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মুক্তিযুদ্ধের ছাত্র সংগঠক হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়া। তিনিই প্রথম শেরপুর পৌরপার্ক মাঠে ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের নামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত আমজাদ হোসেন মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি ছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন এবং শেরপুর চেম্বারের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিন সন্তানকে তিঁনি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। এককথায় তিঁনি ছিলেন সবদিক থেকে একজন সফল মানুষ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় তিঁনি সর্বদা অবিচল ছিলেন। স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে তিনি কখনো আপস করেননি। যা বিশ^াস করতেন, অকপটে তাই বলে দিতেন। আপদমস্তক অসাম্প্রদায়িক মানুষ আমজাদ হোসেন ছিলেন চেতনার বাতিঘর। তার অকাল মৃত্যু হলেও তিনি বেঁচে থাকবেন তার আদর্শ, চেতনা এবং কর্মের মধ্য দিয়ে।
সাংবাদিক বিপ্লবী রবি নিয়োগী সভাকক্ষ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সুশীল মালাকারের সভাপতিত্বে ওই স্মরণসভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ শিব শংকর কারুয়া, অ্যাডভোকেট নারায়ন চন্দ্র হোড়, প্রেসক্লাব সভাপতি শরিফুর রহমান, কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সাধরণ সম্পাদক মাসুম ইবনে শফিক, মহিলা পরিষদ নেত্রী আঞ্জুমান আরা যুথী, এসপিএস নির্বাহী পরিচালক আব্দুল মান্নান ভাষানী। এছাড়া সাংবাদিক আব্দুর রহিম বাদল, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, সাবেক ব্যাংকার রবিউল আলম, কবি রবিীন পারভেজ, নারী উদ্যোক্তা আইরীন পারভীন, জনউদ্যোগ আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, উদীচী জেলা সভাপতি তপন সারোয়ার, ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি মোশারফ হোসেন তালুকদার, সঞ্জিব চন্দ বিল্টু, হারান চন্দ্র সাহা, আ.স.ম সোহেল নয়ন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অধ্যাপক শিব শংকর কারুয়া বলেন, আমজাদ হোসেন সাহেব যতদিন সক্রিয় রাজনীতি করেছেন, কোন কালিমা তাকে স্পর্শ করেনি। একজন সৎ ব্যবসায়ী হিসেবেও তিনি সুবিদিত ছিলেন। তিঁনি আমাদের নিকট থেকে চলে গেলেও বেঁচে থাকবেন তাঁর চেতনা ও আদর্শের মধ্য দিয়ে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাকশাল গঠনের পর দেশে ৬০টি জেলা ঘোষণা করলেও শেরপুর তখন বাদ পড়ে যায়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সাথে শেরপুরের তৎকালীণ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ সাক্ষাতের পর বঙ্গবন্ধু শেরপুরকে ৬১ তম জেলা হিসেবে ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে সাক্ষাতকারী ওই দলের একজন ছিলেন আমজাদ হোসেন। বঙ্গবন্ধু যখন বলেছিলেন, যা আর হবেনা। তখন আমজাদ হোসেন বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন, আপনিতো শূন্য দিয়ে কিছু শুরু করেন না। তার এমন বুদ্ধিদীপ্ত কথায় তখন বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, যা শেরপুরকে ৬১ তম জেলা করে দিলাম।
জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট নারায়ন হোড় বাচ্চু বলেন, তার সততা ছিলো প্রশ্নাতীত। তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ সাংস্কৃতিক সংগঠক ছিলেন। তিনি ছিলেণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাতিঘর। তার মতো অসাম্প্রদায়িক মানুষ বিরল। সত্য কথা অনেকে দৃঢ়তার সাথে বলতে পারেনা। কিন্তু আমজাদ হোসেন অপ্রিয় হলেও সামনাসামনি সত্য প্রকাশ করার সাহস রাখতেন। তার এসব গুণগুলোই আমাদেরকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।
স্মরণসভায় সাংবাদিক আব্দুর রহিম বাদল বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন, যুদ্ধাপারধিদের বিচার এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রামে আমজাদ হোসেন সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতো অসাম্প্রদায়িক মানুষ বিরল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সর্বদা অবিচল আমজাদ হোসেন যুদ্ধাপরাধিদের বিচারে সর্বদাই উচ্চকন্ঠ ছিলেন। এ ব্যাপারে তিনি কোন আপস করেননি। সত্য প্রকাশে তিনি কখনো কুন্ঠাবোধ করেননি। যা বলার, সরাসরি বলতেন। রাজনীতি-ব্যবসা-পরিবার সবদিক থেকেই তিঁনি একজন সফল মানুষ ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আমজাদ হোসেনের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধের ছাত্র সংগঠক মো. আমজাদ হোসেন (৭৮) গত ৩১ আগস্ট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় সাহারা খাতুন

» করোনা এখনও নিয়ন্ত্রণ সম্ভব, উদাহরণ ধারাবী বস্তি : ডব্লিউএইচও

» ঝিনাইগাতীতে করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ

» সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন আর নেই

» শেরপুরে এবার সিজেএম’র ‘জাস্টিস অব দি পিস’ আদেশে ২শ হতদরিদ্র মানুষ পেল খাদ্য সহায়তা

» এবার তদন্তের মুখোমুখি ঝিনাইগাতী মহিলা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের সেই অধ্যক্ষ

» শেরপুরে সেতু ও রাস্তা নির্মাণে অনিয়ম ॥ তদন্ত কমিটির পরিদর্শন

» আমরাই ধরি আবার আমাদেরকেই দোষারোপ : প্রধানমন্ত্রী

» দেশে করোনায় আরও ৪১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৩০৭

» শিগগিরই এইচএসসিতে ভর্তি : শিক্ষামন্ত্রী

» ঝিনাইগাতীতে কৃষকলীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

» বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ১ কোটি ২০ লাখ

» আবদুল হালিম উকিল : পাহাড় সমুদ্র নদী সমর্পিত ঝর্ণা ধারা

» শ্রীবরদীতে ৭টি বিদ্যালয়ে ড্রামস সেট বিতরণ

» শেরপুরের আকাশে দিন-রাত উড়ছে বাহারি রঙের ঘুড়ি

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  দুপুর ১:৫৬ | শনিবার | ১১ই জুলাই, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আমজাদ হোসেন স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরে মুক্তিযুদ্ধের বিশিষ্ট সংগঠক, চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি আমজাদ হোসেনের মৃত্যুতে স্মরণসভা করেছে সাংবাদিক বিপ্লবী রবিনিয়োগী সভাকক্ষ পরিচালনা পর্ষদ। ১৮ নভেম্বর সোমবার রাতে শহরের নিউমার্কেট বিপ্লবী রবিনিয়োগী সভাকক্ষে ওই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, আমজাদ হোসেনের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মুক্তিযুদ্ধের ছাত্র সংগঠক হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়া। তিনিই প্রথম শেরপুর পৌরপার্ক মাঠে ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের নামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত আমজাদ হোসেন মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি ছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন এবং শেরপুর চেম্বারের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিন সন্তানকে তিঁনি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। এককথায় তিঁনি ছিলেন সবদিক থেকে একজন সফল মানুষ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় তিঁনি সর্বদা অবিচল ছিলেন। স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে তিনি কখনো আপস করেননি। যা বিশ^াস করতেন, অকপটে তাই বলে দিতেন। আপদমস্তক অসাম্প্রদায়িক মানুষ আমজাদ হোসেন ছিলেন চেতনার বাতিঘর। তার অকাল মৃত্যু হলেও তিনি বেঁচে থাকবেন তার আদর্শ, চেতনা এবং কর্মের মধ্য দিয়ে।
সাংবাদিক বিপ্লবী রবি নিয়োগী সভাকক্ষ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সুশীল মালাকারের সভাপতিত্বে ওই স্মরণসভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ শিব শংকর কারুয়া, অ্যাডভোকেট নারায়ন চন্দ্র হোড়, প্রেসক্লাব সভাপতি শরিফুর রহমান, কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সাধরণ সম্পাদক মাসুম ইবনে শফিক, মহিলা পরিষদ নেত্রী আঞ্জুমান আরা যুথী, এসপিএস নির্বাহী পরিচালক আব্দুল মান্নান ভাষানী। এছাড়া সাংবাদিক আব্দুর রহিম বাদল, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, সাবেক ব্যাংকার রবিউল আলম, কবি রবিীন পারভেজ, নারী উদ্যোক্তা আইরীন পারভীন, জনউদ্যোগ আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, উদীচী জেলা সভাপতি তপন সারোয়ার, ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি মোশারফ হোসেন তালুকদার, সঞ্জিব চন্দ বিল্টু, হারান চন্দ্র সাহা, আ.স.ম সোহেল নয়ন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অধ্যাপক শিব শংকর কারুয়া বলেন, আমজাদ হোসেন সাহেব যতদিন সক্রিয় রাজনীতি করেছেন, কোন কালিমা তাকে স্পর্শ করেনি। একজন সৎ ব্যবসায়ী হিসেবেও তিনি সুবিদিত ছিলেন। তিঁনি আমাদের নিকট থেকে চলে গেলেও বেঁচে থাকবেন তাঁর চেতনা ও আদর্শের মধ্য দিয়ে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাকশাল গঠনের পর দেশে ৬০টি জেলা ঘোষণা করলেও শেরপুর তখন বাদ পড়ে যায়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সাথে শেরপুরের তৎকালীণ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ সাক্ষাতের পর বঙ্গবন্ধু শেরপুরকে ৬১ তম জেলা হিসেবে ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে সাক্ষাতকারী ওই দলের একজন ছিলেন আমজাদ হোসেন। বঙ্গবন্ধু যখন বলেছিলেন, যা আর হবেনা। তখন আমজাদ হোসেন বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন, আপনিতো শূন্য দিয়ে কিছু শুরু করেন না। তার এমন বুদ্ধিদীপ্ত কথায় তখন বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, যা শেরপুরকে ৬১ তম জেলা করে দিলাম।
জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট নারায়ন হোড় বাচ্চু বলেন, তার সততা ছিলো প্রশ্নাতীত। তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ সাংস্কৃতিক সংগঠক ছিলেন। তিনি ছিলেণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাতিঘর। তার মতো অসাম্প্রদায়িক মানুষ বিরল। সত্য কথা অনেকে দৃঢ়তার সাথে বলতে পারেনা। কিন্তু আমজাদ হোসেন অপ্রিয় হলেও সামনাসামনি সত্য প্রকাশ করার সাহস রাখতেন। তার এসব গুণগুলোই আমাদেরকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।
স্মরণসভায় সাংবাদিক আব্দুর রহিম বাদল বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন, যুদ্ধাপারধিদের বিচার এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রামে আমজাদ হোসেন সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতো অসাম্প্রদায়িক মানুষ বিরল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সর্বদা অবিচল আমজাদ হোসেন যুদ্ধাপরাধিদের বিচারে সর্বদাই উচ্চকন্ঠ ছিলেন। এ ব্যাপারে তিনি কোন আপস করেননি। সত্য প্রকাশে তিনি কখনো কুন্ঠাবোধ করেননি। যা বলার, সরাসরি বলতেন। রাজনীতি-ব্যবসা-পরিবার সবদিক থেকেই তিঁনি একজন সফল মানুষ ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আমজাদ হোসেনের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধের ছাত্র সংগঠক মো. আমজাদ হোসেন (৭৮) গত ৩১ আগস্ট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

Print Friendly, PDF & Email
এ সংক্রান্ত আরও খবর

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!