সন্ধ্যা ৬:২৫ | রবিবার | ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং | ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে জমিদারসহ ঘোড়ার ভাস্কর্যটি অন্যত্র প্রতিস্থাপন করা হবে ॥ সংবাদ সম্মেলনে পৌর মেয়র

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুর শহরের থানামোড়স্থ বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে স্থাপিত জমিদারের প্রতিকৃতিসহ ঘোড়ার ভাস্কর্য বিতর্কের বিষয়ে এবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন পৌরসভার মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন। ২৭ জানুয়ারি সোমবার বিকেলে পৌরসভার সভাকক্ষে আয়োজিত সম্মেলনে মেয়র লিটন ভাস্কর্যটি অপসারণে নাগরিক সমাজের দেওয়া ৭ দিনের (৩০ জানুয়ারির মধ্যে) আল্টিমেটাম প্রত্যাখান করলেও ওই বিতর্ক অবসানের লক্ষ্যে স্থান প্রাপ্তি সাপেক্ষে সুবিধাজনক সময়ে ভাস্কর্যটি অন্যত্র প্রতিস্থাপন করা হবে বলে ঘোষণা দেন।

img-add

সম্মেলনে মেয়র লিটন বলেন, ঐতিহ্যবাহী শেরপুর পৌরসভার ১৫০ বছর পূর্তি উৎসব উপলক্ষে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য শহরের রঘুনাথ বাজার বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়। শেরপুর ছিল জমিদারদের শাসিত একটি অঞ্চল। তৎকালিন জমিদারেরা শিক্ষা ও অন্যান্য উন্নয়ন কাজের মাধ্যমে শেরপুরকে ঋদ্ধ করেছেন। তাই জমিদারের প্রতিকৃতিসহ ঘোড়ার ভাস্কর্যটি শেরপুরের একটি ঐতিহ্য স্মারক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এটি নির্মাণে পৌর পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত রয়েছে। এ ছাড়াও তাতে জাতীয় সংসদের হুইপ ও স্থানীয় সাংসদ আতিউর রহমান আতিকের সম্মতিও ছিল। তাই ভাস্কর্যটি এ মুহূর্তে অপসারণের যৌক্তিকতা দেখি না। তথাপি বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি জেলা আইন-শ্ঙ্খৃলা কমিটির সভায় পক্ষে-বিপক্ষে কথা হয়েছে। তাই সুবিধাজনক সময়ে ও স্থান প্রাপ্তি সাপেক্ষে ভাস্কর্যটি অপসারণ করে অন্যত্র প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে পৌরসভার। এ বিষয়ে নাগরিক সমাজ নেতৃবৃন্দকে ধৈর্যধারণ করার জন্য আহবান জানিয়ে ভাস্কর্যটি সরিয়ে শহরের কোথায় প্রতিস্থাপন করা যেতে পারে সে বিষয়েও সাংবাদিকদের পরামর্শ নেন।
সংবাদ সম্মেলনে পরামর্শমূলক বক্তব্যে শেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার বলেন, যে জমিদারদের শাসনকাল ছিল অত্যাচার ও শোষণের তাদের প্রতিকৃতি ঐতিহ্য হতে পারে না। বরং সেখানে ঘোড়াসমেত জমিদারদের প্রতিকৃতির পরিবর্তে সেই জমিদারদের অত্যাচারের প্রতিবাদী নেতা বিপ্লবী রবি নিয়োগীর ভাস্কর্য নির্মিত হলেও কোন সমালোচনা হতো না। তাই নাগরিক সমাজের দাবি অনুযায়ী দ্রুত তা অপসারণ করে বিতর্কের অবসান ঘটানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন। সেইসাথে তিনি জেলা প্রশাসকসহ আন্দোলনকারী নাগরিক সমাজের নেতাদের নিয়ে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ভাস্কর্যটি অপসারণে দিনক্ষণ জানাতেও মতামত ব্যক্ত করেন। তার এ বক্তব্যকে সমর্থন করে প্রেসক্লাবের সভাপতি শরিফুর রহমানও চলমান বিতর্কের দ্রুত অবসান চান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেরাজ উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবিহা জামান শাপলা, সিনিয়র সাংবাদিক তালাপতুফ হোসেন মঞ্জু, সঞ্জীব চন্দ বিল্টু, ফজলুল কবীর সুরুজ, সাংবাদিক আদিল মাহমুদ উজ্জল, সোহেল রানা প্রমুখ। ওইসময় সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি রাজিয়া সামাদ ডালিয়া, শেরপুর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক শিবশঙ্কর কারুয়া শিবু, শেরপুর মডেল গার্লস কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তপন সারওয়ার, পৌর প্যানেল মেয়র আতিউর রহমান মিতুল ও তৌহিদুর রহমান বিদ্যুৎসহ পৌর পরিষদের অন্যান্য সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রায় তিন মাস আগে ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়। গত ২ জানুয়ারি শেরপুর জেলা নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ ভাস্কর্যটি সাম্রাজ্যবাদী জমিদারদের প্রতীক এবং তা শেরপুরের ইতিহাস-ঐতিহ্যের পরিপন্থী হওয়ার পাশাপাশি দেখতেও অশোভন বলে উল্লেখ করে সেটি অপসারণ ও তদস্থলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনের জন্য পৌর মেয়রের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সেই দাবি পূরণ না হওয়ায় গত ২৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার শহরের রঘুনাথ বাজার বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে সংগঠনের পক্ষ থেকে আগামি ৩০ জানুয়ারির মধ্যে ভাস্কর্যটি অপসারণের জন্য মেয়রকে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। অন্যথায় জনগণকে সাথে নিয়ে সেটি অপসারণ করে জনগণের অর্থায়নে সেখানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের ঘোষণাও দেওয়া হয়

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» মাশরাফিই অধিনায়ক, ওয়ানডে দলে নাঈম-শান্ত

» বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাংলাদেশ

» বিটিআরসিকে ১ হাজার কোটি টাকা দিল গ্রামীণফোন

» দুই সিটি মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ ২৭ ফেব্রুয়ারি

» কুর্মিটোলায় পথচারীদের ওপর প্রাইভেটকার, আহত ১৪

» খালেদার জামিন শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি

» শ্রীবরদীতে শেষ হলো গারো ব্যাপ্টিস্ট কনভেনশনের ৪ দিনব্যাপী সভা

» ‘বিভিন্ন দেশে কর দিতে প্রস্তুত ফেসবুক’

» মেসির অনবদ্য নৈপুণ্যে শীর্ষে ফিরেলা বার্সা; রিয়ালের হার

» চীনের বাইরেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে করোনা, বাড়ছে আতঙ্ক

» ফের ভেঙ্গে পড়লো ভারতীয় যুদ্ধবিমান

» কারিগরি ও পেশাগত জ্ঞান অর্জন করতে সেনা সদস্যদের রাষ্ট্রপতির আহ্বান

» বিএনপি গণমানুষের রাজনীতি করতে ব্যর্থ : তথ্যমন্ত্রী

» বইপ্রেমী-লেখকদের পদভারে মুখরিত শেরপুরের ডিসি উদ্যান

» মুজিববর্ষে আসছে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, সঙ্গে ২শ টাকার নোট

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  সন্ধ্যা ৬:২৫ | রবিবার | ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং | ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে জমিদারসহ ঘোড়ার ভাস্কর্যটি অন্যত্র প্রতিস্থাপন করা হবে ॥ সংবাদ সম্মেলনে পৌর মেয়র

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুর শহরের থানামোড়স্থ বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে স্থাপিত জমিদারের প্রতিকৃতিসহ ঘোড়ার ভাস্কর্য বিতর্কের বিষয়ে এবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন পৌরসভার মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন। ২৭ জানুয়ারি সোমবার বিকেলে পৌরসভার সভাকক্ষে আয়োজিত সম্মেলনে মেয়র লিটন ভাস্কর্যটি অপসারণে নাগরিক সমাজের দেওয়া ৭ দিনের (৩০ জানুয়ারির মধ্যে) আল্টিমেটাম প্রত্যাখান করলেও ওই বিতর্ক অবসানের লক্ষ্যে স্থান প্রাপ্তি সাপেক্ষে সুবিধাজনক সময়ে ভাস্কর্যটি অন্যত্র প্রতিস্থাপন করা হবে বলে ঘোষণা দেন।

img-add

সম্মেলনে মেয়র লিটন বলেন, ঐতিহ্যবাহী শেরপুর পৌরসভার ১৫০ বছর পূর্তি উৎসব উপলক্ষে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য শহরের রঘুনাথ বাজার বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়। শেরপুর ছিল জমিদারদের শাসিত একটি অঞ্চল। তৎকালিন জমিদারেরা শিক্ষা ও অন্যান্য উন্নয়ন কাজের মাধ্যমে শেরপুরকে ঋদ্ধ করেছেন। তাই জমিদারের প্রতিকৃতিসহ ঘোড়ার ভাস্কর্যটি শেরপুরের একটি ঐতিহ্য স্মারক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এটি নির্মাণে পৌর পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত রয়েছে। এ ছাড়াও তাতে জাতীয় সংসদের হুইপ ও স্থানীয় সাংসদ আতিউর রহমান আতিকের সম্মতিও ছিল। তাই ভাস্কর্যটি এ মুহূর্তে অপসারণের যৌক্তিকতা দেখি না। তথাপি বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি জেলা আইন-শ্ঙ্খৃলা কমিটির সভায় পক্ষে-বিপক্ষে কথা হয়েছে। তাই সুবিধাজনক সময়ে ও স্থান প্রাপ্তি সাপেক্ষে ভাস্কর্যটি অপসারণ করে অন্যত্র প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে পৌরসভার। এ বিষয়ে নাগরিক সমাজ নেতৃবৃন্দকে ধৈর্যধারণ করার জন্য আহবান জানিয়ে ভাস্কর্যটি সরিয়ে শহরের কোথায় প্রতিস্থাপন করা যেতে পারে সে বিষয়েও সাংবাদিকদের পরামর্শ নেন।
সংবাদ সম্মেলনে পরামর্শমূলক বক্তব্যে শেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার বলেন, যে জমিদারদের শাসনকাল ছিল অত্যাচার ও শোষণের তাদের প্রতিকৃতি ঐতিহ্য হতে পারে না। বরং সেখানে ঘোড়াসমেত জমিদারদের প্রতিকৃতির পরিবর্তে সেই জমিদারদের অত্যাচারের প্রতিবাদী নেতা বিপ্লবী রবি নিয়োগীর ভাস্কর্য নির্মিত হলেও কোন সমালোচনা হতো না। তাই নাগরিক সমাজের দাবি অনুযায়ী দ্রুত তা অপসারণ করে বিতর্কের অবসান ঘটানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন। সেইসাথে তিনি জেলা প্রশাসকসহ আন্দোলনকারী নাগরিক সমাজের নেতাদের নিয়ে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ভাস্কর্যটি অপসারণে দিনক্ষণ জানাতেও মতামত ব্যক্ত করেন। তার এ বক্তব্যকে সমর্থন করে প্রেসক্লাবের সভাপতি শরিফুর রহমানও চলমান বিতর্কের দ্রুত অবসান চান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেরাজ উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবিহা জামান শাপলা, সিনিয়র সাংবাদিক তালাপতুফ হোসেন মঞ্জু, সঞ্জীব চন্দ বিল্টু, ফজলুল কবীর সুরুজ, সাংবাদিক আদিল মাহমুদ উজ্জল, সোহেল রানা প্রমুখ। ওইসময় সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি রাজিয়া সামাদ ডালিয়া, শেরপুর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক শিবশঙ্কর কারুয়া শিবু, শেরপুর মডেল গার্লস কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তপন সারওয়ার, পৌর প্যানেল মেয়র আতিউর রহমান মিতুল ও তৌহিদুর রহমান বিদ্যুৎসহ পৌর পরিষদের অন্যান্য সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রায় তিন মাস আগে ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়। গত ২ জানুয়ারি শেরপুর জেলা নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ ভাস্কর্যটি সাম্রাজ্যবাদী জমিদারদের প্রতীক এবং তা শেরপুরের ইতিহাস-ঐতিহ্যের পরিপন্থী হওয়ার পাশাপাশি দেখতেও অশোভন বলে উল্লেখ করে সেটি অপসারণ ও তদস্থলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনের জন্য পৌর মেয়রের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সেই দাবি পূরণ না হওয়ায় গত ২৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার শহরের রঘুনাথ বাজার বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে সংগঠনের পক্ষ থেকে আগামি ৩০ জানুয়ারির মধ্যে ভাস্কর্যটি অপসারণের জন্য মেয়রকে আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। অন্যথায় জনগণকে সাথে নিয়ে সেটি অপসারণ করে জনগণের অর্থায়নে সেখানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের ঘোষণাও দেওয়া হয়

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!