দুপুর ২:৪৩ | সোমবার | ২৫শে মে, ২০২০ ইং | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে করোনা আতঙ্কে হাসপাতালে নেই ভিড় ॥ প্রাইভেট চেম্বারগুলোর বেশিরভাগই বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন যখন রয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায়, ঠিক তখন শেরপুরের হাসপাতালগুলোতে করোনা আতঙ্কে নেই কোন ভিড়। বরং অনেকটাই শূন্য। অন্যদিকে সরকার, প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কঠোর নির্দেশনার পরও প্রাইভেট চেম্বারগুলোর বেশিরভাগই বন্ধ থাকায় সেই প্রাইভেট চিকিৎসকদের প্রতি আস্থাশীল রোগীদের সিংহভাগই রয়েছেন চরম বিপাকে।
জানা যায়, করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক সারাদেশের ন্যায় শেরপুরেও ছড়িয়ে পড়ার পরপরই ওই আতঙ্কের কারণে জেলা সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ভিড় কমতে কমতে এখন খোদ হাসপাতালের সিটগুলো শূন্য হয়ে আসছে। হাসপাতালগুলোতে টিকিৎসক, নার্সরা কর্মরত থাকলেও সর্দি-জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, শরীর ব্যথাসহ অন্যান্য রোগের রোগীরা চিকিৎসা নিতে এখন আর হাসপাতালমুখী নয় বলেই ওই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অগত্যা বয়স্ক ও হতদরিদ্র পরিবারের লোকজন ছাড়া মধ্যবিত্ত বা অবস্থাসম্পন্ন পরিবারের রোগীদের প্রায় কেউই নেই হাসপাতালগুলোতে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে চিকিৎসা সেবা অব্যাহত থাকলেও রোগীর সংখ্যা খুবই কম। যেখানে প্রতিদিন গড়ে ৩-৪শ রোগী ভর্তি ও চিকিৎসা সেবা নিতে যান, সেখানে দুপুর পর্যন্ত রোগী ভর্তি হয়েছে মাত্র ২০/২১ জন। এতে ওই হাসপাতালের প্রায় সব বেডই ফাঁকা রয়েছে। হাসপাতালের বাইরের ফার্মেসী ও রাস্তাঘাটেও রোগীর স্বজনদের ভিড় নেই। জেলার নালিতাবাড়ী, নকলা, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর চিত্রও একই।
এদিকে বেসরকারি চিকিৎসকগণ ছাড়াও প্রায় সকল সরকারি চিকিৎসকই জেলায় প্রাইভেট চিকিৎসায় নিয়োজিত রয়েছেন। আর করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত গত ৪/৫ দিন যাবত জেলা সদরসহ উপজেলা সদরগুলোতে থাকা প্রায় ৫০টি প্রাইভেট চিকিৎসকের চেম্বারের মধ্যে অধিকাংশ চেম্বারই বন্ধ রয়েছে। এতে শহরসহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের লোকজন সাধারণ সর্দি-জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, শরীর ব্যথাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। জেলা শহরের নারায়ণপুর হাসপাতাল রোড, বটতলা, থানামোড়, রঘুনাথবাজার ও মাধবপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় এবং উপজেলা সদরগুলোতে থাকা প্রাইভেট চেম্বারগুলোতে ঝুলছে তালা। কোন কোন সাইনবোর্ডে থাকা মোবাইলেও কল করে পাওয়া যাচ্ছে না তাদের সহকারীদের। ফলে প্রতিদিন রোগীরা চিকিৎসক না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অগত্যা কেউ কেউ সম্পর্কের সুবাদে মোবাইলে পরামর্শ নিয়ে অষুধ সংগ্রহ করলেও কেউ কেউ বাধ্য হয়ে স্মরণাপন্ন হচ্ছেন পল্লী চিকিৎসক বা হাতুড়ে চিকিৎসকদের। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সর্দি-জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট ও শরীর ব্যথা করোনা ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষ্মণ হওয়ায় ওই ধরনের রোগীদের কাছ থেকে নিজেদের নিরাপদ রাখতেই প্রাইভেট চিকিৎসকরা এখন চেম্বারে বসছেন না।

img-add

করোনা পরিস্থিতিতে প্রাইভেট চিকিৎসকের চেম্বার বন্ধের বিষয়ে জেলা বিএমএ সভাপতি ডাঃ এমএ বারেক তোতা শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে বলেন, বর্তমান দুর্যোগে প্রাইভেট চেম্বারগুলো বন্ধ থাকার বিষয়টি দুঃখজনক। এ বিষয়ে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। আর ওই নির্দেশনার আলোকে সংশ্লিষ্টদের ইতোমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে। এরপরও কেউ দায়িত্বশীল না হলে তিনি নিজে কলঙ্কিত হবেন। একইসাথে তাকে জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হবে। তবে তিনি নিজে চেম্বারে বসছেন উল্লেখ করে বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই চিকিৎসকগণ প্রাইভেট চেম্বারে বসবেন।
এ ব্যাপারে শেরপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ একেএম আনওয়ারুর রউফ শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে বলেন, মানবসেবার ব্রত নিয়ে যারা চিকিৎসা পেশায় এসেছেন, তাদেরকে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতেও দায়িত্বশীল থাকতে হবে। এজন্য সরকার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কঠোর অবস্থানে রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিপত্রের আলোকে ইতোমধ্যে বিষয়টি বিএমএ’র সভাপতি-সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করা হয়েছে। ওই অবস্থায় আজ (বৃহস্পতিবার) থেকেই প্রাইভেট চেম্বারগুলোতে চিকিৎসকগণ বসতে শুরু করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। মাইকিং ও লিফলেট প্রচারণাসহ হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ এবং প্রতিটি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার প্রতি বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর



» শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদ পালন করুন : কাদের

» তিনটি জীবন্ত ‘করোনা ভাইরাস’ ছিল উহানের ল্যাবে!

» ঘরে বসেই ঈদের আনন্দ উপভোগ করার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর

» শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ

» সাধারণ ছুটি বাড়বে কিনা সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

» শেরপুরে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেন হুইপ আতিক

» শেরপুরের ৭ গ্রামে আগাম ঈদুল ফিতর পালিত

» সাবেক এমপি শ্যামলী ॥ মানবতার এক অনন্য ফেরীওয়ালা

» শেরপুরে পত্রিকার হকারদের মাঝে পুলিশের ঈদ উপহার

» শেরপুরে আরও দুইজনের করোনা শনাক্ত ॥ জেলায় মোট আক্রান্ত ৭৭

» ঈদে শবনম ফারিয়ার চমক

» করোনায় একদিনে রেকর্ড ২৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৩২

» শেরপুরে ৩ হাজার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার পৌঁছে দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান

» শেরপুরের সূর্যদীর সেই শহীদ পরিবার ও যুদ্ধাহত পরিবারগুলোর পাশে জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব

» শেরপুরে ৯৬ শিক্ষার্থীর ভাড়া মওকুফ করে দিলেন ছাত্রাবাসের মালিক

সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

  দুপুর ২:৪৩ | সোমবার | ২৫শে মে, ২০২০ ইং | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে করোনা আতঙ্কে হাসপাতালে নেই ভিড় ॥ প্রাইভেট চেম্বারগুলোর বেশিরভাগই বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন যখন রয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায়, ঠিক তখন শেরপুরের হাসপাতালগুলোতে করোনা আতঙ্কে নেই কোন ভিড়। বরং অনেকটাই শূন্য। অন্যদিকে সরকার, প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কঠোর নির্দেশনার পরও প্রাইভেট চেম্বারগুলোর বেশিরভাগই বন্ধ থাকায় সেই প্রাইভেট চিকিৎসকদের প্রতি আস্থাশীল রোগীদের সিংহভাগই রয়েছেন চরম বিপাকে।
জানা যায়, করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক সারাদেশের ন্যায় শেরপুরেও ছড়িয়ে পড়ার পরপরই ওই আতঙ্কের কারণে জেলা সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ভিড় কমতে কমতে এখন খোদ হাসপাতালের সিটগুলো শূন্য হয়ে আসছে। হাসপাতালগুলোতে টিকিৎসক, নার্সরা কর্মরত থাকলেও সর্দি-জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, শরীর ব্যথাসহ অন্যান্য রোগের রোগীরা চিকিৎসা নিতে এখন আর হাসপাতালমুখী নয় বলেই ওই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অগত্যা বয়স্ক ও হতদরিদ্র পরিবারের লোকজন ছাড়া মধ্যবিত্ত বা অবস্থাসম্পন্ন পরিবারের রোগীদের প্রায় কেউই নেই হাসপাতালগুলোতে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে চিকিৎসা সেবা অব্যাহত থাকলেও রোগীর সংখ্যা খুবই কম। যেখানে প্রতিদিন গড়ে ৩-৪শ রোগী ভর্তি ও চিকিৎসা সেবা নিতে যান, সেখানে দুপুর পর্যন্ত রোগী ভর্তি হয়েছে মাত্র ২০/২১ জন। এতে ওই হাসপাতালের প্রায় সব বেডই ফাঁকা রয়েছে। হাসপাতালের বাইরের ফার্মেসী ও রাস্তাঘাটেও রোগীর স্বজনদের ভিড় নেই। জেলার নালিতাবাড়ী, নকলা, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর চিত্রও একই।
এদিকে বেসরকারি চিকিৎসকগণ ছাড়াও প্রায় সকল সরকারি চিকিৎসকই জেলায় প্রাইভেট চিকিৎসায় নিয়োজিত রয়েছেন। আর করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত গত ৪/৫ দিন যাবত জেলা সদরসহ উপজেলা সদরগুলোতে থাকা প্রায় ৫০টি প্রাইভেট চিকিৎসকের চেম্বারের মধ্যে অধিকাংশ চেম্বারই বন্ধ রয়েছে। এতে শহরসহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের লোকজন সাধারণ সর্দি-জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, শরীর ব্যথাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। জেলা শহরের নারায়ণপুর হাসপাতাল রোড, বটতলা, থানামোড়, রঘুনাথবাজার ও মাধবপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় এবং উপজেলা সদরগুলোতে থাকা প্রাইভেট চেম্বারগুলোতে ঝুলছে তালা। কোন কোন সাইনবোর্ডে থাকা মোবাইলেও কল করে পাওয়া যাচ্ছে না তাদের সহকারীদের। ফলে প্রতিদিন রোগীরা চিকিৎসক না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অগত্যা কেউ কেউ সম্পর্কের সুবাদে মোবাইলে পরামর্শ নিয়ে অষুধ সংগ্রহ করলেও কেউ কেউ বাধ্য হয়ে স্মরণাপন্ন হচ্ছেন পল্লী চিকিৎসক বা হাতুড়ে চিকিৎসকদের। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সর্দি-জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট ও শরীর ব্যথা করোনা ভাইরাসের প্রাথমিক লক্ষ্মণ হওয়ায় ওই ধরনের রোগীদের কাছ থেকে নিজেদের নিরাপদ রাখতেই প্রাইভেট চিকিৎসকরা এখন চেম্বারে বসছেন না।

img-add

করোনা পরিস্থিতিতে প্রাইভেট চিকিৎসকের চেম্বার বন্ধের বিষয়ে জেলা বিএমএ সভাপতি ডাঃ এমএ বারেক তোতা শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে বলেন, বর্তমান দুর্যোগে প্রাইভেট চেম্বারগুলো বন্ধ থাকার বিষয়টি দুঃখজনক। এ বিষয়ে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কঠোর নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। আর ওই নির্দেশনার আলোকে সংশ্লিষ্টদের ইতোমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে। এরপরও কেউ দায়িত্বশীল না হলে তিনি নিজে কলঙ্কিত হবেন। একইসাথে তাকে জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হবে। তবে তিনি নিজে চেম্বারে বসছেন উল্লেখ করে বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই চিকিৎসকগণ প্রাইভেট চেম্বারে বসবেন।
এ ব্যাপারে শেরপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ একেএম আনওয়ারুর রউফ শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে বলেন, মানবসেবার ব্রত নিয়ে যারা চিকিৎসা পেশায় এসেছেন, তাদেরকে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতেও দায়িত্বশীল থাকতে হবে। এজন্য সরকার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কঠোর অবস্থানে রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিপত্রের আলোকে ইতোমধ্যে বিষয়টি বিএমএ’র সভাপতি-সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করা হয়েছে। ওই অবস্থায় আজ (বৃহস্পতিবার) থেকেই প্রাইভেট চেম্বারগুলোতে চিকিৎসকগণ বসতে শুরু করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। মাইকিং ও লিফলেট প্রচারণাসহ হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ এবং প্রতিটি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার প্রতি বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

সর্বশেষ খবর



অন্যান্য খবর



সম্পাদক-প্রকাশক : রফিকুল ইসলাম আধার
উপদেষ্টা সম্পাদক : সোলায়মান খাঁন মজনু
নির্বাহী সম্পাদক : মোহাম্মদ জুবায়ের রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১ : ফারহানা পারভীন মুন্নী
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : আলমগীর কিবরিয়া কামরুল
বার্তা সম্পাদক-১ : রেজাউল করিম বকুল
বার্তা সম্পাদক-২ : মোঃ ফরিদুজ্জামান।
যোগাযোগ : সম্পাদক : ০১৭২০০৭৯৪০৯
নির্বাহী সম্পাদক : ০১৯১২০৪৯৯৪৬
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-১: ০১৭১৬৪৬২২৫৫
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-২ : ০১৭১৪২৬১৩৫০
বার্তা সম্পাদক-১ : ০১৭১৩৫৬৪২২৫
বার্তা সম্পাদক -২ : ০১৯২১-৯৫৫৯০৬
বিজ্ঞাপন : ০১৭১২৮৫৩৩০৩
ইমেইল : shamolbangla2013@gmail.com.

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইট তৈরি করেছে- BD iT Zone

error: Content is protected !!