প্রকাশকাল: 13 মার্চ, 2019

শেরপুরে উদ্বোধনের অপেক্ষায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল

স্টাফ রিপোর্টার ॥ এবার শেরপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় অঙ্গনে নির্মাণ করা হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নবনির্মিত ওই ম্যুরালটি আমাগী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে উদ্বোধন করা হবে। ওই ম্যুরাল নির্মাণের কাজ করছেন শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমীর চারুকলার শিক্ষক হারুন অর রশীদ।
জানা যায়, জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুবের আগ্রহে কালেক্টরেট ভবন অঙ্গনের পূর্ব পাশে স্থাপিত ৩৫ ফুট বেদীর উপর নির্মিত হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থের ওই ম্যুরাল। আগামী ১৭ মার্চ তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে উদ্বোধন করার বিষয়টি মাথায় রেখেই ম্যুরালের পূর্ণাঙ্গ কাজ প্রায় শেষ হওয়ার পথে। কালেক্টরেট ভবন অঙ্গনের ফুল বাগানের পাশে পরিচ্ছন্ন জায়গায় ওই ম্যুরালটি নির্মিত হওয়ায় খোদ অঙ্গনটিই যেন আলোকিত হয়ে উঠছে। যাতায়াতকারী-আগন্তুকসহ অনেকেরই দৃষ্টি কাটছে ম্যুরালটি। এতে মুক্তিযোদ্ধা ও নতুন প্রজন্মসহ অনেকেই বেজায় খুশি।
রবিবার দুপুরে ওই নির্মিয়মাণ ম্যুরাল প্রসঙ্গে কথা হয় শেরপুরের জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুবের সাথে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের আরও কিছু জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জাতির পিতার ম্যুরাল থাকলেও শেরপুরে তা না থাকায় বিষয়টি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমাকে নাড়া দেয়। তাই আমার দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধের জায়গা থেকে জাতির জনকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা থেকেই আমি মনে করেছি বাংলাদেশের মহান স্থপতির একটি ম্যুরাল এখানেও স্থাপন করা প্রয়োজন। তবে সরকারের কোনো নির্দেশ বা সরকারের কোনো অর্থ ব্যয়ে এ ম্যুরাল করা হচ্ছে না, স্থানীয়ভাবে অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে তা করা হচ্ছে।
ম্যুরালটির স্থপতি হারুন অর রশীদ বলেন, জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা আর অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকেই কাজটি জেলা প্রশাসকের অনুপ্রেরণায় করছি। কোনোকিছুর বিনিময়ে নয়। জাতির জনকের এ ধরনের ম্যুরাল স্থাপন করতে আমি অনেক টাকা নিয়ে থাকি; কিন্তু এ ক্ষেত্রে খরচের বাইরে বাড়তি নেওয়ার চিন্তা নেই।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার এডভোকেট মোখলেসুর রহমান আকন্দ বলেন, প্রতিবছরই জাতির পিতার জন্মদিন ও মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা অস্থায়ী বেদী স্থাপন করে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করি। ওই ম্যুরাল স্থাপন করে একদিকে যেমন জেলা প্রশাসক আদর্শিক চেতনার দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন, অন্যদিকে এর মধ্য দিয়ে স্থায়ী বেদি সমস্যাও দূর হবে। একই কথা জানান জেলা সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান, সাংবাদিক-মুক্তিযোদ্ধা তালাপতুফ হোসেন মঞ্জুসহ অনেকেই।

আপনার মতামত দিন

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

error: Content is protected !!